১
সুন্নাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
নফল সালাতের ফযীলত
নফল শব্দের অর্থ হচ্ছে অতিরিক্ত। কিয়ামতের দিন নফল সালাত মুমিন বান্দার বিরাট উপকারে আসতে পারে। বান্দার ফরয সালাতের ভুল-ত্রুটি নফল সালাত দ্বারা পূর্ণ করে দেয়া হবে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন বান্দার সকল আমলের মধ্যে প্রথমে সালাতের হিসাব নেয়া হবে। যদি তার সালাত সঠিক হয়, তবে সে মুক্তি পাবে এবং সফলতা লাভ করবে। আর যদি তার সালাত সঠিক না হয়, তবে সে বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি ফরয সালাতের মধ্যে কিছু ভুল-ত্রুটি হয়ে যায়, তবে আল্লাহ তা‘আলা ফেরেশতাদেরকে বলবেন, দেখো! আমার বান্দার আমলের মধ্যে নফল সালাত আছে কি না, যদি থাকে তবে তা দিয়ে ফরযের ঘাটতি পূর্ণ করে দেয়া হবে। এরপর তার সকল আমলের হিসাব এভাবেই নেয়া হবে। [তিরমিযী হা/৪১৩, নাসাঈ, হা/৪৬৫; ইবনে মাজাহ, হা/১৪২৬; জামেউস সগীর, হা/৩৭৮৩।]
ফরয ব্যতীত আরো যে সকল সালাত নবী ﷺ আদায় করতেন, আমাদেরও সেগুলোর উপর আমল করা জরম্নরি। কেননা এসব সালাতের অনেক ফযীলত রয়েছে। যেমন হাদীসে এসেছে,
عَنْ رَبِيْعَةَ بْنِ كَعْبٍ اَلْاَسْلَمِىِّ قَالَ كُنْتُ اَبِيْتُ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ - - فَاَتَيْتُهٗ بِوَضُوْئِهٖ وَحَاجَتِهٖ فَقَالَ لِىْ : سَلْ . فَقُلْتُ اَسْاَلُكَ مُرَافَقَتَكَ فِى الْجَنَّةِ . قَالَ : اَوَغَيْرَ ذٰلِكَ . قُلْتُ هُوَ ذَاكَ . قَالَ : فَاَعِنِّىْ عَلٰى نَفْسِكَ بِكَثْرَةِ السُّجُودِ
রাবী‘আহ ইবনে কা‘ব আসলামী (রাঃ) বলেন, আমি একদিন নবী ﷺ এর সাথে রাত্রি যাপন করলাম। এক সময় আমি তাঁর জন্য ওযুর পানি নিয়ে আসলাম। তখন নবী ﷺ আমাকে বললেন, তুমি আমার কাছে কিছু চাও! আমি বললাম, আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই। নবী ﷺ বললেন, অন্য কিছু চাও। আমি বললাম, এ ছাড়া অন্য কিছু চাই না। এবার নবী ﷺ বললেন, তাহলে তুমি বেশি বেশি সিজদা করে (অর্থাৎ নফল সালাত আদায় করে) আমাকে সহযোগিতা করো। [সহীহ মুসলিম, হা/১১২২; আবু দাউদ, হা/১৩২২; নাসাঈ, হা/১১৩৮।]
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন বান্দার সকল আমলের মধ্যে প্রথমে সালাতের হিসাব নেয়া হবে। যদি তার সালাত সঠিক হয়, তবে সে মুক্তি পাবে এবং সফলতা লাভ করবে। আর যদি তার সালাত সঠিক না হয়, তবে সে বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি ফরয সালাতের মধ্যে কিছু ভুল-ত্রুটি হয়ে যায়, তবে আল্লাহ তা‘আলা ফেরেশতাদেরকে বলবেন, দেখো! আমার বান্দার আমলের মধ্যে নফল সালাত আছে কি না, যদি থাকে তবে তা দিয়ে ফরযের ঘাটতি পূর্ণ করে দেয়া হবে। এরপর তার সকল আমলের হিসাব এভাবেই নেয়া হবে। [তিরমিযী হা/৪১৩, নাসাঈ, হা/৪৬৫; ইবনে মাজাহ, হা/১৪২৬; জামেউস সগীর, হা/৩৭৮৩।]
ফরয ব্যতীত আরো যে সকল সালাত নবী ﷺ আদায় করতেন, আমাদেরও সেগুলোর উপর আমল করা জরম্নরি। কেননা এসব সালাতের অনেক ফযীলত রয়েছে। যেমন হাদীসে এসেছে,
عَنْ رَبِيْعَةَ بْنِ كَعْبٍ اَلْاَسْلَمِىِّ قَالَ كُنْتُ اَبِيْتُ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ - - فَاَتَيْتُهٗ بِوَضُوْئِهٖ وَحَاجَتِهٖ فَقَالَ لِىْ : سَلْ . فَقُلْتُ اَسْاَلُكَ مُرَافَقَتَكَ فِى الْجَنَّةِ . قَالَ : اَوَغَيْرَ ذٰلِكَ . قُلْتُ هُوَ ذَاكَ . قَالَ : فَاَعِنِّىْ عَلٰى نَفْسِكَ بِكَثْرَةِ السُّجُودِ
রাবী‘আহ ইবনে কা‘ব আসলামী (রাঃ) বলেন, আমি একদিন নবী ﷺ এর সাথে রাত্রি যাপন করলাম। এক সময় আমি তাঁর জন্য ওযুর পানি নিয়ে আসলাম। তখন নবী ﷺ আমাকে বললেন, তুমি আমার কাছে কিছু চাও! আমি বললাম, আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই। নবী ﷺ বললেন, অন্য কিছু চাও। আমি বললাম, এ ছাড়া অন্য কিছু চাই না। এবার নবী ﷺ বললেন, তাহলে তুমি বেশি বেশি সিজদা করে (অর্থাৎ নফল সালাত আদায় করে) আমাকে সহযোগিতা করো। [সহীহ মুসলিম, হা/১১২২; আবু দাউদ, হা/১৩২২; নাসাঈ, হা/১১৩৮।]