hadith book logo

তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন

লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪

ভাল সাথির কিছু গুণাবলি

দ্বীনদার ও তাকওয়াবান হওয়া : তাকওয়াবানের কিছু আলামত নীচে উল্লেখ করা হল।

আল্লাহ প্রদত্ত অকাট্য বিধি-বিধান পালনে যত্নবান হওয়া। যেমন সালাত কায়েম, জাকাত প্রদান—ইত্যাদি।

গালি-গালাজ, অভিশাপ, গিবত—ইত্যাদি থেকে নিজের জিহবাকে পরিচ্ছন্ন রাখা।

নিজ সাথিকে ভাল উপদেশ দেওয়া।

সজনদেরকে ভালোবাসা।

অশ্লীলতা ও পঙ্কিলতা থেকে দূরে থাকা।

ভাল কাজে সহযোগিতা প্রদান, পাপের কাজে নিরুৎসাহিত করা। আললাহ তাআলা বলেন :—

الْأَخِلَّاءُ يَوْمَئِذٍ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ إِلَّا الْمُتَّقِينَ ﴿الزخرف :67﴾

‘বন্ধুরা সেই দিন হয়ে পড়বে একে অপরের শক্র, মুত্তাকীরা ব্যতীত।’ [যুখরুফ : ৬৭] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :—

لا تصاحب إلا مؤمنا، ولا يأكل طعامك إلا تقي . رواه الترمذي (3218)

‘ঈমানদার ব্যতীত সাথি গ্রহণ করো না, মুত্তাকী ব্যতীত কেহ যেন তোমার খাবার ভক্ষণ না করে।’ [তিরমিজি : ৩২১৮]

বুদ্ধিমান হওয়া : নির্বোধকে সাথি হিসেবে গ্রহণে কোন কল্যাণ নেই। কেননা সেই লাভ করতে গিয়ে ক্ষতি করে বসবে।

সুন্দর চরিত্রবান হওয়া : কেননা দুশ্চরিত্রবান সাথির অশুভ কর্মে তুমি আক্রান্ত হয়ে পড়বে, কষ্টে নিপতিত হবে।

সুন্নত মোতাবেক চলা : সাথি বেদআতী হলে তোমাকে বেদআতের দিকে নিয়ে যাবে, তোমার চিন্তা চেতনাকে কলুষিত করবে।