১
কিতাবুল ইলম
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
৩. ইমাম শাফেয়ী (রহ.) :
তিনি ১৫০ হিজরীতে শামের গাজা শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০৪ হিজরী সনে ইমেত্মকাল করেন। তিনি হাদীস শিক্ষার উদ্দেশ্যে মদিনায় চলে যান এবং সেখানে তিনি ইমাম মালিক (রহ.) এর কাছে ইলম শিক্ষা গ্রহণ করেন। তারপর তিনি ইমাম মালিক (রহ.) এর লিখিত মুয়াত্তা কিতাব ভালোভাবে অধ্যয়ন করেন। ১৭৯ হিজরীতে ইমাম মালিক (রহ.) এর মৃত্যুর পূর্ব পর্যমত্ম তার নিকট অবস্থান করেন। এরপর তিনি ইয়ামানে সফর করেন এবং সেখানে ইলম শিক্ষাদান কার্যক্রম চালিয়ে যান। ১৮৯ হিজরীতে তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আনা হয়- এ মর্মে যে, তিনি শিয়াদের আকীদায় বিশ্বাস করেন। এ অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে ইয়ামান থেকে ইরাকে আনা হয় এবং খলীফা হারুনুর রশীদের নিকট উপস্থাপন করা হয়। এরপর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনি মুক্তি লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি ইরাকেই অবস্থান করেন এবং ইমাম আবু হানীফা (রহ.) এর ছাত্র ইমাম মুহাম্মাদ (রহ.) এর নিকট জ্ঞান চর্চা করেন। এরপর তিনি ইমাম লাইস (রহ.) এর নিকট থেকে জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে মিশরে চলে যান। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তিনি দেখতে পেলেন যে, ইমাম লাইস (রহ.) মারা গেছেন। তবুও তিনি সেখানে অবস্থান করেন এবং ইমাম লাইস (রহ.) এর ছাত্রদের কাছে অধ্যয়ন করেন। তারপর তিনি মৃত্যু পর্যমত্ম মিশরেই অবস্থান করেছিলেন।
ইমাম শাফেয়ী (রহ.) ফকীহদের মধ্যে একটি দলকে দেখতে পেলেন যে, তারা কিয়াসের মাধ্যমে এমন কিছু রায়কে মিশ্রণ করে ফেলেছে, যা মোটেই শরীয়ত সম্মত নয়। এর অধিকাংশই এমনসব বিশুদ্ধ হাদীসের বিরোধী, যেগুলো তাদের নিকট পৌঁছেনি। ফলে তিনি তাদের ক্রটিপূর্ণ মতবাতগুলোকে পরিত্যাগ করেন এবং বলেন, ‘‘তারাও মানুষ আমরাও মানুষ।’’
আর তখনই তিনি ইলমে ফিকহের মূলমন্ত্রের দিকে মনোনিবেশ করলেন এবং নিয়মনীতি ও শাখাপ্রশাখা সম্বলিত কিছু গ্রন্থ প্রণয়ন করেন, যাতে করে মুসলিম জাতি উপকৃত হতে পারে। তিনি জ্ঞান চর্চা করে ‘কিতাবুল উম্ম’ নামক একটি কিতাব রচনা করেন। তৎকালীন সময়ের ফকীহগণ তার এসব নীতিমালার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
ইমাম শাফেয়ী (রহ.) ফকীহদের মধ্যে একটি দলকে দেখতে পেলেন যে, তারা কিয়াসের মাধ্যমে এমন কিছু রায়কে মিশ্রণ করে ফেলেছে, যা মোটেই শরীয়ত সম্মত নয়। এর অধিকাংশই এমনসব বিশুদ্ধ হাদীসের বিরোধী, যেগুলো তাদের নিকট পৌঁছেনি। ফলে তিনি তাদের ক্রটিপূর্ণ মতবাতগুলোকে পরিত্যাগ করেন এবং বলেন, ‘‘তারাও মানুষ আমরাও মানুষ।’’
আর তখনই তিনি ইলমে ফিকহের মূলমন্ত্রের দিকে মনোনিবেশ করলেন এবং নিয়মনীতি ও শাখাপ্রশাখা সম্বলিত কিছু গ্রন্থ প্রণয়ন করেন, যাতে করে মুসলিম জাতি উপকৃত হতে পারে। তিনি জ্ঞান চর্চা করে ‘কিতাবুল উম্ম’ নামক একটি কিতাব রচনা করেন। তৎকালীন সময়ের ফকীহগণ তার এসব নীতিমালার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।