১
তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন
লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৬
(২) গান, ক্রীড়া কৌতুক ও বাদ্যযন্ত্র শোনা।
ইবনুল কাইয়ুম রা. বলেছেন, নি:সন্দেহে গান, বাদ্যযন্ত্র এ গুলোকে শয়তান আল্লাহর নির্দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্যে উদ্ভাবন করেছে। এবং আল্লাহ বান্দাদের জন্য যে শরিয়তকে অন্তরের সংশোধন উপায় হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন, তার বিরোধিতার জন্যে সৃষ্টি করেছে কোরআন, সুন্নাহ ও ইজমার ঐকমত্যে এগুলো হারাম। বিশদভাবে এর আলোচনা করা হল।
(ক) কোরআনের দলিল সমূহ। আল্লাহ বলেন—
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ . ﴿لقمان : 6﴾
‘মানুষের মাঝে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প-কাহিনি কিনে, যাতে করে (মানুষের নিতান্ত) অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাআলার পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। [লুকামন : ৬।]
ইবনে মাসউদ রা.কে এ আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই আয়াতের উদ্দেশ্য হচ্ছে গান বাদ্য। আল্লাহ ঐ সত্তা যিনি ছাড়া দ্বিতীয় কোন ইলাহ নেই। তিনি তিনবার একথার পুনরাবৃত্তি করেন, ইবনে উমর, ইবনে আববাস, ও জাবের রা. সকলে উক্ত আয়াতের এ ব্যাখ্যাই করেছেন। তাবিয়িনদের মধ্যে থেকে অধিকাংশ তাফসীর বিদগণ ও ইবনে জুবাইর, ইকরামা এবং হাসান, সাঈদ ইবনে জুবাইর ও কাতাদা প্রমুখ ও অভিন্ন ব্যাখ্যা করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—
وَاسْتَفْزِزْ مَنِ اسْتَطَعْتَ مِنْهُمْ بِصَوْتِكَ . ﴿الإسراء : 64﴾
‘এদের মধ্যে যাকেই পারো তুমি তোমার আওয়াজ দিয়ে গোমরাহ করে দাও।’ [আল-ইসরা : ৬৪।]
মুজাহিদ এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, গান ও যন্ত্র সংগীত। এ কারণেই সালফগণকে, শয়তানের আওয়াজ ও শয়তানের সংগীত হিসেবে নাম করেছেন।
(খ) সুন্নত বা হাদিসের আলোকে দলিল।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মত থেকে এমন কিছু গোত্র হবে যারা রেশম, মদ ও গান বাদ্যকে হালাল মনে করবে।
(গ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
ليكونن من أمتي أقوام يستحلون الحر والحرير، والخمر، والمعازف ..
আমার উম্মতের মাঝে এমন কতক লোকে আবির্ভাব ঘটবে-যারা অলংকার, রেশম, মদ ও গান-বাদ্যকে হালাল মনে করবে।
إن في أمتي خسفا ومسخا وقذفا، قالوا : يارسول الله، وهم يشهدون أن لا إله إلا الله؟ ! فقال : نعم، إذا ظهرت المعازف والخمور، ولبس الحرير .
হাদিসটির অনুবাদ বাকি রইল...................
(ঘ) বাদ্য যন্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে গান হারাম বা নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে ঐক্যমত।
একদল উলামা এ বিষয়টি বর্ণনা করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছে আবু বকর আল আজুরার রা, যাকারিয়া ইবনে ইয়াহ আসসাজি এবং ইমাম আবু আমর ইবনে ছালাহ, আবু তৈয়্যব তাবারি আশ শাফেয়ি প্রমুখ।
(ক) কোরআনের দলিল সমূহ। আল্লাহ বলেন—
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ . ﴿لقمان : 6﴾
‘মানুষের মাঝে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প-কাহিনি কিনে, যাতে করে (মানুষের নিতান্ত) অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাআলার পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। [লুকামন : ৬।]
ইবনে মাসউদ রা.কে এ আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই আয়াতের উদ্দেশ্য হচ্ছে গান বাদ্য। আল্লাহ ঐ সত্তা যিনি ছাড়া দ্বিতীয় কোন ইলাহ নেই। তিনি তিনবার একথার পুনরাবৃত্তি করেন, ইবনে উমর, ইবনে আববাস, ও জাবের রা. সকলে উক্ত আয়াতের এ ব্যাখ্যাই করেছেন। তাবিয়িনদের মধ্যে থেকে অধিকাংশ তাফসীর বিদগণ ও ইবনে জুবাইর, ইকরামা এবং হাসান, সাঈদ ইবনে জুবাইর ও কাতাদা প্রমুখ ও অভিন্ন ব্যাখ্যা করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—
وَاسْتَفْزِزْ مَنِ اسْتَطَعْتَ مِنْهُمْ بِصَوْتِكَ . ﴿الإسراء : 64﴾
‘এদের মধ্যে যাকেই পারো তুমি তোমার আওয়াজ দিয়ে গোমরাহ করে দাও।’ [আল-ইসরা : ৬৪।]
মুজাহিদ এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, গান ও যন্ত্র সংগীত। এ কারণেই সালফগণকে, শয়তানের আওয়াজ ও শয়তানের সংগীত হিসেবে নাম করেছেন।
(খ) সুন্নত বা হাদিসের আলোকে দলিল।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মত থেকে এমন কিছু গোত্র হবে যারা রেশম, মদ ও গান বাদ্যকে হালাল মনে করবে।
(গ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
ليكونن من أمتي أقوام يستحلون الحر والحرير، والخمر، والمعازف ..
আমার উম্মতের মাঝে এমন কতক লোকে আবির্ভাব ঘটবে-যারা অলংকার, রেশম, মদ ও গান-বাদ্যকে হালাল মনে করবে।
إن في أمتي خسفا ومسخا وقذفا، قالوا : يارسول الله، وهم يشهدون أن لا إله إلا الله؟ ! فقال : نعم، إذا ظهرت المعازف والخمور، ولبس الحرير .
হাদিসটির অনুবাদ বাকি রইল...................
(ঘ) বাদ্য যন্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে গান হারাম বা নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে ঐক্যমত।
একদল উলামা এ বিষয়টি বর্ণনা করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছে আবু বকর আল আজুরার রা, যাকারিয়া ইবনে ইয়াহ আসসাজি এবং ইমাম আবু আমর ইবনে ছালাহ, আবু তৈয়্যব তাবারি আশ শাফেয়ি প্রমুখ।