১
সুন্নাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৪
সফরের সুন্নাত
মুসাফিরকে দু‘আ পড়ে বিদায় দেয়া :
ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ কোন লোককে বিদায় দিলে তার হাত ধরতেন। অতঃপর বিদায় হওয়া ব্যক্তি হাত না ছাড়লে রাসূলুল্লাহ ﷺ তার হাত ছাড়তেন না। বিদায়ের সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ এ দু‘আ পড়তেন।
أَسْتَوْدِعُ اللهَ دِيْنَكَ وَأَمَانَتَكَ وَخَوَاتِيْمَ عَمَلِكَ زَوَّدَكَ اللهُ التَّقْوٰى وَغَفَرَ ذَنْۢبَكَ وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُمَا كُنْتَ
আসতাউদি‘উল্লা-হা দীনাকা ওয়া আমা-নাতাকা ওয়া খাওয়া-তীমা ‘আমালিক, যাউওয়াদাকাল্লা-হুত তাক্বওয়া ওয়া গাফারা যামবাকা ওয়া ইয়াস্সারা লাকাল খাইরা হায়ছুমা কুনতা।
অর্থ : আমি তোমার দ্বীন, তোমার আমানত এবং শেষ আমল আল্লাহর উপর ছেড়ে দিচ্ছি। আল্লাহ তোমাকে তাক্বওয়া দান করম্নন, তোমার পাপ ক্ষমা করম্নন, আল্লাহ তোমার জন্য কল্যাণকে সহজসাধ্য করম্নন, তুমি যেখানেই থাক । [আবু দাঊদ, হা/২৬০২; তিরমিযী, হা/৩৪৪২-৪৪; ইবনে মাজাহ, হা/২৮২৬; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/২৪৭৭; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২৫৩২; মিশকাত, হা/২৪৩৫-৩৭।]
মুসাফিরের করণীয় :
মুসাফির বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় দু‘আ পড়ে বের হবে। সওয়ারীতে আরোহণ করার সময় প্রথমে এক বার বিসমিল্লাহ বলবে। এরপর তিন বার আল্লাহু আকবার বলবে তারপর নিচের দু‘আটি পাঠ করবে-
سُبْحَانَ الَّذِىْ سَخَّرَ لَنَا هٰذَا وَمَا كُنَّا لَه مُقْرِنِيْنَ وَإِنَّا إِلٰى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ ‐ اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِىْ سَفَرِنَا هٰذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوٰى وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضٰى ‐ اَللّٰهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هٰذَا وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَه ‐ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِى السَّفَرِ وَالْخَلِيْفَةُ فِى الْاَهْلِ ‐ اَللّٰهُمَّ إِنِّى أَعُوْذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَكَاٰبَةِ الْمَنْظَرِ وَسُوْءِ الْمُنْقَلَبِ فِى الْمَالِ وَالْاَهْلِ
সুবহা-নাল্লাযী সাখ্খারা লানা হা-যা ওয়ামা কুন্না লাহূ মুক্বরিনীনা ওয়াইন্না ইলা রাবিবনা লামুনক্বালিবূন, আল্লা-হুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফী সাফারিনা হা-যাল বির্রা ওয়াত্তাক্বওয়া, ওয়া মিনাল ‘আমালি মা তারযা, আল্লা-হুম্মা হাওয়িন ‘আলাইনা সাফারানা হা-যা ওয়াত্বভি ‘আন্না বু‘দাহ। আল্লা-হুম্মা আনতাস সা-হিবু ফিস সাফারি ওয়াল খালীফাতু ফিল আহলি, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন ওয়া‘সা-ইস সাফারি ওয়া কাআ-বাতিল মানযারি ওয়া সূইল মুনক্বালাবি ফিল মা-লি ওয়াল আহল।
অর্থ : ঐ আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, যিনি এ বাহনকে আমাদের জন্য অনুগত করে দিয়েছেন; অথচ তাকে আমরা অনুগত করতে সক্ষম নই। অবশ্যই আমরা আমাদের রবের নিকট প্রত্যাবর্তন করব। হে আল্লাহ! আমরা এই সফরে আপনার নিকট নেকী ও তাক্বওয়া চাই। আর আপনার পছন্দমতো আমল চাই। হে আল্লাহ! এ সফরকে আমাদের জন্য সহজ করে দিন এবং তার দূরত্বকে কমিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আপনিই আমাদের এ সফরের সাথি, আর পরিবারের রক্ষক। হে আল্লাহ! আপনার নিকট আশ্রয় চাই সফরের কষ্ট হতে, আর সফরের কষ্টদায়ক দৃশ্য হতে এবং সফর হতে প্রত্যাবর্তনকালে সম্পদ ও পরিবারের ক্ষয়-ক্ষতি ও কষ্টদায়ক দর্শন হতে। [সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৩৯; আবু দাঊদ, হা/২৬০৪; তিরমিযী, হা/৩৪৪৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৫৩; মিশকাত, হা/২৪৩৪।]
রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন সফর হতে ফিরে আসতেন তখন আবারও উপরের দু‘আটি পাঠ করতেন এবং সেই সাথে নিম্নের অংশটুকুও পাঠ করতেন,
اٰيِبُوْنَ تَائِبُوْنَ عَابِدُوْنَ لِرَبِّنَا حَامِدُوْنَ
আ-য়িবূনা তা-ইবূনা ‘আবিদূনা লিরাবিবনা হা-মিদূন।
অর্থ : তাওবা করতে করতে, ইবাদাতরত অবস্থায় এবং আমাদের রবের প্রশংসা করতে করতে আমরা প্রত্যাবর্তন করছি। [সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৩৯; আবু দাঊদ, হা/২৬০১; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৩৪৪; মিশকাত, হা/২৪২০।]
ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ কোন লোককে বিদায় দিলে তার হাত ধরতেন। অতঃপর বিদায় হওয়া ব্যক্তি হাত না ছাড়লে রাসূলুল্লাহ ﷺ তার হাত ছাড়তেন না। বিদায়ের সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ এ দু‘আ পড়তেন।
أَسْتَوْدِعُ اللهَ دِيْنَكَ وَأَمَانَتَكَ وَخَوَاتِيْمَ عَمَلِكَ زَوَّدَكَ اللهُ التَّقْوٰى وَغَفَرَ ذَنْۢبَكَ وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُمَا كُنْتَ
আসতাউদি‘উল্লা-হা দীনাকা ওয়া আমা-নাতাকা ওয়া খাওয়া-তীমা ‘আমালিক, যাউওয়াদাকাল্লা-হুত তাক্বওয়া ওয়া গাফারা যামবাকা ওয়া ইয়াস্সারা লাকাল খাইরা হায়ছুমা কুনতা।
অর্থ : আমি তোমার দ্বীন, তোমার আমানত এবং শেষ আমল আল্লাহর উপর ছেড়ে দিচ্ছি। আল্লাহ তোমাকে তাক্বওয়া দান করম্নন, তোমার পাপ ক্ষমা করম্নন, আল্লাহ তোমার জন্য কল্যাণকে সহজসাধ্য করম্নন, তুমি যেখানেই থাক । [আবু দাঊদ, হা/২৬০২; তিরমিযী, হা/৩৪৪২-৪৪; ইবনে মাজাহ, হা/২৮২৬; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/২৪৭৭; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২৫৩২; মিশকাত, হা/২৪৩৫-৩৭।]
মুসাফিরের করণীয় :
মুসাফির বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় দু‘আ পড়ে বের হবে। সওয়ারীতে আরোহণ করার সময় প্রথমে এক বার বিসমিল্লাহ বলবে। এরপর তিন বার আল্লাহু আকবার বলবে তারপর নিচের দু‘আটি পাঠ করবে-
سُبْحَانَ الَّذِىْ سَخَّرَ لَنَا هٰذَا وَمَا كُنَّا لَه مُقْرِنِيْنَ وَإِنَّا إِلٰى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ ‐ اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِىْ سَفَرِنَا هٰذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوٰى وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضٰى ‐ اَللّٰهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هٰذَا وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَه ‐ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِى السَّفَرِ وَالْخَلِيْفَةُ فِى الْاَهْلِ ‐ اَللّٰهُمَّ إِنِّى أَعُوْذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَكَاٰبَةِ الْمَنْظَرِ وَسُوْءِ الْمُنْقَلَبِ فِى الْمَالِ وَالْاَهْلِ
সুবহা-নাল্লাযী সাখ্খারা লানা হা-যা ওয়ামা কুন্না লাহূ মুক্বরিনীনা ওয়াইন্না ইলা রাবিবনা লামুনক্বালিবূন, আল্লা-হুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফী সাফারিনা হা-যাল বির্রা ওয়াত্তাক্বওয়া, ওয়া মিনাল ‘আমালি মা তারযা, আল্লা-হুম্মা হাওয়িন ‘আলাইনা সাফারানা হা-যা ওয়াত্বভি ‘আন্না বু‘দাহ। আল্লা-হুম্মা আনতাস সা-হিবু ফিস সাফারি ওয়াল খালীফাতু ফিল আহলি, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন ওয়া‘সা-ইস সাফারি ওয়া কাআ-বাতিল মানযারি ওয়া সূইল মুনক্বালাবি ফিল মা-লি ওয়াল আহল।
অর্থ : ঐ আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, যিনি এ বাহনকে আমাদের জন্য অনুগত করে দিয়েছেন; অথচ তাকে আমরা অনুগত করতে সক্ষম নই। অবশ্যই আমরা আমাদের রবের নিকট প্রত্যাবর্তন করব। হে আল্লাহ! আমরা এই সফরে আপনার নিকট নেকী ও তাক্বওয়া চাই। আর আপনার পছন্দমতো আমল চাই। হে আল্লাহ! এ সফরকে আমাদের জন্য সহজ করে দিন এবং তার দূরত্বকে কমিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আপনিই আমাদের এ সফরের সাথি, আর পরিবারের রক্ষক। হে আল্লাহ! আপনার নিকট আশ্রয় চাই সফরের কষ্ট হতে, আর সফরের কষ্টদায়ক দৃশ্য হতে এবং সফর হতে প্রত্যাবর্তনকালে সম্পদ ও পরিবারের ক্ষয়-ক্ষতি ও কষ্টদায়ক দর্শন হতে। [সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৩৯; আবু দাঊদ, হা/২৬০৪; তিরমিযী, হা/৩৪৪৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৫৩; মিশকাত, হা/২৪৩৪।]
রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন সফর হতে ফিরে আসতেন তখন আবারও উপরের দু‘আটি পাঠ করতেন এবং সেই সাথে নিম্নের অংশটুকুও পাঠ করতেন,
اٰيِبُوْنَ تَائِبُوْنَ عَابِدُوْنَ لِرَبِّنَا حَامِدُوْنَ
আ-য়িবূনা তা-ইবূনা ‘আবিদূনা লিরাবিবনা হা-মিদূন।
অর্থ : তাওবা করতে করতে, ইবাদাতরত অবস্থায় এবং আমাদের রবের প্রশংসা করতে করতে আমরা প্রত্যাবর্তন করছি। [সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৩৯; আবু দাঊদ, হা/২৬০১; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৩৪৪; মিশকাত, হা/২৪২০।]