১
কিতাবুল ইলম
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন নবী-রাসূলগণ
বিশ্বমানবতার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন নবী ও রাসূলগণ। যুগে যুগে মানুষ তাঁদের মাধ্যমেই প্রকৃত ইলম প্রাপ্ত হয়েছে। নবী ও রাসূলগণের মধ্যে সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ হলেন মুহাম্মাদ ﷺ। আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে সারা বিশ্বের সকল মানুষের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে মনোনীত করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿هُوَ الَّذِيْ بَعَثَ فِى الْاُمِّيِّيْنَ رَسُوْلًا مِّنْهُمْ يَتْلُوْا عَلَيْهِمْ اٰيَاتِهٖ وَيُزَكِّيْهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَۗ وَاِنْ كَانُوْا مِنْ قَبْلُ لَفِيْ ضَلَالٍ مُّبِيْنٍ﴾
তিনিই উম্মীদের (নিরক্ষর জাতির) মধ্য হতে একজনকে রাসূল হিসেবে পাঠিয়েছেন, যিনি তাদের নিকট তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং কিতাব ও হিকমতের শিক্ষা দান করেন; যদিও ইতিপূর্বে তারা স্পষ্ট গুমরাহীতে লিপ্ত ছিল। (সূরা জুমু‘আ- ২)
লেখাপড়া, বিদ্যাশিক্ষা ও জ্ঞান অনুশীলনের জন্য কিতাব বা গ্রন্থ অপরিহার্য। তাই আল্লাহ তা‘আলা রাসূলুল্লাহ ﷺ কে এ কথাটি বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়ে ঘোষণা করলেন,
﴿كِتَابٌ اَنْزَلْنَاهُ اِلَيْكَ لِتُخْرِجَ النَّاسَ مِنَ الظُّلُمَاتِ اِلَى النُّوْرِ بِاِذْنِ رَبِّهِمْ اِلٰى صِرَاطِ الْعَزِيْزِ الْحَمِيْدِ﴾
আমি এ কিতাব তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যেন তুমি মানবজাতিকে তাদের প্রতিপালকের নির্দেশক্রমে অন্ধকার হতে আলোর দিকে বের করে আনতে পার; মহাপরাক্রমশালী ও প্রশংসিত আল্লাহর পথে। (সূরা ইবরাহীম- ১)
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿لَقَدْ مَنَّ اللهُ عَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ اِذْ بَعَثَ فِيْهِمْ رَسُوْلًا مِّنْ اَنْفُسِهِمْ يَتْلُوْا عَلَيْهِمْ اٰيَاتِه وَيُزَكِّيْهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَۚ وَاِنْ كَانُوْا مِنْ قَبْلُ لَفِيْ ضَلَالٍ مُّبِيْنٍ﴾
নিশ্চয় আল্লাহ বিশ্বাসীদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তাদের নিজেদেরই মধ্য হতে একজন রাসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের নিকট তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও বিজ্ঞান শিক্ষা দান করেন। অথচ তারা (সবাই) ইতিপূর্বে প্রকাশ্য ভ্রান্তিতে নিমজ্জিত ছিল। (সূরা আলে ইমরান- ১৬৪)
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আগমনের প্রকৃত কারণই ছিল অন্ধকারে নিমজ্জিত একটি জাতিকে ইসলামী শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে আলোর রাজ্যে প্রবেশ করানো। ইসলাম নারী-পুরুষের মধ্যে কোন পার্থক্য না করে উভয়কে সমভাবে জ্ঞানার্জনের আদেশ দিয়েছে। কুরআনের নির্দেশও তাই। কুরআন সকল পাঠককেই আদেশ করেছে পড়তে, চিমত্মা করতে এবং অনুধাবন করতে। এ ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে কোন পার্থক্য করেনি। ফলে ইসলামে পুরুষের মতো নারীদেরকেও জ্ঞানার্জনের পূর্ণ অধিকার দেয়া হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা এর উপর ভিত্তি করেই সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।
﴿هُوَ الَّذِيْ بَعَثَ فِى الْاُمِّيِّيْنَ رَسُوْلًا مِّنْهُمْ يَتْلُوْا عَلَيْهِمْ اٰيَاتِهٖ وَيُزَكِّيْهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَۗ وَاِنْ كَانُوْا مِنْ قَبْلُ لَفِيْ ضَلَالٍ مُّبِيْنٍ﴾
তিনিই উম্মীদের (নিরক্ষর জাতির) মধ্য হতে একজনকে রাসূল হিসেবে পাঠিয়েছেন, যিনি তাদের নিকট তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং কিতাব ও হিকমতের শিক্ষা দান করেন; যদিও ইতিপূর্বে তারা স্পষ্ট গুমরাহীতে লিপ্ত ছিল। (সূরা জুমু‘আ- ২)
লেখাপড়া, বিদ্যাশিক্ষা ও জ্ঞান অনুশীলনের জন্য কিতাব বা গ্রন্থ অপরিহার্য। তাই আল্লাহ তা‘আলা রাসূলুল্লাহ ﷺ কে এ কথাটি বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়ে ঘোষণা করলেন,
﴿كِتَابٌ اَنْزَلْنَاهُ اِلَيْكَ لِتُخْرِجَ النَّاسَ مِنَ الظُّلُمَاتِ اِلَى النُّوْرِ بِاِذْنِ رَبِّهِمْ اِلٰى صِرَاطِ الْعَزِيْزِ الْحَمِيْدِ﴾
আমি এ কিতাব তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যেন তুমি মানবজাতিকে তাদের প্রতিপালকের নির্দেশক্রমে অন্ধকার হতে আলোর দিকে বের করে আনতে পার; মহাপরাক্রমশালী ও প্রশংসিত আল্লাহর পথে। (সূরা ইবরাহীম- ১)
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿لَقَدْ مَنَّ اللهُ عَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ اِذْ بَعَثَ فِيْهِمْ رَسُوْلًا مِّنْ اَنْفُسِهِمْ يَتْلُوْا عَلَيْهِمْ اٰيَاتِه وَيُزَكِّيْهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَۚ وَاِنْ كَانُوْا مِنْ قَبْلُ لَفِيْ ضَلَالٍ مُّبِيْنٍ﴾
নিশ্চয় আল্লাহ বিশ্বাসীদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তাদের নিজেদেরই মধ্য হতে একজন রাসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের নিকট তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও বিজ্ঞান শিক্ষা দান করেন। অথচ তারা (সবাই) ইতিপূর্বে প্রকাশ্য ভ্রান্তিতে নিমজ্জিত ছিল। (সূরা আলে ইমরান- ১৬৪)
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আগমনের প্রকৃত কারণই ছিল অন্ধকারে নিমজ্জিত একটি জাতিকে ইসলামী শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে আলোর রাজ্যে প্রবেশ করানো। ইসলাম নারী-পুরুষের মধ্যে কোন পার্থক্য না করে উভয়কে সমভাবে জ্ঞানার্জনের আদেশ দিয়েছে। কুরআনের নির্দেশও তাই। কুরআন সকল পাঠককেই আদেশ করেছে পড়তে, চিমত্মা করতে এবং অনুধাবন করতে। এ ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে কোন পার্থক্য করেনি। ফলে ইসলামে পুরুষের মতো নারীদেরকেও জ্ঞানার্জনের পূর্ণ অধিকার দেয়া হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা এর উপর ভিত্তি করেই সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।