১
তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন
লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
ধর্মীয় ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের আদবসমূহ
ধর্মীয় ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু আদব রয়েছে যা মেনে চললেই আল্লাহর জন্য ভালোবাসার দাবি যথার্থ প্রমাণিত হবে। নীচে কতিপয় আদব উল্লেখ করা হল।
সালাম প্রদান ও হাসি-মুখে সাক্ষাৎ করা : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :—
لاتحقرن من المعروف شيئا، ولو أن تلقى أخاك بوجه طلق . رواه مسلم (4760)
কোন ভাল কাজকে কখনো তুচ্ছ জ্ঞান কর না, এমনকি তা যদি তোমার ভাইয়ের সাথে হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় সাক্ষাৎ করাও হয়। [সহিহ মুসলিম : ৪৭৬০]
উপঢৌকন প্রদান : ভালোবাসা বৃদ্ধি ও মনোমালিন্য দূরীকরণে এর রয়েছে বিরাট প্রভাব। রাসূলুল্লাহ বলেন :—
تهادوا تحابوا . موطأ مالك (1413)
‘তোমরা একে অপরকে উপহার প্রদান কর, তোমাদের পরস্পর ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।’ [মুয়াত্তা : ১৪১৩] এক ভাই অপর ভাইয়ের জন্য জিকির">দোয়া করা : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :—
ما من عبد مسلم يدعو لأخيه بظهر الغيب، إلا قال الملك : ولك بمثل . رواه مسلم (491)
‘কোন মুসলিম বান্দা যখন তার ভাইয়ের পিছনে তার জন্য দোয়া করে তখন ফেরেশতা বলে উঠে তোমার জন্যও অনুরূপ।’ [সহিহ মুসলিম : ৪৯১২] আর এটা তার সারা জীবন—এমনকি মৃত্যুর পরেও অব্যাহত থাকবে।
অপর ভাইয়ের নিকট ভালোবাসার কথা প্রকাশ করা : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:—
إذا أحب الرجل أخاه، فليخبره أنه يحبه . رواه أبوداود (4459)
‘মানুষ যখন তার ভাইকে ভালোবাসে সে যেন তাকে অবহিত করে যে, সে তাকে ভালোবাসে।’ এবং তাকে বলবে : إني أحبك في الله ‘নিশ্চয় আমি তোমাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি।’ জওয়াবে সে বলবে : أحبك الذي أحببتني له ‘যে ব্যাপারে তুমি আমাকে ভালোবেসেছ সেটা আমার নিকট পছন্দ হয়েছে।’ [আবুদাউদ : ৪৪৫৯]
দেখা-সাক্ষাতের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করা : যাতে কমও না হয় আবার বেশিও না হয়। কম হলে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে, বেশি হলে বিরক্ত হয়ে পড়বে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :—
زر غبا، تزدد حبا .
‘বিরতি দিয়ে দেখা-সাক্ষাৎ কর, ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।’ [] কবি বলেন :—
أكثر التكرار أقصاه المللزرغبا تزد حبا فمن
বিরতি দিয়ে দেখা-সাক্ষাৎ কর, ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে, যে বার বার দেখা-সাক্ষাৎ করে অস্বস্তিবোধ তাকে দূরে সরিয়ে দিবে।
সাহায্য করা ও প্রয়োজন মেটানো : একে তিন পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়।
সর্বোচ্চ পর্যায় : নিজের প্রয়োজনের উপর অপর ভাইয়ের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
মধ্যপর্যায় : আবেদন ছাড়া অপর ভাইয়ের এমন প্রয়োজন মেটানো যা নিজের প্রয়োজনের সাথে সাংঘর্ষিক হয় না।
নিম্ন পর্যায় : আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অপর ভাইয়ের প্রয়োজনে সাড়া দেওয়া।
অপর ভাইয়ের দোষ-ত্রুটি ঢেকে রাখা, তার গোপনীয় বিষয় প্রকাশ না করা, উত্তম পন্থায় তাকে উপদেশ দেয়া, তার ইজ্জত-আব্রু সংরক্ষণ করা, ভুল-ভ্রান্তি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা, সুন্দর আচরণ করা—ইত্যাদি।
সালাম প্রদান ও হাসি-মুখে সাক্ষাৎ করা : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :—
لاتحقرن من المعروف شيئا، ولو أن تلقى أخاك بوجه طلق . رواه مسلم (4760)
কোন ভাল কাজকে কখনো তুচ্ছ জ্ঞান কর না, এমনকি তা যদি তোমার ভাইয়ের সাথে হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় সাক্ষাৎ করাও হয়। [সহিহ মুসলিম : ৪৭৬০]
উপঢৌকন প্রদান : ভালোবাসা বৃদ্ধি ও মনোমালিন্য দূরীকরণে এর রয়েছে বিরাট প্রভাব। রাসূলুল্লাহ বলেন :—
تهادوا تحابوا . موطأ مالك (1413)
‘তোমরা একে অপরকে উপহার প্রদান কর, তোমাদের পরস্পর ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।’ [মুয়াত্তা : ১৪১৩] এক ভাই অপর ভাইয়ের জন্য জিকির">দোয়া করা : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :—
ما من عبد مسلم يدعو لأخيه بظهر الغيب، إلا قال الملك : ولك بمثل . رواه مسلم (491)
‘কোন মুসলিম বান্দা যখন তার ভাইয়ের পিছনে তার জন্য দোয়া করে তখন ফেরেশতা বলে উঠে তোমার জন্যও অনুরূপ।’ [সহিহ মুসলিম : ৪৯১২] আর এটা তার সারা জীবন—এমনকি মৃত্যুর পরেও অব্যাহত থাকবে।
অপর ভাইয়ের নিকট ভালোবাসার কথা প্রকাশ করা : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:—
إذا أحب الرجل أخاه، فليخبره أنه يحبه . رواه أبوداود (4459)
‘মানুষ যখন তার ভাইকে ভালোবাসে সে যেন তাকে অবহিত করে যে, সে তাকে ভালোবাসে।’ এবং তাকে বলবে : إني أحبك في الله ‘নিশ্চয় আমি তোমাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি।’ জওয়াবে সে বলবে : أحبك الذي أحببتني له ‘যে ব্যাপারে তুমি আমাকে ভালোবেসেছ সেটা আমার নিকট পছন্দ হয়েছে।’ [আবুদাউদ : ৪৪৫৯]
দেখা-সাক্ষাতের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করা : যাতে কমও না হয় আবার বেশিও না হয়। কম হলে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে, বেশি হলে বিরক্ত হয়ে পড়বে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :—
زر غبا، تزدد حبا .
‘বিরতি দিয়ে দেখা-সাক্ষাৎ কর, ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।’ [] কবি বলেন :—
أكثر التكرار أقصاه المللزرغبا تزد حبا فمن
বিরতি দিয়ে দেখা-সাক্ষাৎ কর, ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে, যে বার বার দেখা-সাক্ষাৎ করে অস্বস্তিবোধ তাকে দূরে সরিয়ে দিবে।
সাহায্য করা ও প্রয়োজন মেটানো : একে তিন পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়।
সর্বোচ্চ পর্যায় : নিজের প্রয়োজনের উপর অপর ভাইয়ের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
মধ্যপর্যায় : আবেদন ছাড়া অপর ভাইয়ের এমন প্রয়োজন মেটানো যা নিজের প্রয়োজনের সাথে সাংঘর্ষিক হয় না।
নিম্ন পর্যায় : আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অপর ভাইয়ের প্রয়োজনে সাড়া দেওয়া।
অপর ভাইয়ের দোষ-ত্রুটি ঢেকে রাখা, তার গোপনীয় বিষয় প্রকাশ না করা, উত্তম পন্থায় তাকে উপদেশ দেয়া, তার ইজ্জত-আব্রু সংরক্ষণ করা, ভুল-ভ্রান্তি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা, সুন্দর আচরণ করা—ইত্যাদি।