১
নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড
লেখকঃ ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
মাসজিদের মধ্যে হারানো বস্তুর ঘোষণা দেওয়া জায়েজ নয়
48 - عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُوْلُ : قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مَنْ سَمِعَ رَجُلاً يَنْشُدُ ضَالَّةً فِي الْمَسْجِدِ؛ فَلْيَقُلْ : لاَ رَدََّهَا اللَّهُ عَلَيْكَ؛ فَإِنََّ الْمَسَاجِدَ لَمْ تُبْنَ لِهَذَا "، ( صحيح مسلم، رقم الحديث 79 -(568)، ).
48 - অর্থ: আবু হুরায়রা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো লোককে মাসজিদে হারানো বস্তুর ঘোষণা দিতে শুনবে, সে তার জন্য বলবে, আল্লাহ তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন। কেননা মাসজিদ এই কাজের জন্য তৈরি করা হয় নি”।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 79 -(568) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 1 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। আল্লাহর নিকটে সবচেয়ে বেশি উৎকৃষ্ট ও পছন্দনীয় স্থান হলো মাসজিদ। সুতরাং প্রকৃত ইসলাম ধর্মে মাসজিদের মহামর্যাদা এবং মহাসম্মান রয়েছে। আর এই মহামর্যাদা এবং মহাসম্মান রক্ষা করা অপরিহার্য।
2। মাসজিদের মধ্যে হারানো বস্তু বা সম্পদের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া জায়েজ নয়। অনুরূপভাবে কোনো হারানো বস্তুর ঘোষণা দেওয়াও বৈধ নয়। যেহেতু এই কাজের জন্য মাসজিদ নির্মিত হয়নি। কেননা, পৃথিবীর মধ্যে মাসজিদ নির্মিত হয়েছে আল্লাহর জিকির, ইবাদত উপাসনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এবং প্রকৃত ইসলামের জ্ঞান প্রচার করার জন্য। তবে মাসজিদের বাইরের দেওয়াল বা প্রাচীরের বাইরের দিকে কিংবা দরজার বাইরের দিকে কোনো হারানো বস্তু বা সম্পদের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া জায়েজ আছে। এবং তাতে কোনো জটিলতা নেই।
3। মাসজিদ নির্মিত হয়েছে আল্লাহর ইবাদত বা উপাসনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। তাই কোনো মাসজিদের মধ্যে মহান আল্লাহর ইবাদত উপাসনা ব্যতীত অন্য কোনো বস্তুর ইবাদত উপাসনা করা জায়েজ নয়। অনুরূপভাবে কোনো মাসজিদের মধ্যে মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে প্রার্থনা করার জন্য ডাকা জায়েজ নয়। সুতরাং যে ব্যক্তি মাসজিদে প্রবেশ করবে, সে ব্যক্তি নিষ্ঠাবান হয়ে মহান আল্লাহর উপাসনা করবে। তাই মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের মধ্যে বলেছেন:
( وَأَنَّ الْمَسَاجِدَ لِلَّهِ فَلَا تَدْعُوا مَعَ اللَّهِ أَحَدًا ) ، سورة الجن، الآية 18.
ভাবার্থের অনুবাদ: “মাসজিদসমূহ মহান আল্লাহর একত্ববাদ, উপাসনা এবং স্মরণ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। অতএব, তোমরা মহান আল্লাহর অংশীদার স্থাপন করে তাঁর সাথে কাউকে ডাকবে না”।
(সূরা আল জিন, আয়াত নং 18)।
সুতরাং মাসজিদের মধ্যে হারানো বস্তু বা সম্পদের বিজ্ঞপ্তি অথবা ঘোষণা দেওয়া জায়েজ নয়। তাই যে ব্যক্তি কোনো লোককে মাসজিদে হারানো বস্তুর বিজ্ঞপ্তি অথবা ঘোষণা দিতে শুনবে, সে তার জন্য বদদোয়া করবে এবং বলবে, আল্লাহ তোমাকে তোমার হারানো বস্তু বা সম্পদ ফিরিয়ে না দেন। যাতে সে তার হারানো বস্তু বা সম্পদ না পায়। যেহেতু সে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা মোতাবেক মাসজিদের সম্মান রক্ষা করার আদবকায়দার বিপরীত কাজ সম্পাদন করেছে। তারই শাস্তিস্বরূপ এসেছে এই বদ দোয়াটি।
48 - অর্থ: আবু হুরায়রা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো লোককে মাসজিদে হারানো বস্তুর ঘোষণা দিতে শুনবে, সে তার জন্য বলবে, আল্লাহ তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন। কেননা মাসজিদ এই কাজের জন্য তৈরি করা হয় নি”।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 79 -(568) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 1 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। আল্লাহর নিকটে সবচেয়ে বেশি উৎকৃষ্ট ও পছন্দনীয় স্থান হলো মাসজিদ। সুতরাং প্রকৃত ইসলাম ধর্মে মাসজিদের মহামর্যাদা এবং মহাসম্মান রয়েছে। আর এই মহামর্যাদা এবং মহাসম্মান রক্ষা করা অপরিহার্য।
2। মাসজিদের মধ্যে হারানো বস্তু বা সম্পদের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া জায়েজ নয়। অনুরূপভাবে কোনো হারানো বস্তুর ঘোষণা দেওয়াও বৈধ নয়। যেহেতু এই কাজের জন্য মাসজিদ নির্মিত হয়নি। কেননা, পৃথিবীর মধ্যে মাসজিদ নির্মিত হয়েছে আল্লাহর জিকির, ইবাদত উপাসনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এবং প্রকৃত ইসলামের জ্ঞান প্রচার করার জন্য। তবে মাসজিদের বাইরের দেওয়াল বা প্রাচীরের বাইরের দিকে কিংবা দরজার বাইরের দিকে কোনো হারানো বস্তু বা সম্পদের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া জায়েজ আছে। এবং তাতে কোনো জটিলতা নেই।
3। মাসজিদ নির্মিত হয়েছে আল্লাহর ইবাদত বা উপাসনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। তাই কোনো মাসজিদের মধ্যে মহান আল্লাহর ইবাদত উপাসনা ব্যতীত অন্য কোনো বস্তুর ইবাদত উপাসনা করা জায়েজ নয়। অনুরূপভাবে কোনো মাসজিদের মধ্যে মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে প্রার্থনা করার জন্য ডাকা জায়েজ নয়। সুতরাং যে ব্যক্তি মাসজিদে প্রবেশ করবে, সে ব্যক্তি নিষ্ঠাবান হয়ে মহান আল্লাহর উপাসনা করবে। তাই মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের মধ্যে বলেছেন:
( وَأَنَّ الْمَسَاجِدَ لِلَّهِ فَلَا تَدْعُوا مَعَ اللَّهِ أَحَدًا ) ، سورة الجن، الآية 18.
ভাবার্থের অনুবাদ: “মাসজিদসমূহ মহান আল্লাহর একত্ববাদ, উপাসনা এবং স্মরণ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। অতএব, তোমরা মহান আল্লাহর অংশীদার স্থাপন করে তাঁর সাথে কাউকে ডাকবে না”।
(সূরা আল জিন, আয়াত নং 18)।
সুতরাং মাসজিদের মধ্যে হারানো বস্তু বা সম্পদের বিজ্ঞপ্তি অথবা ঘোষণা দেওয়া জায়েজ নয়। তাই যে ব্যক্তি কোনো লোককে মাসজিদে হারানো বস্তুর বিজ্ঞপ্তি অথবা ঘোষণা দিতে শুনবে, সে তার জন্য বদদোয়া করবে এবং বলবে, আল্লাহ তোমাকে তোমার হারানো বস্তু বা সম্পদ ফিরিয়ে না দেন। যাতে সে তার হারানো বস্তু বা সম্পদ না পায়। যেহেতু সে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা মোতাবেক মাসজিদের সম্মান রক্ষা করার আদবকায়দার বিপরীত কাজ সম্পাদন করেছে। তারই শাস্তিস্বরূপ এসেছে এই বদ দোয়াটি।