১
সুন্নাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৮
আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করার ফযীলত
যদি চোখের পানি ফেলে বান্দা আল্লাহর কাছে কিছু চায়, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তার দিকে মনোযোগ দেন। বান্দা যখন তার কোন প্রয়োজন পূরণের জন্য অথবা বিপদ থেকে মুক্তি লাভের জন্য কান্নাকাটি করে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে, তখন আল্লাহর রহমত তার দিকে অগ্রসর হয়। রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘সে ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে না- যে আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে, যেভাবে সম্ভব নয় দুধকে তার স্তনে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়া। আর আল্লাহর রাস্তার ধূলা এবং জাহান্নামের ধোঁয়া কখনও একত্রিত হবে না।’’ [তিরমিযী, হা/১৬৩৯; শু‘আবুল ঈমান, হা/৭৯৫; তাবারানী, হা/১০০৩; মিশকাত, হা/৩৮২৯।]
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ছায়ায় স্থান দেবেন যেদিন তার ছায়া ব্যতীত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না। তাদের মধ্যে এক ব্যক্তি হচ্ছে, যে নির্জনে আল্লাহ তা‘আলাকে স্মরণ করে এবং তার দু‘চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়।’’ [মুসলিম হা/২৪২৭।]
পাপের জন্য ক্রন্দন করার মধ্যে নাজাত নিহিত। উকবা ইবনে আমের (রাঃ) বলেন, আমি একদা রাসূল ﷺ কে বললাম, নাজাতের পথ কী? তিনি বললেন, ‘‘তুমি তোমার জিহবাকে আয়ত্তে রাখবে, যেন তা তোমার বিরম্নদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার সুযোগ না পায়, তোমার অবস্থান যেন তোমার গৃহে থাকে এবং তুমি তোমার পাপের জন্য কান্নাকাটি করতে থাক।’’ [তিরমিযী, হা/২৪০৬; শু‘আবুল ঈমান, হা/৬৬৯৮; মিশকাত, হা/৪৮৩৭।]
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ছায়ায় স্থান দেবেন যেদিন তার ছায়া ব্যতীত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না। তাদের মধ্যে এক ব্যক্তি হচ্ছে, যে নির্জনে আল্লাহ তা‘আলাকে স্মরণ করে এবং তার দু‘চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়।’’ [মুসলিম হা/২৪২৭।]
পাপের জন্য ক্রন্দন করার মধ্যে নাজাত নিহিত। উকবা ইবনে আমের (রাঃ) বলেন, আমি একদা রাসূল ﷺ কে বললাম, নাজাতের পথ কী? তিনি বললেন, ‘‘তুমি তোমার জিহবাকে আয়ত্তে রাখবে, যেন তা তোমার বিরম্নদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার সুযোগ না পায়, তোমার অবস্থান যেন তোমার গৃহে থাকে এবং তুমি তোমার পাপের জন্য কান্নাকাটি করতে থাক।’’ [তিরমিযী, হা/২৪০৬; শু‘আবুল ঈমান, হা/৬৬৯৮; মিশকাত, হা/৪৮৩৭।]