১
তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন
লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৭
(১) আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা বা শিরকের দিকে নিয়ে যায় এমন কাজ করা :
এই শিরক হল জবানের সবচে বড় বিপদ। মানুষ কখনো এমন কোন শব্দ ব্যবহার করে কথা বলতে পারে যা তাকে জাহান্নামে প্রবিষ্ট করবে। যেমন যে শিরক যুক্ত কোন শব্দ উচ্চারণ করল। যেমন আল্লাহর দ্বীন বা কোরআন বা রাসূল সম্পর্কে তাচ্ছিল্য পূর্ণ কোন কথা বলল যদিও তা ঠাট্টা বা উপহাস ছলে হোক না কেন। আল্লাহ তাআলা এবিষয়ে সুস্পষ্ট করে বলেন,
يَحْذَرُ الْمُنَافِقُونَ أَنْ تُنَزَّلَ عَلَيْهِمْ سُورَةٌ تُنَبِّئُهُمْ بِمَا فِي قُلُوبِهِمْ قُلِ اسْتَهْزِئُوا إِنَّ اللَّهَ مُخْرِجٌ مَا تَحْذَرُونَ . وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ لَيَقُولُنَّ إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ قُلْ أَبِاللَّهِ وَآَيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ . لَا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ إِنْ نَعْفُ عَنْ طَائِفَةٍ مِنْكُمْ نُعَذِّبْ طَائِفَةً بِأَنَّهُمْ كَانُوا مُجْرِمِينَ .
‘(এ) মোনাফেকরা আশঙ্কা করে, তোমাদের উপর এমন কোনো সূরা নাজিল হয়ে পড়ে কিনা, যা তাদের মনের ভেতরে কোনো লুকিয়ে থাকা) সব কিছু ফাঁস করে দেবে, (হে নবী) তুমি এদের বলো, হাঁ যতদূর পারো তোমরা বিদ্রূপ করে নাও, অবশ্যই আল্লাহ তাআলা (এমন কিছু নাজিল করবেন, যাতে তিনি যে) সব কিছু ফাঁস করে দেবেন, যার তোমরা আশঙ্কা করছ। ‘তুমি যদি তাদের কিছু জিজ্ঞেস করো তারা বলবে (না) আমরা তো একটু কথাবার্তা ও হাসি কৌতুক করে ছিলাম মাত্র, তুমি (তাদের) বলো, তোমরা কি আল্লাহ তাআলা তার আয়াত সমূহ ও তার রাসূলকে বিদ্রূপ করছিলে। [সূরা তওবা : ৬৪,৬৫।]
শিরকের প্রকার সমূহে থেকে একটি ‘আশ শিরক আল আসগর’ ক্ষুদ্রতম শিরক। আর তা হলো কবিরা গুনাহ সমূহের সবচে বড় গুনাহ। তবে তা ধর্ম থেকে বের করে কুফর পর্যন্ত পৌঁছায় না। যথা: আল্লাহ ব্যতীত অপর কারো নামে কসম খাওয়া। এবং ‘মাশা আল্লাহ’ ও ‘মাশা ফুলান বলা’ এবং এমন বলা যে, যদি আল্লাহ এবং অমুক না হত ইত্যাদি। অতএব একজন মুমিনকে এসব বিষয়ে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।
يَحْذَرُ الْمُنَافِقُونَ أَنْ تُنَزَّلَ عَلَيْهِمْ سُورَةٌ تُنَبِّئُهُمْ بِمَا فِي قُلُوبِهِمْ قُلِ اسْتَهْزِئُوا إِنَّ اللَّهَ مُخْرِجٌ مَا تَحْذَرُونَ . وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ لَيَقُولُنَّ إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ قُلْ أَبِاللَّهِ وَآَيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ . لَا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ إِنْ نَعْفُ عَنْ طَائِفَةٍ مِنْكُمْ نُعَذِّبْ طَائِفَةً بِأَنَّهُمْ كَانُوا مُجْرِمِينَ .
‘(এ) মোনাফেকরা আশঙ্কা করে, তোমাদের উপর এমন কোনো সূরা নাজিল হয়ে পড়ে কিনা, যা তাদের মনের ভেতরে কোনো লুকিয়ে থাকা) সব কিছু ফাঁস করে দেবে, (হে নবী) তুমি এদের বলো, হাঁ যতদূর পারো তোমরা বিদ্রূপ করে নাও, অবশ্যই আল্লাহ তাআলা (এমন কিছু নাজিল করবেন, যাতে তিনি যে) সব কিছু ফাঁস করে দেবেন, যার তোমরা আশঙ্কা করছ। ‘তুমি যদি তাদের কিছু জিজ্ঞেস করো তারা বলবে (না) আমরা তো একটু কথাবার্তা ও হাসি কৌতুক করে ছিলাম মাত্র, তুমি (তাদের) বলো, তোমরা কি আল্লাহ তাআলা তার আয়াত সমূহ ও তার রাসূলকে বিদ্রূপ করছিলে। [সূরা তওবা : ৬৪,৬৫।]
শিরকের প্রকার সমূহে থেকে একটি ‘আশ শিরক আল আসগর’ ক্ষুদ্রতম শিরক। আর তা হলো কবিরা গুনাহ সমূহের সবচে বড় গুনাহ। তবে তা ধর্ম থেকে বের করে কুফর পর্যন্ত পৌঁছায় না। যথা: আল্লাহ ব্যতীত অপর কারো নামে কসম খাওয়া। এবং ‘মাশা আল্লাহ’ ও ‘মাশা ফুলান বলা’ এবং এমন বলা যে, যদি আল্লাহ এবং অমুক না হত ইত্যাদি। অতএব একজন মুমিনকে এসব বিষয়ে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।