১
সুন্নাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
পান করার সুন্নাত
পানীয় দ্রব্য পান করার ক্ষেত্রে নিচের সুন্নাতসমূহ লক্ষণীয় :
১. পানীয় দ্রব্যে ফুঁ না দেয়া ও গ্লাসের মধ্যে নিঃশ্বাস না ছাড়া। আবদুল্লাহ ইবনে আবু কাতাদা (রহ.) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ পান করবে, তখন সে যেন পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ছাড়ে। আর যখন তোমাদের কেউ বাথরম্নমে যাবে, তখন সে যেন ডান হাত দ্বারা লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে এবং ইস্তেঞ্জা না করে। [সহীহ বুখারী, হা/১৫৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৪৩৮; তিরমিযী, হা/১৮৮৯; ইবনে মাজাহ, হা/৩৪২৭।]
২. পানীয়দ্রব্য তিন নিঃশ্বাসে পান করা। আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ যখন পান করতেন, তখন তিন নিঃশ্বাসে পান করতেন এবং বলতেন, এটা তৃপ্তিদায়ক, সহজ ও কল্যাণকর। [আবু দাউদ, হা/৩৭২৯; মুসনাদে তায়ালুসী, হা/২২৩২; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/১৫০৫৪।]
৩. পান করার শুরম্নতে بِسْمِ اللهِ (বিসমিল্লাহ) বলা।
৪. পান করার শেষে اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ (আলহামদু লিল্লাহ) পড়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা।
৫. বসে পান করা। তবে প্রয়োজনে দাড়িয়ে পান করাও জায়েয আছে। [সহীহ বুখারী, হা/৫৬১৫।]
৬. যমযমের পানি দাড়িয়ে পান করা। ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় নবী ﷺ দাঁড়ানো অবস্থায় যমযমের পানি পান করতেন। [সহীহ মুসলিম, হা/৫৪০০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৩৮; শু‘আবুল ঈমান, হা/৫৫৮২।]
৭. দুধ পান করার পর কুলি করা উত্তম। [সহীহ বুখারী, হা/৫৬০৯।]
৮. দুধ পান করার পর এ দু‘আ পড়বে :
اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهِ وَزِدْنَا مِنْهُ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা বা-রিক লানা ফীহি ওয়া যিদ্না মিনহু।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের জন্য দুধে বরকত দান করম্নন এবং তা বাড়িয়ে দিন। [আবু দাঊদ, হা/৩৭৩২; তিরমিযী, হা/৩৪৫৫; ইবনে মাজাহ, হা/৩৩২২; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৭৮।]
১. পানীয় দ্রব্যে ফুঁ না দেয়া ও গ্লাসের মধ্যে নিঃশ্বাস না ছাড়া। আবদুল্লাহ ইবনে আবু কাতাদা (রহ.) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ পান করবে, তখন সে যেন পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ছাড়ে। আর যখন তোমাদের কেউ বাথরম্নমে যাবে, তখন সে যেন ডান হাত দ্বারা লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে এবং ইস্তেঞ্জা না করে। [সহীহ বুখারী, হা/১৫৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৪৩৮; তিরমিযী, হা/১৮৮৯; ইবনে মাজাহ, হা/৩৪২৭।]
২. পানীয়দ্রব্য তিন নিঃশ্বাসে পান করা। আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ যখন পান করতেন, তখন তিন নিঃশ্বাসে পান করতেন এবং বলতেন, এটা তৃপ্তিদায়ক, সহজ ও কল্যাণকর। [আবু দাউদ, হা/৩৭২৯; মুসনাদে তায়ালুসী, হা/২২৩২; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/১৫০৫৪।]
৩. পান করার শুরম্নতে بِسْمِ اللهِ (বিসমিল্লাহ) বলা।
৪. পান করার শেষে اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ (আলহামদু লিল্লাহ) পড়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা।
৫. বসে পান করা। তবে প্রয়োজনে দাড়িয়ে পান করাও জায়েয আছে। [সহীহ বুখারী, হা/৫৬১৫।]
৬. যমযমের পানি দাড়িয়ে পান করা। ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় নবী ﷺ দাঁড়ানো অবস্থায় যমযমের পানি পান করতেন। [সহীহ মুসলিম, হা/৫৪০০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৩৮; শু‘আবুল ঈমান, হা/৫৫৮২।]
৭. দুধ পান করার পর কুলি করা উত্তম। [সহীহ বুখারী, হা/৫৬০৯।]
৮. দুধ পান করার পর এ দু‘আ পড়বে :
اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهِ وَزِدْنَا مِنْهُ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা বা-রিক লানা ফীহি ওয়া যিদ্না মিনহু।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের জন্য দুধে বরকত দান করম্নন এবং তা বাড়িয়ে দিন। [আবু দাঊদ, হা/৩৭৩২; তিরমিযী, হা/৩৪৫৫; ইবনে মাজাহ, হা/৩৩২২; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৭৮।]