১
কিতাবুল ইলম
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৭
সঠিক লোকের কাছ থেকে দ্বীন শিখতে হবে
وَعَنِ ابْنِ سِيْرِيْنَ قَالَ إِنَّ هٰذَا الْعِلْمَ دِيْنٌ فَانْظُرُوْا عَمَّنْ تَأْخُذُوْنَ دِيْنَكُمْ
তাবেঈ ইবনে সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় এ (সনদের) ইলম হচ্ছে দ্বীন। অতএব তোমরা লক্ষ্য রাখবে যে, তোমাদের দ্বীন কার নিকট হতে গ্রহণ করছ। [সহীহ মুসলিম, হা/২৬; সুনানে দারেমী, হা/৪২৪; মিশকাত, হা/২৭৩।]
উল্লেখিত আছার থেকে বুঝা যায় যে, দলীল-প্রমাণাদি ছাড়া দ্বীনের কোন বিষয় গ্রহণযোগ্য নয়। এক সময় এমন ছিল মানুষ সনদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করত না, অতঃপর যখন ফেতনা সংঘটিত হলো অর্থাৎ- সুফিবাদী ও অন্যান্য ইসলাম বিধ্বংসীরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নামে মিথ্যা হাদীস তৈরি করতে শুরু করল, তখন মুহাদ্দিসগণের কাছে কোন ব্যক্তি হাদীস বর্ণনা করলে তারা সে হাদীসের রাবীদের নাম উল্লেখ করতে বলতেন। অতঃপর রাবীদেরকে সুন্নাতের অনুসারী পেলে তাদের হাদীস গ্রহণ করতেন আর বিদআতী হিসেবে পেলে তাদের হাদীস প্রত্যাখ্যান করতেন। আর তারা মানুষদেরকে হাদীসের সনদের প্রতি খেয়াল করতে উৎসাহিত করতেন ও সতর্ক করতেন।
মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন (রহ.) ছিলেন একজন বিখ্যাত তাবেঈ। স্বপ্নের ব্যাখ্যায় তিনি ছিলেন প্রসিদ্ধ। তার এ উক্তির উদ্দেশ্য হলো, ইলমে হাদীস দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। আর দ্বীন অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা এর উপর মানুষের নীতি-আদর্শ নির্ভর করে। কারো দ্বীন সঠিক না হলে সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতএব, দ্বীন গ্রহণ করার পূর্বে লক্ষ্য করতে হবে, যার নিকট থেকে দ্বীন গ্রহণ করা হচ্ছে, তিনি মুত্তাকী এবং হকপন্থী কি না? যে কারো থেকে দ্বীন গ্রহণ করা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ উস্তাদের আকীদা, আমল ও আখলাকের প্রভাব ছাত্রের উপর পড়াটা স্বাভাবিক।
পথভ্রষ্টদের অনুসরণ করা যাবে না :
وَعَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ يَا مَعْشَرَ الْقُرَّاءِ اسْتَقِيمُوا فَقَدْ سَبَقْتُمْ سَبْقًا بَعِيدًا فَإِنْ أَخَذْتُمْ يَمِينًا وَشِمَالًا لَقَدْ ضَلَلْتُمْ ضَلَالًا بَعِيدًا
হুযায়ফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি (তাবেঈদের উদ্দেশ্যে) বলেন, হে কুরআনধারী (আলেম) গণ! সহজ-সরল পথে চলো। কেননা (প্রথমে দ্বীন গ্রহণ করার কারণে পরবর্তীদের তুলনায়) তোমরা অনেক অগ্রসর হয়েছ। অপরপক্ষে তোমরা যদি (সরল পথ বাদ দিয়ে) ডান ও বামের পথ অবলম্বন কর, তাহলে পথভ্রষ্ট হয়ে বিভ্রান্তিতে পতিত হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৭২৮২; মুসনাদুল বাযযার, হা/২৯৫৬; মুসনাদে ইবেন আবি শায়বা, হা/৩৫৯৪৭; মিশকাত, হা/২৭৪।]
তাবেঈ ইবনে সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় এ (সনদের) ইলম হচ্ছে দ্বীন। অতএব তোমরা লক্ষ্য রাখবে যে, তোমাদের দ্বীন কার নিকট হতে গ্রহণ করছ। [সহীহ মুসলিম, হা/২৬; সুনানে দারেমী, হা/৪২৪; মিশকাত, হা/২৭৩।]
উল্লেখিত আছার থেকে বুঝা যায় যে, দলীল-প্রমাণাদি ছাড়া দ্বীনের কোন বিষয় গ্রহণযোগ্য নয়। এক সময় এমন ছিল মানুষ সনদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করত না, অতঃপর যখন ফেতনা সংঘটিত হলো অর্থাৎ- সুফিবাদী ও অন্যান্য ইসলাম বিধ্বংসীরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নামে মিথ্যা হাদীস তৈরি করতে শুরু করল, তখন মুহাদ্দিসগণের কাছে কোন ব্যক্তি হাদীস বর্ণনা করলে তারা সে হাদীসের রাবীদের নাম উল্লেখ করতে বলতেন। অতঃপর রাবীদেরকে সুন্নাতের অনুসারী পেলে তাদের হাদীস গ্রহণ করতেন আর বিদআতী হিসেবে পেলে তাদের হাদীস প্রত্যাখ্যান করতেন। আর তারা মানুষদেরকে হাদীসের সনদের প্রতি খেয়াল করতে উৎসাহিত করতেন ও সতর্ক করতেন।
মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন (রহ.) ছিলেন একজন বিখ্যাত তাবেঈ। স্বপ্নের ব্যাখ্যায় তিনি ছিলেন প্রসিদ্ধ। তার এ উক্তির উদ্দেশ্য হলো, ইলমে হাদীস দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। আর দ্বীন অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা এর উপর মানুষের নীতি-আদর্শ নির্ভর করে। কারো দ্বীন সঠিক না হলে সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতএব, দ্বীন গ্রহণ করার পূর্বে লক্ষ্য করতে হবে, যার নিকট থেকে দ্বীন গ্রহণ করা হচ্ছে, তিনি মুত্তাকী এবং হকপন্থী কি না? যে কারো থেকে দ্বীন গ্রহণ করা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ উস্তাদের আকীদা, আমল ও আখলাকের প্রভাব ছাত্রের উপর পড়াটা স্বাভাবিক।
পথভ্রষ্টদের অনুসরণ করা যাবে না :
وَعَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ يَا مَعْشَرَ الْقُرَّاءِ اسْتَقِيمُوا فَقَدْ سَبَقْتُمْ سَبْقًا بَعِيدًا فَإِنْ أَخَذْتُمْ يَمِينًا وَشِمَالًا لَقَدْ ضَلَلْتُمْ ضَلَالًا بَعِيدًا
হুযায়ফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি (তাবেঈদের উদ্দেশ্যে) বলেন, হে কুরআনধারী (আলেম) গণ! সহজ-সরল পথে চলো। কেননা (প্রথমে দ্বীন গ্রহণ করার কারণে পরবর্তীদের তুলনায়) তোমরা অনেক অগ্রসর হয়েছ। অপরপক্ষে তোমরা যদি (সরল পথ বাদ দিয়ে) ডান ও বামের পথ অবলম্বন কর, তাহলে পথভ্রষ্ট হয়ে বিভ্রান্তিতে পতিত হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৭২৮২; মুসনাদুল বাযযার, হা/২৯৫৬; মুসনাদে ইবেন আবি শায়বা, হা/৩৫৯৪৭; মিশকাত, হা/২৭৪।]