১
কিতাবুল ইলম
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০
মুহাদ্দিসগণের আবির্ভাব
পরবর্তী যুগে আলস্নাহ তা‘আলা ইলম বহনকারী একটি দল সৃষ্টি করলেন। রাসূলুলস্নাহ ﷺ এর হাদীস বর্ণনা করাই ছিল তাদের একমাত্র কাজ। ফলে ইসলামী শহরগুলোতে হাদীস ও আছারের গ্রন্থ রচনা করার প্রবণতা অনেক হারে বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন পান্ডুলিপি ও বই লেখার কাজ শুরম্ন হয়। এজন্য তারা তৎকালীন যুগে বড় বড় আলেমদের সাক্ষাৎ লাভের জন্য হিজাজ, সিরিয়া, ইরাক, মিশর, ইয়ামান ও খোরাসানসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সফর করেন। এভাবে তারা বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা হাদীসগুলোকে একত্র করে পান্ডুলিপি ও গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ করার কাজে দ্রম্নতগতিতে এগিয়ে যান। যেখানেই তারা কোন হাদীসের সন্ধান পেতেন সেখানেই তারা সফর করে সে হাদীসটি সংগ্রহ করে নিতেন। ফলে তাদের কাছে এত পরিমাণ হাদীস একত্র করা সম্ভব হয়েছিল যে, ইতিপূর্বে কারো জন্য তা সম্ভব হয়ে উঠেনি।
এ সময় প্রত্যেক অঞ্চলের ফকীহ সাহাবী ও তাবেঈদের যেসব আছার সে অঞ্চলের আলেমদের কাছে গোপন ছিল তাও প্রকাশ পেয়ে যায়। অথচ ইতিপূর্বে কারো পক্ষ নিজ এলাকার সাথিদের হাদীস সংকলন ছাড়া দূরবর্তী কোন এলাকায় গিয়ে হাদীস সংকলন করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। এভাবে ব্যাপকহারে হাদীস ও আছার একত্রিত করার কারণে বিভিন্ন উপায়ে হাদীসের সনদগত অস্পষ্টতা দূর করা সম্ভব হয়। এছাড়াও এ যুগের আলেমগণ হাদীসশাস্ত্রের জন্য আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেন। যেমন-
১. হাদীস যাচাই-বাছাই করার কাজ করেন।
২. প্রতিটি হাদীস থেকে যেসব বিধান পাওয়া যায় তা নির্ধারণ করার প্রতি মনোযোগী হন।
৩. এমন কতগুলো হাদীসের উপযুক্ত ব্যাখ্যা প্রদানের কাজও শুরম্ন করেন, যে হাদীসগুলো তখন পর্যমত্ম কোন ব্যাখ্যা বিশেস্নষণ করা হয়নি।
আর এ ক্ষেত্রে যারা সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন তারা হলেন, ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম, ইমাম আবু দাউদ, ইমাম তিরমিযী, ইমাম নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, ইমাম আবু ইয়াল, ইমাম দারা কুতনী, ইমাম আবদ ইবনে হুসাইন, ইমাম দারেমী, ইমাম ইবনে হিববান, ইমাম ইবনে খুযায়মা, ইমাম হাকেম ও ইমাম বায়হাকী (রহ.) সহ আরো অনেকেই।
এ সময় প্রত্যেক অঞ্চলের ফকীহ সাহাবী ও তাবেঈদের যেসব আছার সে অঞ্চলের আলেমদের কাছে গোপন ছিল তাও প্রকাশ পেয়ে যায়। অথচ ইতিপূর্বে কারো পক্ষ নিজ এলাকার সাথিদের হাদীস সংকলন ছাড়া দূরবর্তী কোন এলাকায় গিয়ে হাদীস সংকলন করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। এভাবে ব্যাপকহারে হাদীস ও আছার একত্রিত করার কারণে বিভিন্ন উপায়ে হাদীসের সনদগত অস্পষ্টতা দূর করা সম্ভব হয়। এছাড়াও এ যুগের আলেমগণ হাদীসশাস্ত্রের জন্য আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেন। যেমন-
১. হাদীস যাচাই-বাছাই করার কাজ করেন।
২. প্রতিটি হাদীস থেকে যেসব বিধান পাওয়া যায় তা নির্ধারণ করার প্রতি মনোযোগী হন।
৩. এমন কতগুলো হাদীসের উপযুক্ত ব্যাখ্যা প্রদানের কাজও শুরম্ন করেন, যে হাদীসগুলো তখন পর্যমত্ম কোন ব্যাখ্যা বিশেস্নষণ করা হয়নি।
আর এ ক্ষেত্রে যারা সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন তারা হলেন, ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম, ইমাম আবু দাউদ, ইমাম তিরমিযী, ইমাম নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, ইমাম আবু ইয়াল, ইমাম দারা কুতনী, ইমাম আবদ ইবনে হুসাইন, ইমাম দারেমী, ইমাম ইবনে হিববান, ইমাম ইবনে খুযায়মা, ইমাম হাকেম ও ইমাম বায়হাকী (রহ.) সহ আরো অনেকেই।