১
রমযানের বিষয়ভিত্তিক হাদীস শিক্ষা ও মাসায়েল
লেখকঃ ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ আল-হাকীল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
৪৯. লাইলাতুল কদরের দো‘আ
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বলেছি: “হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমি যদি লাইলাতুল কদর জানতে পারি, আমি তাতে কি বলব? তিনি বললেন: তুমি বলবে:
«اللَّهُمَّ إنَّك عَفُوٌّ كَريمٌ تُحبُّ العَفوَ فَاعْفُ عنِّي»
“হে আল্লাহ তুমি ক্ষমাশীল, মহান দাতা-সম্মানিত, ক্ষমা করাকে তুমি ভালোবাস। অতএব, তুমি আমাকে ক্ষমা কর”। ইমাম তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন এ হাদীস হাসান, সহীহ। [তিরমিযী, হাদীস নং ৩৫১৩; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩৮৫০; নাসাঈ ফিল কুবরা, হাদীস নং ১০৭০৮; আহমদ: (৬/১৭১), হাকেম হাদীসটি সহীহ বলেছেন এবং বলেছেন: বুখারী ও মুসলিমের শর্ত মোতাবেক: (১/৭১২)।]
ইবন মাজাহ’র শব্দ হচ্ছে: আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি দেখেছেন, আমি লাইলাতুল কদর পেলে কী দো‘আ করব? তিনি বললেন: তুমি বলবে:
«اللَّهُمَّ إنَّكَ عَفُوٌّ كَريمٌ تُحبُّ العَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي»
শিক্ষা ও মাসায়েল:
এক. লাইলাতুল কদরের ফযীলত এবং উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার তা অন্বেষণ করা, তাতে কিয়াম ও দো‘আ করার গভীর আগ্রহ প্রমাণিত হয়।
দুই. কল্যাণকর বস্তু জানার জন্য সাহাবীদের প্রশ্ন করার আগ্রহ।
তিন. লাইলাতুল কদরের দো‘আ ফযীলতপূর্ণ এবং তা কবুলের সম্ভাবনা রাখে।
চার. ব্যাপক অর্থপূর্ণ শব্দের মাধ্যমে দো‘আ করা মোস্তাহাব। দো‘আয় লৌকিকতা ও এমন শব্দ পরিহার করা, যার অর্থ অস্পষ্ট।
পাঁচ. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাতলানো এ দো‘আ ব্যাপক অর্থপূর্ণ ও সবচেয়ে উপকারী। এ দো‘আতে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত রয়েছে, কারণ, আল্লাহ যখন দুনিয়াতে কোনো বান্দাকে ক্ষমা করবেন, তিনি তার থেকে শাস্তি দূরীভূত করবেন, তার ওপর নিয়ামতরাজি বর্ষণ করবেন। আর যখন তিনি কোনো বান্দাকে আখিরাতে ক্ষমা করবেন, তিনি তাকে আগুন থেকে মুক্তি দেবেন ও জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
ছয়. এ হাদীসে আল্লাহর ‘ভালোবাসা’ গুণটি প্রমাণিত হয়, যেভাবে তার জন্য ভালোবাসা গুণটি উপযোগী। আর তিনি ক্ষমা করা ভালোবাসেন।
সাত. মানুষদের ক্ষমা করার ফযীলত। কারণ, আল্লাহ ক্ষমা করা পছন্দ করেন, অনুরূপ যারা মানুষদের ক্ষমা করে তাদের তিনি পছন্দ করেন।
আট. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ উম্মতের কল্যাণ কামনা করেন ও তাদেরকে উপকারী বিষয় শিক্ষা দেন।
«اللَّهُمَّ إنَّك عَفُوٌّ كَريمٌ تُحبُّ العَفوَ فَاعْفُ عنِّي»
“হে আল্লাহ তুমি ক্ষমাশীল, মহান দাতা-সম্মানিত, ক্ষমা করাকে তুমি ভালোবাস। অতএব, তুমি আমাকে ক্ষমা কর”। ইমাম তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন এ হাদীস হাসান, সহীহ। [তিরমিযী, হাদীস নং ৩৫১৩; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩৮৫০; নাসাঈ ফিল কুবরা, হাদীস নং ১০৭০৮; আহমদ: (৬/১৭১), হাকেম হাদীসটি সহীহ বলেছেন এবং বলেছেন: বুখারী ও মুসলিমের শর্ত মোতাবেক: (১/৭১২)।]
ইবন মাজাহ’র শব্দ হচ্ছে: আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি দেখেছেন, আমি লাইলাতুল কদর পেলে কী দো‘আ করব? তিনি বললেন: তুমি বলবে:
«اللَّهُمَّ إنَّكَ عَفُوٌّ كَريمٌ تُحبُّ العَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي»
শিক্ষা ও মাসায়েল:
এক. লাইলাতুল কদরের ফযীলত এবং উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার তা অন্বেষণ করা, তাতে কিয়াম ও দো‘আ করার গভীর আগ্রহ প্রমাণিত হয়।
দুই. কল্যাণকর বস্তু জানার জন্য সাহাবীদের প্রশ্ন করার আগ্রহ।
তিন. লাইলাতুল কদরের দো‘আ ফযীলতপূর্ণ এবং তা কবুলের সম্ভাবনা রাখে।
চার. ব্যাপক অর্থপূর্ণ শব্দের মাধ্যমে দো‘আ করা মোস্তাহাব। দো‘আয় লৌকিকতা ও এমন শব্দ পরিহার করা, যার অর্থ অস্পষ্ট।
পাঁচ. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাতলানো এ দো‘আ ব্যাপক অর্থপূর্ণ ও সবচেয়ে উপকারী। এ দো‘আতে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত রয়েছে, কারণ, আল্লাহ যখন দুনিয়াতে কোনো বান্দাকে ক্ষমা করবেন, তিনি তার থেকে শাস্তি দূরীভূত করবেন, তার ওপর নিয়ামতরাজি বর্ষণ করবেন। আর যখন তিনি কোনো বান্দাকে আখিরাতে ক্ষমা করবেন, তিনি তাকে আগুন থেকে মুক্তি দেবেন ও জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
ছয়. এ হাদীসে আল্লাহর ‘ভালোবাসা’ গুণটি প্রমাণিত হয়, যেভাবে তার জন্য ভালোবাসা গুণটি উপযোগী। আর তিনি ক্ষমা করা ভালোবাসেন।
সাত. মানুষদের ক্ষমা করার ফযীলত। কারণ, আল্লাহ ক্ষমা করা পছন্দ করেন, অনুরূপ যারা মানুষদের ক্ষমা করে তাদের তিনি পছন্দ করেন।
আট. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ উম্মতের কল্যাণ কামনা করেন ও তাদেরকে উপকারী বিষয় শিক্ষা দেন।