১
নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড
লেখকঃ ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮২
প্রকৃত ইসলাম ধর্মে নারীর মর্যাদা
78 - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَمْعَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : " لا يَجْلِدُ أَحَدُكُمْ امْرَأَتَهُ جَلْدَ الْعَبْدِ ثُمَّ يُجَامِعُهَا فِيْ آخِرِ الْيَوْمِ ".
( صحيح البخاري، رقم الحديث 5204 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، رقم الحديث 49 - (2855)،).
78- অর্থ: আব্দুল্লাহ বিন জাময়া [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] হতে বর্ণনা করেছেন, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে থেকে কোনো ব্যক্তি যেন তার নিজের স্ত্রীকে ক্রীতদাসের মত প্রহার না করে, অতঃপর যেহেতু দিনের শেষে তার সাথে সহবাসে লিপ্ত হবে”।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 5204 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 49 -(2855), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
আব্দুল্লাহ বিন জাময়া আল কুরাশী আল আসাদী [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হলেন এক জন সাহাবী। ওসমান বিন আফ্ফান [রাদিয়াল্লাহু আনহু] এর শাহাদাত বরণ করার সময় যে ফ্যাসাদ ঘটেছিলো, সেই ফ্যাসাদের সময় সন 35 হিজরীতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিলো। আবার এটাও বলা হয়েছে যে, মাদীনা মুনাওয়ারাতে যখন ইওমুল হার্রাতে ফ্যাসাদ ঘটেছিলো, সেই ফ্যাসাদের সময় সন 63 হিজরীতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিলো। এই বিষয়ে মহান আল্লাহই অধিক জানেন। [রাদিয়াল্লাহু আনহু]
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। প্রকৃত ইসলাম ধর্ম নারীদেরকে সম্মান ও মর্যাদা প্রদান করার প্রতি আহ্বান জানায়। এবং তাদের সাথে সুন্দর পন্থায় নম্রতা এবং ভদ্রতা বজায় রেখে ধৈর্যের সহিত জীবনযাপন করার প্রতিও আহ্বান জানায়। যেহেতু তাদের প্রতি ধৈর্যধারণ করা এবং তাদেরকে দৈহিক কষ্ট না দেওয়াই হলো সর্বোত্তম আচরণ।
2। প্রকৃত ইসলাম ধর্ম মানুষকে সুন্দরভাবে ভালোবাসার সহিত এবং উদারতার সহিত সদাচরণ বজায় রেখে জীবনযাপন করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করে। তাই এই হাদীসটির দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় যে, নিজের স্ত্রীকে প্রহার করা এবং তাকে দৈহিক কষ্ট দেওয়া হারাম ও অবৈধ।
3। স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ও যৌনমিলন ও সংসর্গ ওই সময় সুখদায়ক হয়, যখন তাদের মধ্যে গভীর ভালোবাসা বিরাজ করে। কিন্তু নিজের স্ত্রীকে প্রহার করা বা তাকে দৈহিক কষ্ট দেওয়া স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মধুর মিলন এবং যৌন সংসর্গকে নষ্ট করে দেয়। তাই এই হাদীসটির মধ্যে নিজের স্ত্রীকে প্রহার করার বিষয়টিকে কঠোরভাবে ঘৃণা করা হয়েছে।
( صحيح البخاري، رقم الحديث 5204 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، رقم الحديث 49 - (2855)،).
78- অর্থ: আব্দুল্লাহ বিন জাময়া [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] হতে বর্ণনা করেছেন, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে থেকে কোনো ব্যক্তি যেন তার নিজের স্ত্রীকে ক্রীতদাসের মত প্রহার না করে, অতঃপর যেহেতু দিনের শেষে তার সাথে সহবাসে লিপ্ত হবে”।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 5204 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 49 -(2855), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
আব্দুল্লাহ বিন জাময়া আল কুরাশী আল আসাদী [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হলেন এক জন সাহাবী। ওসমান বিন আফ্ফান [রাদিয়াল্লাহু আনহু] এর শাহাদাত বরণ করার সময় যে ফ্যাসাদ ঘটেছিলো, সেই ফ্যাসাদের সময় সন 35 হিজরীতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিলো। আবার এটাও বলা হয়েছে যে, মাদীনা মুনাওয়ারাতে যখন ইওমুল হার্রাতে ফ্যাসাদ ঘটেছিলো, সেই ফ্যাসাদের সময় সন 63 হিজরীতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিলো। এই বিষয়ে মহান আল্লাহই অধিক জানেন। [রাদিয়াল্লাহু আনহু]
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। প্রকৃত ইসলাম ধর্ম নারীদেরকে সম্মান ও মর্যাদা প্রদান করার প্রতি আহ্বান জানায়। এবং তাদের সাথে সুন্দর পন্থায় নম্রতা এবং ভদ্রতা বজায় রেখে ধৈর্যের সহিত জীবনযাপন করার প্রতিও আহ্বান জানায়। যেহেতু তাদের প্রতি ধৈর্যধারণ করা এবং তাদেরকে দৈহিক কষ্ট না দেওয়াই হলো সর্বোত্তম আচরণ।
2। প্রকৃত ইসলাম ধর্ম মানুষকে সুন্দরভাবে ভালোবাসার সহিত এবং উদারতার সহিত সদাচরণ বজায় রেখে জীবনযাপন করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করে। তাই এই হাদীসটির দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় যে, নিজের স্ত্রীকে প্রহার করা এবং তাকে দৈহিক কষ্ট দেওয়া হারাম ও অবৈধ।
3। স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ও যৌনমিলন ও সংসর্গ ওই সময় সুখদায়ক হয়, যখন তাদের মধ্যে গভীর ভালোবাসা বিরাজ করে। কিন্তু নিজের স্ত্রীকে প্রহার করা বা তাকে দৈহিক কষ্ট দেওয়া স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মধুর মিলন এবং যৌন সংসর্গকে নষ্ট করে দেয়। তাই এই হাদীসটির মধ্যে নিজের স্ত্রীকে প্রহার করার বিষয়টিকে কঠোরভাবে ঘৃণা করা হয়েছে।