১
নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড
লেখকঃ ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮১
দাঁতন করার মর্যাদা
77 - عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : " السِّوَاكُ مَطْهَرَةٌ لِلْفَمِ، مَرْضَاةٌ لِلرَّبِّ ".
( سنن النسائي، رقم الحديث 5 ، وصححه الألباني ).
77 - অর্থ: নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর প্রিয়তমা আয়েশা উম্মুলমুমেনীন [রাদিয়াল্লাহু আনহা] থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] থেকে বর্ণনা করেছেন, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “দাঁতন মুখ পবিত্র রাখার ও প্রকৃত প্রভু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের একটি উপকরণ”।
[সুনান নাসায়ী, হাদীস নং 5, আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারিণী সাহাবীয়ার পরিচয় পূর্বে 16 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটি প্রতিটি মানুষকে তাদের মুখে দাঁতন ব্যবহার করার প্রতি আহ্বান জানায়। যেহেতু দাঁতন ব্যবহার করার মাধ্যমে মুখ পবিত্র ও পরিষ্কার হয় এবং মুখ দুর্গন্ধমুক্ত হয়। তাই দাঁতন ব্যবহার করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ হয়। যেহেতু হাদীসের মধ্যে এসেছে:
" إِنَّ اللهَ جَمِيلٌ يُحِبُّ الْجَمَالَ ".
( صحيح مسلم، رقم الحديث 147 - (91)، ).
অর্থ: “নিশ্চয় মহান আল্লাহ স্বয়ং সুন্দর; তাই তিনি সৌন্দর্য ভালবাসেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 147 - (91)]।
2। দাঁতন ও গাছের ডালের সাথে সাথে আধুনিক ব্রাশ ইত্যাদি দাঁতনের মতই দাঁত পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করতে পারা যায়। যেহেতু ব্রাশ ইত্যাদির দ্বারাও দাঁত পরিষ্কার করা যায় এবং মুখ দুর্গন্ধমুক্ত করা যায়। তবে অঙ্গুলির দ্বারা দাঁত পরিষ্কার হয় না। আর অঙ্গুলির দ্বারা দাঁতন করা প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা সম্মত নিয়ম নয়। এবং দাঁতন ব্যবহার করে যেমন মুখ পবিত্র ও পরিষ্কার হয়, তেমনি
অঙ্গুলির দ্বারা দাঁত পরিষ্কার ও পবিত্র হয় না।
3। দাঁতন ব্যবহার করার কতকগুলি আদবকায়দা:
1। মানুষের সভা সমাবেশে বসে সকলের সামনে দাঁতন করা উচিত নয়। যেহেতু এটা মানবিকতার বিপরীত আচরণ।
2। নিজের দাঁতন লোকজনের সামনে রাখা উচিত নয়। যেহেতু এই আচরণটি মানুষের নিকটে একটি ঘৃণিত আচরণ।
3। নিজের দাঁতন পরিষ্কার করে নিয়ে লোকজনের কাছ থেকে দূরে রাখা দরকার।
( سنن النسائي، رقم الحديث 5 ، وصححه الألباني ).
77 - অর্থ: নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর প্রিয়তমা আয়েশা উম্মুলমুমেনীন [রাদিয়াল্লাহু আনহা] থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] থেকে বর্ণনা করেছেন, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “দাঁতন মুখ পবিত্র রাখার ও প্রকৃত প্রভু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের একটি উপকরণ”।
[সুনান নাসায়ী, হাদীস নং 5, আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারিণী সাহাবীয়ার পরিচয় পূর্বে 16 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটি প্রতিটি মানুষকে তাদের মুখে দাঁতন ব্যবহার করার প্রতি আহ্বান জানায়। যেহেতু দাঁতন ব্যবহার করার মাধ্যমে মুখ পবিত্র ও পরিষ্কার হয় এবং মুখ দুর্গন্ধমুক্ত হয়। তাই দাঁতন ব্যবহার করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ হয়। যেহেতু হাদীসের মধ্যে এসেছে:
" إِنَّ اللهَ جَمِيلٌ يُحِبُّ الْجَمَالَ ".
( صحيح مسلم، رقم الحديث 147 - (91)، ).
অর্থ: “নিশ্চয় মহান আল্লাহ স্বয়ং সুন্দর; তাই তিনি সৌন্দর্য ভালবাসেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 147 - (91)]।
2। দাঁতন ও গাছের ডালের সাথে সাথে আধুনিক ব্রাশ ইত্যাদি দাঁতনের মতই দাঁত পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করতে পারা যায়। যেহেতু ব্রাশ ইত্যাদির দ্বারাও দাঁত পরিষ্কার করা যায় এবং মুখ দুর্গন্ধমুক্ত করা যায়। তবে অঙ্গুলির দ্বারা দাঁত পরিষ্কার হয় না। আর অঙ্গুলির দ্বারা দাঁতন করা প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা সম্মত নিয়ম নয়। এবং দাঁতন ব্যবহার করে যেমন মুখ পবিত্র ও পরিষ্কার হয়, তেমনি
অঙ্গুলির দ্বারা দাঁত পরিষ্কার ও পবিত্র হয় না।
3। দাঁতন ব্যবহার করার কতকগুলি আদবকায়দা:
1। মানুষের সভা সমাবেশে বসে সকলের সামনে দাঁতন করা উচিত নয়। যেহেতু এটা মানবিকতার বিপরীত আচরণ।
2। নিজের দাঁতন লোকজনের সামনে রাখা উচিত নয়। যেহেতু এই আচরণটি মানুষের নিকটে একটি ঘৃণিত আচরণ।
3। নিজের দাঁতন পরিষ্কার করে নিয়ে লোকজনের কাছ থেকে দূরে রাখা দরকার।