১
সুন্নাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬২
সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াতের ফযীলত
এগুলো আরশের নিচ থেকে নাযিল হয়েছে :
হুযায়ফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমাকে অন্যান্য জাতি থেকে তিনটি দিক দিয়ে মর্যাদাপূর্ণ করা হয়েছে। (১) সমস্ত পৃথিবীকে আমাদের জন্য মসজিদ বানিয়ে দেয়া হয়েছে। (২) এর মাটিকে পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম করে দেয়া হয়েছে। (৩) আমাদের কাতারসমূহকে ফেরেশতাদের কাতারের মতো করে দেয়া হয়েছে। আর সূরা বাকারার সর্বশেষ এই আয়াতগুলো আমাকে আরশের ভান্ডার থেকে দেয়া হয়েছে; আমার পূর্বে কোন নবীকে এগুলো দেয়া হয়নি। আর আমার পরেও আর কাউকে এরূপ দেয়া হবে না। [সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৬৯৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৬০৪; শু‘আবুল ঈমান, হা/২৩৯৯।]
আয়াতগুলো পড়লে এতে যে দু‘আ রয়েছে, তা কবুল করা হবে :
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, জিবরাঈল (আঃ) আমার নিকট অবতীর্ণ হয়ে বলেন, তুমি দুইটি নূরের সুসংবাদ গ্রহণ করো। এই দুইটি তোমাকে দেয়া হয়েছে, অন্য কোন নবীকে দেয়া হয়নি। একটি হচ্ছে সূরা ফাতিহা এবং অপরটি হচ্ছে সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত। তুমি এখান থেকে যাই পড়বে, তাই তোমাকে দেয়া হবে। অর্থাৎ এই আয়াতগুলোতে যে দু‘আ রয়েছে, তা কবুল করা হবে। [তিরমিযী, হা/৩২৭৬।]
যে ব্যক্তি এগুলো রাত্রে পড়বে তার জন্য তা যথেষ্ট হবে :
আবু মাসঊদ আনসারী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে কেউ রাতে সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য তা যথেষ্ট হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৪০০৮; সহীহ মুসলিম, হা/১৯১৪; আবু দাঊদ, হা/১৩৯৯; তিরমিযী, হা/২৮৮১; ইবনে মাজাহ, হা/১৩৬৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭১০৯; মিশকাত, হা/২১২৫।]
যথেষ্ট হওয়ার অর্থ হচ্ছে- (১) রাতের ইবাদাতের জন্য যথেষ্ট হওয়া। (২) সকল বিপদাপদ থেকে মুক্তির জন্য যথেষ্ট হওয়া। (৩) শয়তান নিকটবর্তী না হওয়ার জন্য যথেষ্ট হওয়া। (৪) পুরোপুরি সওয়াব অর্জনের জন্য যথেষ্ট হওয়া। হাদীসের বক্তব্য সবগুলো অর্থকেই অন্তর্ভুক্ত করে। সুবহানাল্লাহ!
আয়াতগুলো পড়লে শয়তান নিকটবর্তী হয় না : নুমান ইবনে বশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও জমিন সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে একটি কিতাব লেখেন এবং সেখান থেকে সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত নাযিল করেন। কোন ঘরে যদি তিন রাত্র এ আয়াতগুলো পাঠ করা হয়, তাহলে শয়তান সে ঘরের নিকটবর্তী হতে পারে না। [তিরমিযী, হা/২৮৮২; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৬০৪।]
হুযায়ফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমাকে অন্যান্য জাতি থেকে তিনটি দিক দিয়ে মর্যাদাপূর্ণ করা হয়েছে। (১) সমস্ত পৃথিবীকে আমাদের জন্য মসজিদ বানিয়ে দেয়া হয়েছে। (২) এর মাটিকে পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম করে দেয়া হয়েছে। (৩) আমাদের কাতারসমূহকে ফেরেশতাদের কাতারের মতো করে দেয়া হয়েছে। আর সূরা বাকারার সর্বশেষ এই আয়াতগুলো আমাকে আরশের ভান্ডার থেকে দেয়া হয়েছে; আমার পূর্বে কোন নবীকে এগুলো দেয়া হয়নি। আর আমার পরেও আর কাউকে এরূপ দেয়া হবে না। [সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৬৯৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৬০৪; শু‘আবুল ঈমান, হা/২৩৯৯।]
আয়াতগুলো পড়লে এতে যে দু‘আ রয়েছে, তা কবুল করা হবে :
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, জিবরাঈল (আঃ) আমার নিকট অবতীর্ণ হয়ে বলেন, তুমি দুইটি নূরের সুসংবাদ গ্রহণ করো। এই দুইটি তোমাকে দেয়া হয়েছে, অন্য কোন নবীকে দেয়া হয়নি। একটি হচ্ছে সূরা ফাতিহা এবং অপরটি হচ্ছে সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত। তুমি এখান থেকে যাই পড়বে, তাই তোমাকে দেয়া হবে। অর্থাৎ এই আয়াতগুলোতে যে দু‘আ রয়েছে, তা কবুল করা হবে। [তিরমিযী, হা/৩২৭৬।]
যে ব্যক্তি এগুলো রাত্রে পড়বে তার জন্য তা যথেষ্ট হবে :
আবু মাসঊদ আনসারী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে কেউ রাতে সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য তা যথেষ্ট হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৪০০৮; সহীহ মুসলিম, হা/১৯১৪; আবু দাঊদ, হা/১৩৯৯; তিরমিযী, হা/২৮৮১; ইবনে মাজাহ, হা/১৩৬৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭১০৯; মিশকাত, হা/২১২৫।]
যথেষ্ট হওয়ার অর্থ হচ্ছে- (১) রাতের ইবাদাতের জন্য যথেষ্ট হওয়া। (২) সকল বিপদাপদ থেকে মুক্তির জন্য যথেষ্ট হওয়া। (৩) শয়তান নিকটবর্তী না হওয়ার জন্য যথেষ্ট হওয়া। (৪) পুরোপুরি সওয়াব অর্জনের জন্য যথেষ্ট হওয়া। হাদীসের বক্তব্য সবগুলো অর্থকেই অন্তর্ভুক্ত করে। সুবহানাল্লাহ!
আয়াতগুলো পড়লে শয়তান নিকটবর্তী হয় না : নুমান ইবনে বশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও জমিন সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে একটি কিতাব লেখেন এবং সেখান থেকে সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত নাযিল করেন। কোন ঘরে যদি তিন রাত্র এ আয়াতগুলো পাঠ করা হয়, তাহলে শয়তান সে ঘরের নিকটবর্তী হতে পারে না। [তিরমিযী, হা/২৮৮২; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৬০৪।]