১
সুন্নাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৪
সূরা কাহফের ফযীলত
প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করলে দাজ্জালের ফিতনা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় :
আবু দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত স্মরণ রাখবে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা করবেন। [সহীহ মুসলিম, হা/১৯১৯; আবু দাঊদ, হা/৪৩২৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৭৬০।]
এটা তিলাওয়াত করলে নূর লাভ হয় :
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহফ যেভাবে নাযিল হয়েছে সেভাবে তিলাওয়াত করবে, এটা তার জন্য সে যেখান থেকে পাঠ করেছে সেখান থেকে নিয়ে মক্কা পর্যন্ত এবং ঐ দিন থেকে নিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত নূর হবে। [সিলাসিলা সহীহাহ, হা/২৬৫১; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২২৫।]
জুমু‘আর রাতে-দিনে এটা তিলাওয়াত করলে নূর লাভ হয় :
জুমু‘আর রাতে সূরা কাহফ পাঠ করার অনেক ফযীলত রয়েছে। হাদীসে এসেছে, আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি জুমু‘আর রাতে সূরা কাহফ পাঠ করবে আল্লাহ তা‘আলা তার এবং কাবা ঘরের মধ্যে যে পরিমাণ দূরত্ব রয়েছে তত পরিমাণ নূর দান করবেন। [সুনানে দারেমী, হা/৩৪৭০; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৩৩৯২; বায়হাকী, হা/৫৭৯২।]
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে তার জন্য এক জুমু‘আ থেকে অপর জুমুআ পর্যন্ত নূর হবে। [মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৩৩৯২; বায়হাকী, হা/৫৭৯২; জামেউল আহাদীস, হা/২৩৪৩৬।]
বনী ইসরাঈল ও যুমার :
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ঘুমানোর পূর্বে সূরা বনী ইসরাঈল ও সূরা যুমার পাঠ করতেন। [তিরমিযী, হা/৩৪০৫।]
আবু দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত স্মরণ রাখবে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা করবেন। [সহীহ মুসলিম, হা/১৯১৯; আবু দাঊদ, হা/৪৩২৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৭৬০।]
এটা তিলাওয়াত করলে নূর লাভ হয় :
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহফ যেভাবে নাযিল হয়েছে সেভাবে তিলাওয়াত করবে, এটা তার জন্য সে যেখান থেকে পাঠ করেছে সেখান থেকে নিয়ে মক্কা পর্যন্ত এবং ঐ দিন থেকে নিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত নূর হবে। [সিলাসিলা সহীহাহ, হা/২৬৫১; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২২৫।]
জুমু‘আর রাতে-দিনে এটা তিলাওয়াত করলে নূর লাভ হয় :
জুমু‘আর রাতে সূরা কাহফ পাঠ করার অনেক ফযীলত রয়েছে। হাদীসে এসেছে, আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি জুমু‘আর রাতে সূরা কাহফ পাঠ করবে আল্লাহ তা‘আলা তার এবং কাবা ঘরের মধ্যে যে পরিমাণ দূরত্ব রয়েছে তত পরিমাণ নূর দান করবেন। [সুনানে দারেমী, হা/৩৪৭০; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৩৩৯২; বায়হাকী, হা/৫৭৯২।]
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে তার জন্য এক জুমু‘আ থেকে অপর জুমুআ পর্যন্ত নূর হবে। [মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৩৩৯২; বায়হাকী, হা/৫৭৯২; জামেউল আহাদীস, হা/২৩৪৩৬।]
বনী ইসরাঈল ও যুমার :
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ঘুমানোর পূর্বে সূরা বনী ইসরাঈল ও সূরা যুমার পাঠ করতেন। [তিরমিযী, হা/৩৪০৫।]