১
নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড
লেখকঃ ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৫
জুনুবী এবং অপবিত্র অবস্থায় থাকার বিধান
81 - عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا، قَالَتْ : كَانَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ جُنُبًا؛ فَأَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَنَامَ؛ تَوَضََّأَ وُضُوءَهُ لِلصََّلاَةِ .
( صحيح مسلم، رقم الحديث 22 -(305)، ).
81 - অর্থ: নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর প্রিয়তমা আয়েশা উম্মুলমুমেনীন [রাদিয়াল্লাহু আনহা] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন জুনুবী অবস্থায় থাকতেন এবং কোনো কিছু খাওয়া অথবা ঘুমাবার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি নামাজের জন্য ওজু করার ন্যায় ওজু করতেন।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 22 - (305)]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারিণী সাহাবীয়ার পরিচয় পূর্বে 16 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। জুনুবী ব্যক্তি তাকেই বলা যেতে পারে, যে ব্যক্তি যৌনকর্ম বা যৌন সংসর্গ করবে যদিও তাতে বীর্যপাত না ঘটে। কিংবা যে ব্যক্তি বীর্যপাত করবে যদিও তাতে যৌনমিলন না ঘটে। এই বিষয়ে নারী পুরুষের মধ্যে কোনো তফাত নেই। আর জুনুবী ব্যক্তির জন্য গোসল করার পূর্বে পানাহার করা এবং পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক ও যৌনমিলন করা জায়েজ।
2। জুনুবী অবস্থায় নারীদের জন্য রান্না করা, বাড়ির সেবা করা, সন্তানদেরকে দেখাশুনা ও তত্ত্বাবধান করা এবং তাদের নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করা বৈধ।
3। জুনুবী ব্যক্তি যখন পানাহার করার ইচ্ছা করবে অথবা ঘুমানোর ইচ্ছা করবে কিংবা পুনরায় যৌনমিলন বা সহবাস করার ইচ্ছা করবে, তখন তার জন্য নামাজের ওজুর ন্যায় ওজু করে নেওয়া ভালো আর গোসল করে নেওয়া অধিকতর ভালো। কেননা গোসলের মাধ্যমে শরীরে ফুর্তি, উৎসাহ, আনন্দ এবং শক্তি আসে এবং বীর্যপাত হওয়ার কারণে শরীরের মধ্যে থেকে যে শক্তি ও তৎপরতা কমে যায়, সেই শক্তি ও তৎপরতা গোসলের মাধ্যমে ফিরে আসে এবং অধিকতর তৃপ্তি লাভ হয়।
( صحيح مسلم، رقم الحديث 22 -(305)، ).
81 - অর্থ: নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর প্রিয়তমা আয়েশা উম্মুলমুমেনীন [রাদিয়াল্লাহু আনহা] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন জুনুবী অবস্থায় থাকতেন এবং কোনো কিছু খাওয়া অথবা ঘুমাবার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি নামাজের জন্য ওজু করার ন্যায় ওজু করতেন।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 22 - (305)]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারিণী সাহাবীয়ার পরিচয় পূর্বে 16 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। জুনুবী ব্যক্তি তাকেই বলা যেতে পারে, যে ব্যক্তি যৌনকর্ম বা যৌন সংসর্গ করবে যদিও তাতে বীর্যপাত না ঘটে। কিংবা যে ব্যক্তি বীর্যপাত করবে যদিও তাতে যৌনমিলন না ঘটে। এই বিষয়ে নারী পুরুষের মধ্যে কোনো তফাত নেই। আর জুনুবী ব্যক্তির জন্য গোসল করার পূর্বে পানাহার করা এবং পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক ও যৌনমিলন করা জায়েজ।
2। জুনুবী অবস্থায় নারীদের জন্য রান্না করা, বাড়ির সেবা করা, সন্তানদেরকে দেখাশুনা ও তত্ত্বাবধান করা এবং তাদের নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করা বৈধ।
3। জুনুবী ব্যক্তি যখন পানাহার করার ইচ্ছা করবে অথবা ঘুমানোর ইচ্ছা করবে কিংবা পুনরায় যৌনমিলন বা সহবাস করার ইচ্ছা করবে, তখন তার জন্য নামাজের ওজুর ন্যায় ওজু করে নেওয়া ভালো আর গোসল করে নেওয়া অধিকতর ভালো। কেননা গোসলের মাধ্যমে শরীরে ফুর্তি, উৎসাহ, আনন্দ এবং শক্তি আসে এবং বীর্যপাত হওয়ার কারণে শরীরের মধ্যে থেকে যে শক্তি ও তৎপরতা কমে যায়, সেই শক্তি ও তৎপরতা গোসলের মাধ্যমে ফিরে আসে এবং অধিকতর তৃপ্তি লাভ হয়।