১
নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড
লেখকঃ ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৫
বেতরের নামাজ পড়ার বিধান
51 - عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مَنْ خَافَ أَنْ لاَ يَقُوْمَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ؛ فَلْيُوْتِرْ أَوَّلَهُ، وَمَنْ طَمِعَ أَنْ يَقُوْمَ آخِرَهُ؛ فَلْيُوْتِرْ آخِرَ اللَّيْلِ؛ فَإِنَّ صَلاَةَ آخِرِ اللَّيْلِ مَشْهُوْدَةٌ، وَذَلِكَ أَفْضَلُ ".
( صحيح مسلم، رقم الحديث 162 -(755)، ).
51 - অর্থ: জাবের [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “যে ব্যক্তি ভয় করবে যে, সে শেষ রাত্রে উঠতে পারবে না, সে যেন প্রথম রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়ে। আর যে ব্যক্তি আশা করতে পারবে যে, সে শেষ রাত্রে উঠতে পারবে, তাহলে সে শেষ রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়বে। কেননা, শেষ রাত্রের নামাজে ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন। আর এটাই উত্তম”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 162 - (755) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 22 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির বাহ্যিক অবস্থার দ্বারা এটা প্রতিমান হয় যে, যে ব্যক্তি শেষ রাত্রে উঠতে পারবে, সে ব্যক্তির জন্য শেষ রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়া বেশি উত্তম। আর যে ব্যক্তি শেষ রাত্রে উঠতে পারবে না, সে ব্যক্তির জন্য প্রথম রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়া বেশি উত্তম।
2। যে ব্যক্তি প্রথম রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়েছে। অতঃপর সে যদি আবার শেষ রাত্রে নামাজ পড়ার ইচ্ছা করে, তাহলে সে নিজের ইচ্ছা মত যত পারবে দুই দুই রাকাআত করে নামাজ পড়বে। আর শেষ রাত্রে বেতরের নামাজ পুনরায় পড়ার দরকার নেই।
3। বেতরের নামাজের সময় হলো, এশার নামাজ পড়ে নেওয়ার পর থেকে নিয়ে ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত। যেহেতু আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “ফজর হওয়ার পূর্বে তোমরা বেতরের নামাজ পড়ে নিবে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 160 - (754) ]।
আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] আরো বলেছেন: “ফজর উদিত হয়ে গেলে রাতের সকল নামাজ এবং বেতর নামাজের সময় শেষ হয়ে যায়। অতএব তোমরা ফজরের পূর্বেই বেতরের নামাজ পড়ে নিবে”।
[জামে তিরমিযী, হাদীস নং 469, আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।
( صحيح مسلم، رقم الحديث 162 -(755)، ).
51 - অর্থ: জাবের [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “যে ব্যক্তি ভয় করবে যে, সে শেষ রাত্রে উঠতে পারবে না, সে যেন প্রথম রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়ে। আর যে ব্যক্তি আশা করতে পারবে যে, সে শেষ রাত্রে উঠতে পারবে, তাহলে সে শেষ রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়বে। কেননা, শেষ রাত্রের নামাজে ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন। আর এটাই উত্তম”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 162 - (755) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 22 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির বাহ্যিক অবস্থার দ্বারা এটা প্রতিমান হয় যে, যে ব্যক্তি শেষ রাত্রে উঠতে পারবে, সে ব্যক্তির জন্য শেষ রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়া বেশি উত্তম। আর যে ব্যক্তি শেষ রাত্রে উঠতে পারবে না, সে ব্যক্তির জন্য প্রথম রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়া বেশি উত্তম।
2। যে ব্যক্তি প্রথম রাত্রেই বেতরের নামাজ পড়েছে। অতঃপর সে যদি আবার শেষ রাত্রে নামাজ পড়ার ইচ্ছা করে, তাহলে সে নিজের ইচ্ছা মত যত পারবে দুই দুই রাকাআত করে নামাজ পড়বে। আর শেষ রাত্রে বেতরের নামাজ পুনরায় পড়ার দরকার নেই।
3। বেতরের নামাজের সময় হলো, এশার নামাজ পড়ে নেওয়ার পর থেকে নিয়ে ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত। যেহেতু আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “ফজর হওয়ার পূর্বে তোমরা বেতরের নামাজ পড়ে নিবে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 160 - (754) ]।
আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] আরো বলেছেন: “ফজর উদিত হয়ে গেলে রাতের সকল নামাজ এবং বেতর নামাজের সময় শেষ হয়ে যায়। অতএব তোমরা ফজরের পূর্বেই বেতরের নামাজ পড়ে নিবে”।
[জামে তিরমিযী, হাদীস নং 469, আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।