১
নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড
লেখকঃ ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৫
সফরে থাকার সময় রোজা পালন করা এবং রোজা ভঙ্গ করা বৈধ
41 -عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ : كُنَّا نُسَافِرُ مَعَ النَّبيِّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ؛ فَلَمْ يَعِبِ الصَّائِمُ عَلَى الْمُفْطِرِ، وَلاَ الْمُفْطِرُ عَلَى الصَّائِمِ .
( صحيح البخاري، رقم الحديث 1947 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، رقم الحديث 98 - (1118)،).
41 - অর্থ: আনাস বিন মালিক [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রমাজান মাসে আমরা আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সাথে সফর করেছি। সেই সময় রোজা পালনকারী ব্যক্তি রোজা ভঙ্গকারী ব্যক্তির কোনো নিন্দা করেনি। এবং রোজা ভঙ্গকাকারী ব্যক্তিও রোজা পালনকারীর কোনো নিন্দা করেনি।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 1947 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 98 -(1118), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 3 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় যে, রমাজান মাসে সফরে রোজা পালন করা এবং রোজা ভঙ্গ করা বৈধ।
2। এই হাদীসটির দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় যে, প্রকৃত ইসলাম উদারপন্থা ও নমনীয়তার ধর্ম। তাই রমাজান মাসে সফরের অবস্থায় রোজা পালন করার বিষয়ে কাঠিন্য বা কঠোরতা অবলম্বন করা হয় নি। সুতরাং যে ব্যক্তি রমাজান মাসে সফরের অবস্থায় থাকবে, সে ব্যক্তি ইচ্ছা করলে রোজা পালন করবে, ইচ্ছা করলে রোজা ভঙ্গ করে অন্য সময় রোজা পালন করে নিবে।
( صحيح البخاري، رقم الحديث 1947 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، رقم الحديث 98 - (1118)،).
41 - অর্থ: আনাস বিন মালিক [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রমাজান মাসে আমরা আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সাথে সফর করেছি। সেই সময় রোজা পালনকারী ব্যক্তি রোজা ভঙ্গকারী ব্যক্তির কোনো নিন্দা করেনি। এবং রোজা ভঙ্গকাকারী ব্যক্তিও রোজা পালনকারীর কোনো নিন্দা করেনি।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 1947 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 98 -(1118), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 3 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় যে, রমাজান মাসে সফরে রোজা পালন করা এবং রোজা ভঙ্গ করা বৈধ।
2। এই হাদীসটির দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় যে, প্রকৃত ইসলাম উদারপন্থা ও নমনীয়তার ধর্ম। তাই রমাজান মাসে সফরের অবস্থায় রোজা পালন করার বিষয়ে কাঠিন্য বা কঠোরতা অবলম্বন করা হয় নি। সুতরাং যে ব্যক্তি রমাজান মাসে সফরের অবস্থায় থাকবে, সে ব্যক্তি ইচ্ছা করলে রোজা পালন করবে, ইচ্ছা করলে রোজা ভঙ্গ করে অন্য সময় রোজা পালন করে নিবে।