১
নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড
লেখকঃ ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
নামাজে ইমামের অনুসরণ করার পদ্ধতি
4 - عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ : كَانَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَالَ : " سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ " لَمْ يَحْنِ أَحَدٌ مِنَّا ظَهْرَهُ، حَتَّى يَقَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَاجِدًا، ثُمَّ نَقَعُ سُجُوْدًا بَعْدَهُ .
( صحيح البخاري، رقم الحديث 690 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، رقم الحديث 198- (474)، ).
4 - অর্থ: আলবারা বিন আযেব [রাদিয়াল্লাহু আনহুমা] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]
" سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ "
( অর্থ: “আল্লাহ সেই ব্যক্তির জিকির">দোয়া কবুল করেন, যে ব্যক্তি তাঁর প্রশংসা করে”। )
বলার পর যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি সিজদায় সঠিক পন্থায় স্থাপন না হতেন, ততক্ষণণ পর্যন্ত আমাদের মধ্যে থেকে কোনো ব্যক্তি সিজদায় স্থাপন হওয়ার জন্য তার পিঠ হেলাতেন না বা ঝোঁকাতেন না। সুতরাং তিনি যখন সিজদায় সঠিক পন্থায় স্থাপিত হয়ে যেতেন, তখন আমরা সিজদায় স্থাপিত হতাম।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 690 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 198 -(474), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
তিনি আবু আমারাহ আল বারা বিন আযেব বিন হারেস আল আনসারী, এক জন মহা সম্মানিত সাহাবী এবং মহা সম্মানিত বিদ্বান ও ফাকীহ ছিলেন। তাঁর পিতাও এক জন সাহাবী ছিলেন। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম গ্রন্থে আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] থেকে তাঁর 305 টি হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
আল্লাহর নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সঙ্গে এবং তাঁর পরেও তিনি অনেক যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। অতঃপর তিনি কুফায় গিয়ে স্থায়ী ভাবে বসবাস করেন আর কুফা শহরেই তিনি 80 বা তার অধিক বয়স প্রাপ্ত হয়ে সন 72 হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন [রাদিয়াল্লাহু আনহু]। তাঁর মৃত্যুবরণ করার তারিখ সম্পর্কে অন্য মতও উল্লেখ আছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। ইমাম যতক্ষণ পর্যন্ত নামাজের কোনো রুকুনে সঠিক পন্থায় স্থাপিত না হয়ে যাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো মুক্তাদী সেই রুকুনে সঠিক পন্থায় স্থাপিত হওয়ার কাজ শুরু করবে না। সুতরাং ইমাম যতক্ষণ পর্যন্ত নামাজের সিজদায় সঠিক পন্থায় স্থাপিত হয়ে তার কপাল মাটির উপরে না রাখবে, ততক্ষণণ পর্যন্ত কোনো মুক্তাদী সিজদায় সঠিক পন্থায় স্থাপিত হওয়ার জন্য তার পিঠ হেলাবে না অথবা ঝোঁকাবে না। ইমামের সাথে সাথে কোনো মুক্তাদী নামাজের কোনো রুকুনের কাজ আরম্ভ করবে না। তাই ইমামের আওয়াজ যতক্ষণ পর্যন্ত বন্ধ না হবে, ততক্ষণণ পর্যন্ত কোনো মুক্তাদী কোনো নামাজের কোনো রুকুনের কোনো কাজ আরম্ভ করবে না। অতএব নামাজের মধ্যে মুক্তাদীর যে কোনো কাজ ইমামের যে কোনো কাজের একটু পরে সম্পাদিত হওয়া অপরিহার্য।
2। যে কোনো নামাজে ইমামের ইহরামের তাকবীরের আওয়াজ সম্পূর্ণ রূপে শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মুক্তাদী ইহরামের তাকবীর পাঠ করবে না।
3- যে কোনো নামাজে ইমামের দুই দিকে: ডান দিকে ও বাম দিকে দুই সালাম ফেরানোর পর মুক্তাদী সালাম ফেরাবে।
( صحيح البخاري، رقم الحديث 690 ، واللفظ له، وصحيح مسلم، رقم الحديث 198- (474)، ).
4 - অর্থ: আলবারা বিন আযেব [রাদিয়াল্লাহু আনহুমা] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]
" سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ "
( অর্থ: “আল্লাহ সেই ব্যক্তির জিকির">দোয়া কবুল করেন, যে ব্যক্তি তাঁর প্রশংসা করে”। )
বলার পর যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি সিজদায় সঠিক পন্থায় স্থাপন না হতেন, ততক্ষণণ পর্যন্ত আমাদের মধ্যে থেকে কোনো ব্যক্তি সিজদায় স্থাপন হওয়ার জন্য তার পিঠ হেলাতেন না বা ঝোঁকাতেন না। সুতরাং তিনি যখন সিজদায় সঠিক পন্থায় স্থাপিত হয়ে যেতেন, তখন আমরা সিজদায় স্থাপিত হতাম।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 690 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 198 -(474), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
তিনি আবু আমারাহ আল বারা বিন আযেব বিন হারেস আল আনসারী, এক জন মহা সম্মানিত সাহাবী এবং মহা সম্মানিত বিদ্বান ও ফাকীহ ছিলেন। তাঁর পিতাও এক জন সাহাবী ছিলেন। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম গ্রন্থে আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] থেকে তাঁর 305 টি হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
আল্লাহর নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সঙ্গে এবং তাঁর পরেও তিনি অনেক যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। অতঃপর তিনি কুফায় গিয়ে স্থায়ী ভাবে বসবাস করেন আর কুফা শহরেই তিনি 80 বা তার অধিক বয়স প্রাপ্ত হয়ে সন 72 হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন [রাদিয়াল্লাহু আনহু]। তাঁর মৃত্যুবরণ করার তারিখ সম্পর্কে অন্য মতও উল্লেখ আছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। ইমাম যতক্ষণ পর্যন্ত নামাজের কোনো রুকুনে সঠিক পন্থায় স্থাপিত না হয়ে যাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো মুক্তাদী সেই রুকুনে সঠিক পন্থায় স্থাপিত হওয়ার কাজ শুরু করবে না। সুতরাং ইমাম যতক্ষণ পর্যন্ত নামাজের সিজদায় সঠিক পন্থায় স্থাপিত হয়ে তার কপাল মাটির উপরে না রাখবে, ততক্ষণণ পর্যন্ত কোনো মুক্তাদী সিজদায় সঠিক পন্থায় স্থাপিত হওয়ার জন্য তার পিঠ হেলাবে না অথবা ঝোঁকাবে না। ইমামের সাথে সাথে কোনো মুক্তাদী নামাজের কোনো রুকুনের কাজ আরম্ভ করবে না। তাই ইমামের আওয়াজ যতক্ষণ পর্যন্ত বন্ধ না হবে, ততক্ষণণ পর্যন্ত কোনো মুক্তাদী কোনো নামাজের কোনো রুকুনের কোনো কাজ আরম্ভ করবে না। অতএব নামাজের মধ্যে মুক্তাদীর যে কোনো কাজ ইমামের যে কোনো কাজের একটু পরে সম্পাদিত হওয়া অপরিহার্য।
2। যে কোনো নামাজে ইমামের ইহরামের তাকবীরের আওয়াজ সম্পূর্ণ রূপে শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মুক্তাদী ইহরামের তাকবীর পাঠ করবে না।
3- যে কোনো নামাজে ইমামের দুই দিকে: ডান দিকে ও বাম দিকে দুই সালাম ফেরানোর পর মুক্তাদী সালাম ফেরাবে।