১
নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড
লেখকঃ ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭১
মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান
67 - عَنِ المُغِيْرَةِ بْنِ شُعْبَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ : كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيْ سَفَرٍ؛ فَأَهْوَيْتُ لِأَنْزِعَ خُفَّيْهِ؛ فَقَالَ : " دَعْهُمَا؛ فَإِنِّيْ أَدْخَلْتُهُمَا طَاهِرَتَيْنِ " ؛ فمَسَحَ عَلَيْهِمَا .
( صحيح البخاري، رقم الحديث 206 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، رقم الحديث 80 - (274)،).
67- অর্থ: আল মুগীরা বিন শুবা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সাথে কোনো এক সময়ে সফরে ছিলাম। তাই ওজু করার সময় আমি তাঁর মোজা দুইটি খুলতে চাইলে তিনি বলেন: “ওই দুইটি থাক, আমি পবিত্র অবস্থায় ওই দুইটি পরিধান করেছি”। এই বলে তিনি মোজা দুইটি উপর মাসাহ করলেন।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 206 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 80 - (274), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 35 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। আরবী ভাষায় চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণকে মোজা বা খুফ বলা হয়।
2। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে মাসাহ করা প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা সম্মত একটি বিধান। তাই এই ধরণের পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে বাসস্থানে বাস করার অবস্থায় এবং মুসাফির অবস্থায় গ্রীষ্মকালে এবং শীতকালে মাসাহ করা বৈধ। চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে মাসাহ করার শর্ত হলো: পরিপূর্ণ পবিত্র অবস্থায় ওজু অথবা গোসল করার পর চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপর মাসাহ করা। সুতরাং এই পদ্ধতিতে পায়ের আবরণ বা মোজা পরিধান করার পর ওজু চলে গেলে উক্ত মোজার বা অবরণের উপরে মুসলিম ব্যক্তির জন্য মাসাহ করা বৈধ। আর এটাই হলো অধিকাংশ ইমাম ও পণ্ডিতদের অভিমত। মহান আল্লাহ তাঁদের প্রতি দয়া করুন।
3। চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে মাসাহ করার সময় শুরু হবে ওজু ভেঙ্গে যাওয়ার পর প্রথম মাসাহ করা থেকে। সুতরাং বাসস্থানে বাস করা অবস্থায় প্রথম মাসাহ থেকে একদিন একরাত এবং মুসাফির অবস্থায় তিনদিন তিনরাত মাসাহ করা বৈধ।
( صحيح البخاري، رقم الحديث 206 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، رقم الحديث 80 - (274)،).
67- অর্থ: আল মুগীরা বিন শুবা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সাথে কোনো এক সময়ে সফরে ছিলাম। তাই ওজু করার সময় আমি তাঁর মোজা দুইটি খুলতে চাইলে তিনি বলেন: “ওই দুইটি থাক, আমি পবিত্র অবস্থায় ওই দুইটি পরিধান করেছি”। এই বলে তিনি মোজা দুইটি উপর মাসাহ করলেন।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 206 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 80 - (274), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 35 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। আরবী ভাষায় চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণকে মোজা বা খুফ বলা হয়।
2। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে মাসাহ করা প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা সম্মত একটি বিধান। তাই এই ধরণের পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে বাসস্থানে বাস করার অবস্থায় এবং মুসাফির অবস্থায় গ্রীষ্মকালে এবং শীতকালে মাসাহ করা বৈধ। চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে মাসাহ করার শর্ত হলো: পরিপূর্ণ পবিত্র অবস্থায় ওজু অথবা গোসল করার পর চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপর মাসাহ করা। সুতরাং এই পদ্ধতিতে পায়ের আবরণ বা মোজা পরিধান করার পর ওজু চলে গেলে উক্ত মোজার বা অবরণের উপরে মুসলিম ব্যক্তির জন্য মাসাহ করা বৈধ। আর এটাই হলো অধিকাংশ ইমাম ও পণ্ডিতদের অভিমত। মহান আল্লাহ তাঁদের প্রতি দয়া করুন।
3। চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে মাসাহ করার সময় শুরু হবে ওজু ভেঙ্গে যাওয়ার পর প্রথম মাসাহ করা থেকে। সুতরাং বাসস্থানে বাস করা অবস্থায় প্রথম মাসাহ থেকে একদিন একরাত এবং মুসাফির অবস্থায় তিনদিন তিনরাত মাসাহ করা বৈধ।