১
কিতাবুল ইলম
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
আদম (আঃ) কে আল্লাহ জ্ঞান শিখিয়েছিলেন
আল্লাহ তা‘আলা সর্বপ্রথম আদম (আঃ) কে জ্ঞান দান করেন :
﴿وَعَلَّمَ اٰدَمَ الْاَسْمَآءَ كُلَّهَا ثُمَّ عَرَضَهُمْ عَلَى الْمَلَآئِكَةِ فَقَالَ اَنْۢبِئُوْنِيْ بِاَسْمَآءِ هٰۤؤُلَآءِ اِنْ كُنْتُمْ صَادِقِيْنَ ‐ قَالُوْا سُبْحَانَكَ لَا عِلْمَ لَنَاۤ اِلَّا مَا عَلَّمْتَنَاؕ اِنَّكَ اَنْتَ الْعَلِيْمُ الْحَكِيْمُ﴾
তিনি আদমকে সব জিনিসের নাম শিখিয়ে দিলেন, অতঃপর তা ফেরেশতাদের সামনে উপস্থিত করলেন এবং বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম সম্পর্কে সংবাদ দাও। তারা বলেছিল, আমরা আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন তাছাড়া আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয় আপনি মহাজ্ঞানী ও প্রজ্ঞাময়। (সূরা বাক্বারা– ৩১, ৩২)
আল্লাহ আদম (আঃ) কে ফেরেশতাদের উপর সম্মান দিয়েছেন :
﴿قَالَ يَاۤ اٰدَمُ اَنْۢبِئْهُمْ بِاَسْمَآئِهِمْۚ فَلَمَّاۤ اَنْۢبَاَهُمْ بِاَسْمَآئِهِمْ قَالَ اَلَمْ اَقُلْ لَّكُمْ اِنِّيْۤ اَعْلَمُ غَيْبَ السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ وَاَعْلَمُ مَا تُبْدُوْنَ وَمَا كُنْتُمْ تَكْتُمُوْنَ﴾
আল্লাহ তা‘আলা বললেন, হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসব বস্তুর নাম জানিয়ে দাও। অতঃপর যখন তিনি তাদেরকে ঐসব বস্তুর নাম জানিয়ে দিলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয় আমি আকাশসমূহ ও জমিনের অদৃশ্য বিষয়াবলি সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত আছি? (তাছাড়া) তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর, তাও আমি জানি। (সূরা বাক্বারা– ৩৩)
এভাবে আল্লাহ তা‘আলা সর্বপ্রথম পরীক্ষায় আদম (আঃ) কে উত্তীর্ণ করলেন এবং ফেরেশতামন্ডলীর উপর তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন। আর এ শ্রেষ্ঠত্বের মূল চাবিকাঠি ছিল ইলম তথা জ্ঞান- যা আল্লাহ তা‘আলা নিজেই আদম (আঃ) কে শিখিয়েছিলেন।
﴿وَعَلَّمَ اٰدَمَ الْاَسْمَآءَ كُلَّهَا ثُمَّ عَرَضَهُمْ عَلَى الْمَلَآئِكَةِ فَقَالَ اَنْۢبِئُوْنِيْ بِاَسْمَآءِ هٰۤؤُلَآءِ اِنْ كُنْتُمْ صَادِقِيْنَ ‐ قَالُوْا سُبْحَانَكَ لَا عِلْمَ لَنَاۤ اِلَّا مَا عَلَّمْتَنَاؕ اِنَّكَ اَنْتَ الْعَلِيْمُ الْحَكِيْمُ﴾
তিনি আদমকে সব জিনিসের নাম শিখিয়ে দিলেন, অতঃপর তা ফেরেশতাদের সামনে উপস্থিত করলেন এবং বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম সম্পর্কে সংবাদ দাও। তারা বলেছিল, আমরা আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন তাছাড়া আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয় আপনি মহাজ্ঞানী ও প্রজ্ঞাময়। (সূরা বাক্বারা– ৩১, ৩২)
আল্লাহ আদম (আঃ) কে ফেরেশতাদের উপর সম্মান দিয়েছেন :
﴿قَالَ يَاۤ اٰدَمُ اَنْۢبِئْهُمْ بِاَسْمَآئِهِمْۚ فَلَمَّاۤ اَنْۢبَاَهُمْ بِاَسْمَآئِهِمْ قَالَ اَلَمْ اَقُلْ لَّكُمْ اِنِّيْۤ اَعْلَمُ غَيْبَ السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ وَاَعْلَمُ مَا تُبْدُوْنَ وَمَا كُنْتُمْ تَكْتُمُوْنَ﴾
আল্লাহ তা‘আলা বললেন, হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসব বস্তুর নাম জানিয়ে দাও। অতঃপর যখন তিনি তাদেরকে ঐসব বস্তুর নাম জানিয়ে দিলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয় আমি আকাশসমূহ ও জমিনের অদৃশ্য বিষয়াবলি সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত আছি? (তাছাড়া) তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর, তাও আমি জানি। (সূরা বাক্বারা– ৩৩)
এভাবে আল্লাহ তা‘আলা সর্বপ্রথম পরীক্ষায় আদম (আঃ) কে উত্তীর্ণ করলেন এবং ফেরেশতামন্ডলীর উপর তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন। আর এ শ্রেষ্ঠত্বের মূল চাবিকাঠি ছিল ইলম তথা জ্ঞান- যা আল্লাহ তা‘আলা নিজেই আদম (আঃ) কে শিখিয়েছিলেন।