hadith book logo

সুন্নাত

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৬১

আয়াতুল কুরসীর ফযীলত

কুরআনের সর্বোত্তম আয়াত :

উবাই ইবনে কাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে বললেন, তুমি জান কুরআনের সর্বোত্তম আয়াত কোনটি? আমি বললাম, আয়াতুল কুরসী। এরপর তিনি আমার বুকে মারলেন এবং বললেন, তোমার জ্ঞান কতইনা তৃপ্তিদায়ক!- হে আবুল মুনযির। [সহীহ মুসলিম, হা/৮১০; মিশকাত, হা/২১২২।]

ঘুমানোর সময় এটা পড়লে জ্বিন ও শয়তান থেকে হেফাজত থাকা যায় :

আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ আমাকে বলেছেন, তুমি শয়নকালে ‘আয়াতুল কুরসী’ পাঠ করবে, তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার সাথে একজন হেফাযতকারী (ফেরেশতা) থাকবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার নিকটবর্তী হবে না। [(সহীহ বুখারী, হা/৩২৭৫; মিশকাত, হা/২১২৩)]

সকাল-সন্ধ্যায় পড়লে শয়তান থেকে নিরাপদ থাকা যায় :

উবাই ইবনে কা‘ব (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে। যে ব্যক্তি সকালে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, সে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে। আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় পাঠ করবে, সে সকাল পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে। [মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৫৪২; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/১০৭৩১।]

প্রত্যেক নামাযের পর পড়লে জান্নাতে যাওয়ার পথ সহজ হয় :

আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয সালাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, মৃত্যু ছাড়া তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে বাধা প্রদান করার মতো কোন কিছু থাকবে না। [সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/৯৮৪৮; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৭৪০৮।]