১
সুন্নাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
দ্বীনের পথে দাওয়াত দেয়ার ফযীলত
সুযোগ পেলেই মানুষকে নম্রতা ও বিনয়ের সাথে ভাল কাজের প্রতি উৎসাহ দেবে এবং খারাপ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
﴿وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّنْ دَعَا إِلَى اللهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَقَالَ إِنَّنِيْ مِنَ الْمُسْلِمِيْنَ﴾
ঐ ব্যক্তির কথার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে? যে আল্লাহর দিকে মানুষকে দাওয়াত দেয় এবং নিজেও নেক আমল করে। আর সে বলে, আমি মুসলমানদের মধ্যে একজন।’’ (সূরা হামীম সিজদা- ৩৩)
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘তোমাদের মধ্যে কেউ যখন কোন অন্যায় কাজ হতে দেখে তখন সে যেন স্বহস্তে তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে সক্ষম না হয় তবে সে যেন মুখ দ্বারা যেন তার প্রতিবাদ করে। আর যদি সে এটাও না করতে পারে, তবে সে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে। আর এটাই হল ঈমানের দুর্বলতম স্তর।’’ [মুসলিম, হা/১৮৬, মিশকাত, হা/ ৫১৩৭।]
পরকালে মুক্তির জন্য কেবল নিজের কর্ম সংশোধিত হওয়াই যথেষ্ট নয়। অপরের কল্যাণের চিন্তা করাও জরম্নরি। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনের কুকর্ম থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখা নিজের মুক্তির পথ বন্ধ করার নামান্তর। এ ব্যাপারে সাধারণ মুসলমান এমনকি অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি পর্যন্তও উদাসীন।
﴿وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّنْ دَعَا إِلَى اللهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَقَالَ إِنَّنِيْ مِنَ الْمُسْلِمِيْنَ﴾
ঐ ব্যক্তির কথার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে? যে আল্লাহর দিকে মানুষকে দাওয়াত দেয় এবং নিজেও নেক আমল করে। আর সে বলে, আমি মুসলমানদের মধ্যে একজন।’’ (সূরা হামীম সিজদা- ৩৩)
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘তোমাদের মধ্যে কেউ যখন কোন অন্যায় কাজ হতে দেখে তখন সে যেন স্বহস্তে তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে সক্ষম না হয় তবে সে যেন মুখ দ্বারা যেন তার প্রতিবাদ করে। আর যদি সে এটাও না করতে পারে, তবে সে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে। আর এটাই হল ঈমানের দুর্বলতম স্তর।’’ [মুসলিম, হা/১৮৬, মিশকাত, হা/ ৫১৩৭।]
পরকালে মুক্তির জন্য কেবল নিজের কর্ম সংশোধিত হওয়াই যথেষ্ট নয়। অপরের কল্যাণের চিন্তা করাও জরম্নরি। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনের কুকর্ম থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখা নিজের মুক্তির পথ বন্ধ করার নামান্তর। এ ব্যাপারে সাধারণ মুসলমান এমনকি অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি পর্যন্তও উদাসীন।