১
কিতাবুল ইলম
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
সাহাবীদের মধ্যে কোন দলাদলি ছিল না
যদিও সাহাবীগণ কোন কোন বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করেছেন, তবে তাঁদের মতপার্থক্য পরবর্তী যুগের মতো ব্যাপক অনৈক্য ও দলাদলির জন্ম দেয়নি। নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর কারণে সর্বাবস্থায় তাঁদের ঐক্যের বন্ধন অটুট ছিল :
১. সাহাবীগণ কোন সিদ্ধামত্ম গ্রহণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে খলীফার সিদ্ধামত্ম গ্রহণ করতেন।
২. প্রথম দিকের খলীফাগণ বিশিষ্ট সাহাবীদেরকে ইসলামী রাষ্ট্রের রাজধানী মদিনা থেকে বেশি দূরে বসবাসের অনুমতি দিতেন না। তাই খুব সহজেই তাঁদেরকে নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা যেত।
৩. সাহাবীগণ বিনয়ের কারণে অধিক ফতওয়া প্রদান করতে অনাগ্রহী ছিলেন। নিজেরা উত্তর না দিয়ে জটিল প্রশ্নগুলোকে তারা নিজেদের থেকে অধিকতর জ্ঞানী সাহাবীদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন।
৪. তারা রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে যেসব শব্দে হাদীস শ্রবণ করতেন ঠিক সেভাবেই বর্ণনা করতেন এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ যে কাজ যেভাবে করেছেন তা ঠিক সেভাবেই করতেন। এ ক্ষেত্রে তারা নিজেদের মতামত ব্যক্ত করা বা কোন অতিরিক্ত শব্দের মাধ্যমে হাদীসের ভাষ্য বুঝিয়ে দেয়া থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকতেন। এর মূল কারণ ছিল- রাসূলুল্লাহ ﷺ এর হাদীসের সঠিক প্রয়োগ কিংবা বর্ণনায় ভুল হওয়ার আশঙ্কা। কারণ, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার নামে কোন মিথ্যা কথা বলে, সে যেন নিজেই জাহান্নামকে নিজের ঠিকানা বানিয়ে নিল। [সহীহ বুখারী, হা/১০৭-১১০; সহীহ মুসলিম, হা/৩-৫; আবু দাউদ, হা/৩৬৫৩; তিরমিযী, হা/২৬৫৯; ইবনে মাজাহ, হা/৩০; মুসনাদে আহমাদ, হা/৫৮৪; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩১; মিশকাত, হা/১৯৮।]
মতবিরোধ করা সত্ত্বেও তারা তাদের ঐক্যের ভাবমূর্তি খুব শক্তভাবে সংরক্ষণ করতেন, যার মধ্যে কখনো ফাটল ধরত না। আর যেসকল কথার কারণে তাদের ঐক্য বিনষ্ট হতো, সে সমসত্ম কথা থেকে সাহাবীগণ সম্পূর্ণ দূরে থাকতেন।
১. সাহাবীগণ কোন সিদ্ধামত্ম গ্রহণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে খলীফার সিদ্ধামত্ম গ্রহণ করতেন।
২. প্রথম দিকের খলীফাগণ বিশিষ্ট সাহাবীদেরকে ইসলামী রাষ্ট্রের রাজধানী মদিনা থেকে বেশি দূরে বসবাসের অনুমতি দিতেন না। তাই খুব সহজেই তাঁদেরকে নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা যেত।
৩. সাহাবীগণ বিনয়ের কারণে অধিক ফতওয়া প্রদান করতে অনাগ্রহী ছিলেন। নিজেরা উত্তর না দিয়ে জটিল প্রশ্নগুলোকে তারা নিজেদের থেকে অধিকতর জ্ঞানী সাহাবীদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন।
৪. তারা রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে যেসব শব্দে হাদীস শ্রবণ করতেন ঠিক সেভাবেই বর্ণনা করতেন এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ যে কাজ যেভাবে করেছেন তা ঠিক সেভাবেই করতেন। এ ক্ষেত্রে তারা নিজেদের মতামত ব্যক্ত করা বা কোন অতিরিক্ত শব্দের মাধ্যমে হাদীসের ভাষ্য বুঝিয়ে দেয়া থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকতেন। এর মূল কারণ ছিল- রাসূলুল্লাহ ﷺ এর হাদীসের সঠিক প্রয়োগ কিংবা বর্ণনায় ভুল হওয়ার আশঙ্কা। কারণ, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার নামে কোন মিথ্যা কথা বলে, সে যেন নিজেই জাহান্নামকে নিজের ঠিকানা বানিয়ে নিল। [সহীহ বুখারী, হা/১০৭-১১০; সহীহ মুসলিম, হা/৩-৫; আবু দাউদ, হা/৩৬৫৩; তিরমিযী, হা/২৬৫৯; ইবনে মাজাহ, হা/৩০; মুসনাদে আহমাদ, হা/৫৮৪; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩১; মিশকাত, হা/১৯৮।]
মতবিরোধ করা সত্ত্বেও তারা তাদের ঐক্যের ভাবমূর্তি খুব শক্তভাবে সংরক্ষণ করতেন, যার মধ্যে কখনো ফাটল ধরত না। আর যেসকল কথার কারণে তাদের ঐক্য বিনষ্ট হতো, সে সমসত্ম কথা থেকে সাহাবীগণ সম্পূর্ণ দূরে থাকতেন।