১
নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড
লেখকঃ ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৩
প্রকৃত ইসলাম হলো সদয় আচরণের ধর্ম
59 - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا : أَنَّ رَسُوْلَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : " عُذِّبَتِ امْرَأَةٌ فِيْ هِرَّةٍ رَبَطَتْهَا، حَتَّى مَاتَتْ؛ فَدَخَلَتْ فِيهَا النَّارَ، لاَ هِيَ أطعمَتْها وَسَقَتْها؛ إذْ حَبَسَتْها، وَلاَ هِيَ تَرَكَتْها؛ تَأْكُلُ مِنْ خَشَاشِ الأرْضِ ".
( صحيح البخاري، رقم الحديث 3482 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، جزء من رقم الحديث 151 - (2242)،).
59 - অর্থ: আব্দুল্লাহ বিন ওমার [রাদিয়াল্লাহু আনহুমা] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] নিশ্চয় বলেছেন: “একজন মহিলাকে একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে। কেননা, সেই মহিলাটি একটি বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিলো। তাই সেই বিড়ালটির মৃত্যু ঘটেছিলো। এই কারণে সেই মহিলাটিকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করতে হয়েছে। মহিলাটি যখন সেই বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিলো তখন তাকে কিছু খেতেও দেয়নি এবং পান করতেও দেয়নি। অথচ সেই বিড়ালটিকে সে ছেড়েও দেয়নি যে, সেই বিড়ালটি মাটির কীটপতঙ্গ অথবা জমির পোকামাকড় খেয়ে তার জীবন রক্ষা করবে”।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 3482 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 151 -(2242), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 11 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। কোনো প্রাণীকে অকারণে বেঁধে রাখা এবং তাকে তার খাবার ও পান করার দ্রব্য থেকে বিরত রাখা নিষ্ঠুর ও কঠোর হৃদয়ের মানুষ হওয়ার প্রমাণ বহন করে। এবং এর সাথে সাথে সে খারাপ আচরণ এবং অভদ্রতার মানুষ হওয়ার প্রমাণ বহন করে।
2। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, অকারণে কোনো জীবজন্তু বা প্রাণীকে কোনো রকমভাবে কষ্ট দেওয়া, তার প্রতি অন্যায় করা এবং তাকে প্রহার করা ও হত্যা করা একটি মহা পাপ। তাই এই হাদীসের উল্লিখিত মহিলাটিকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করতে হয়েছে; এই জন্য যে, সে একটি বিড়ালকে বেঁধে রেখে হত্যা করেছে।
3। মানুষ ওই সময় কোনো জীবজন্তুকে বেঁধে রাখতে পারবে, যখন সে তাকে তার খাবার ও পান করার দ্রব্য এবং জরুরি ঔষধ প্রদান করবে, আর প্রদান করবে তাকে তার জীবন রক্ষার সঠিক উপাদান। এই নিয়ম মোতাবেক মানুষ কোনো বিড়াল এবং পাখি ইত্যাদি প্রাণীকে বেঁধে রাখতে পারবে।
4। প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা মোতাবেক যে প্রাণীকে হত্যা করার অনুমতি নেই, সেই প্রাণীকে যে ব্যক্তি কষ্ট দিবে অথবা হত্যা করবে, সেই ব্যক্তিকে পরকালে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে।
( صحيح البخاري، رقم الحديث 3482 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، جزء من رقم الحديث 151 - (2242)،).
59 - অর্থ: আব্দুল্লাহ বিন ওমার [রাদিয়াল্লাহু আনহুমা] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] নিশ্চয় বলেছেন: “একজন মহিলাকে একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে। কেননা, সেই মহিলাটি একটি বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিলো। তাই সেই বিড়ালটির মৃত্যু ঘটেছিলো। এই কারণে সেই মহিলাটিকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করতে হয়েছে। মহিলাটি যখন সেই বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিলো তখন তাকে কিছু খেতেও দেয়নি এবং পান করতেও দেয়নি। অথচ সেই বিড়ালটিকে সে ছেড়েও দেয়নি যে, সেই বিড়ালটি মাটির কীটপতঙ্গ অথবা জমির পোকামাকড় খেয়ে তার জীবন রক্ষা করবে”।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 3482 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 151 -(2242), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 11 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। কোনো প্রাণীকে অকারণে বেঁধে রাখা এবং তাকে তার খাবার ও পান করার দ্রব্য থেকে বিরত রাখা নিষ্ঠুর ও কঠোর হৃদয়ের মানুষ হওয়ার প্রমাণ বহন করে। এবং এর সাথে সাথে সে খারাপ আচরণ এবং অভদ্রতার মানুষ হওয়ার প্রমাণ বহন করে।
2। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, অকারণে কোনো জীবজন্তু বা প্রাণীকে কোনো রকমভাবে কষ্ট দেওয়া, তার প্রতি অন্যায় করা এবং তাকে প্রহার করা ও হত্যা করা একটি মহা পাপ। তাই এই হাদীসের উল্লিখিত মহিলাটিকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করতে হয়েছে; এই জন্য যে, সে একটি বিড়ালকে বেঁধে রেখে হত্যা করেছে।
3। মানুষ ওই সময় কোনো জীবজন্তুকে বেঁধে রাখতে পারবে, যখন সে তাকে তার খাবার ও পান করার দ্রব্য এবং জরুরি ঔষধ প্রদান করবে, আর প্রদান করবে তাকে তার জীবন রক্ষার সঠিক উপাদান। এই নিয়ম মোতাবেক মানুষ কোনো বিড়াল এবং পাখি ইত্যাদি প্রাণীকে বেঁধে রাখতে পারবে।
4। প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা মোতাবেক যে প্রাণীকে হত্যা করার অনুমতি নেই, সেই প্রাণীকে যে ব্যক্তি কষ্ট দিবে অথবা হত্যা করবে, সেই ব্যক্তিকে পরকালে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে।