১
কিতাবুল ইলম
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
বিভিন্ন মাযহাব
প্রসিদ্ধ চার মাযহাব ছাড়াও আরো অনেক ইমামের নামে মাযহাব তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পর্যায়ক্রমে মাযহাবের সংখ্যা হ্রাস পেয়ে চারটিতে নেমে আসে। আওয়াই, সুফইয়ান সাওরি, ইবনে আবি লাইলা, আবু সাওর এবং আল লাইস ইবনে সাদ এর মতো বিখ্যাত ইমামদের মাযহাবগুলো হারিয়ে গিয়ে কেবল ইমাম আবু হানীফা, মালিক, শাফেয়ী ও আহমাদ ইবনে হাম্বলের মাযহাব টিকে থাকে। সময়ের পরিক্রমায় এই মাযহাবগুলো এতটাই প্রভাব বিসত্মার লাভ করে যে, সাধারণ মানুষ জানেই না- অন্য কোন মাযহাব আদৌ ছিল কি না।
হানাফী মাযহাব :
ইমাম আবু হানীফা (রহ.) এর নামে এ মাযহাবের নামকরণ করা হয়। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিসত্মান, আফগানিসত্মান, ইরাক, সিরিয়া ও তুরস্কে হানাফী মাযহাবের অনুসারী বেশি।
মালিকী মাযহাব :
ইমাম মালিক (রহ.) এর নামানুসারে এ মাযহাবের নামকরণ করা হয়। মিশর, সুদান, উত্তর আফ্রিকা ও পশ্চিম আফ্রিকায় মালিকী মাযহাবের অনুসারীদের সংখ্যা বেশি।
শাফেয়ী মাযহাব :
ইমাম শাফেয়ী (রহ.) এর নামানুসারে এ মাযহাব পরিচিতি লাভ করে। মিশর, দক্ষিণ আরব, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে শাফেয়ী মাযহাবের অনুসারীদের সংখ্যা বেশি।
হাম্বলী মাযহাব :
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) এর নামানুসারে এ মাযহাবের নামকরণ করা হয়। ফিলিসিত্মন ও সৌদি আরবে হাম্বলী মাযহাবের অনুসারীদের সংখ্যা বেশি।
এসব মাযহাবের অনুসারীরা নিজ নিজ মাযহাবের নামে নিজেদের পরিচয় দেয়ার প্রথা চালু করে।
প্রত্যেকটি মাযহাবের বিশেষজ্ঞগণ নিজ নিজ মাযহাবের ইমামদের সব সিদ্ধামত্ম পর্যালোচনা করে সেগুলোর মূলনীতিগুলো বের করে লিপিবদ্ধ করেন। পরিশেষে মাযহাবের ইমামদের মূলনীতিভিত্তিক ইজতিহাদকে বজায় রাখার স্বার্থে স্বাধীন ইজতিহাদ সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য হয়। এ সময় মাযহাবী ইজতিহাদ নামে নতুন একটি ধারা চালু হয়। এর মূল কাজ ছিল বিশেষ মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতাদের প্রণীত মূলনীতি অনুযায়ী সমকালীন সমস্যা সমাধানের জন্য আইন উদ্ভাবন করা।
মাযহাবের ইমামগণ ও তাঁদের ছাত্রবৃন্দ অনেক ক্ষেত্রে তাদের পূর্বের মত পরিবর্তন করতেন। ফলে অনেক বিষয়ে একই মাযহাবের মধ্যেও মতের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। পূর্ববর্তী ও পরবর্তী দুটি মতই সংরক্ষিত আকারে মাযহাবের ভিন্নমুখী সিদ্ধামত্ম হিসেবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছেছে।
মাযহাবের প্রথম দিকের বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যের বিভিন্ন ব্যাখ্যা থেকেও মতের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। এসব ক্ষেত্রে মাযহাবের বিশেষজ্ঞগণ তারজীহ তথা অগ্রাধিকার নীতি ব্যবহার করেছেন। এ নীতির মাধ্যমে তারা কোন একটি বিষয়ে মাযহাবের কোন বিশেষজ্ঞের মতকে একই মাযহাবের অন্যান্য বিশেষজ্ঞের মতের উপর প্রাধান্য দিয়েছেন।
হানাফী মাযহাব :
ইমাম আবু হানীফা (রহ.) এর নামে এ মাযহাবের নামকরণ করা হয়। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিসত্মান, আফগানিসত্মান, ইরাক, সিরিয়া ও তুরস্কে হানাফী মাযহাবের অনুসারী বেশি।
মালিকী মাযহাব :
ইমাম মালিক (রহ.) এর নামানুসারে এ মাযহাবের নামকরণ করা হয়। মিশর, সুদান, উত্তর আফ্রিকা ও পশ্চিম আফ্রিকায় মালিকী মাযহাবের অনুসারীদের সংখ্যা বেশি।
শাফেয়ী মাযহাব :
ইমাম শাফেয়ী (রহ.) এর নামানুসারে এ মাযহাব পরিচিতি লাভ করে। মিশর, দক্ষিণ আরব, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে শাফেয়ী মাযহাবের অনুসারীদের সংখ্যা বেশি।
হাম্বলী মাযহাব :
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) এর নামানুসারে এ মাযহাবের নামকরণ করা হয়। ফিলিসিত্মন ও সৌদি আরবে হাম্বলী মাযহাবের অনুসারীদের সংখ্যা বেশি।
এসব মাযহাবের অনুসারীরা নিজ নিজ মাযহাবের নামে নিজেদের পরিচয় দেয়ার প্রথা চালু করে।
প্রত্যেকটি মাযহাবের বিশেষজ্ঞগণ নিজ নিজ মাযহাবের ইমামদের সব সিদ্ধামত্ম পর্যালোচনা করে সেগুলোর মূলনীতিগুলো বের করে লিপিবদ্ধ করেন। পরিশেষে মাযহাবের ইমামদের মূলনীতিভিত্তিক ইজতিহাদকে বজায় রাখার স্বার্থে স্বাধীন ইজতিহাদ সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য হয়। এ সময় মাযহাবী ইজতিহাদ নামে নতুন একটি ধারা চালু হয়। এর মূল কাজ ছিল বিশেষ মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতাদের প্রণীত মূলনীতি অনুযায়ী সমকালীন সমস্যা সমাধানের জন্য আইন উদ্ভাবন করা।
মাযহাবের ইমামগণ ও তাঁদের ছাত্রবৃন্দ অনেক ক্ষেত্রে তাদের পূর্বের মত পরিবর্তন করতেন। ফলে অনেক বিষয়ে একই মাযহাবের মধ্যেও মতের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। পূর্ববর্তী ও পরবর্তী দুটি মতই সংরক্ষিত আকারে মাযহাবের ভিন্নমুখী সিদ্ধামত্ম হিসেবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছেছে।
মাযহাবের প্রথম দিকের বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যের বিভিন্ন ব্যাখ্যা থেকেও মতের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। এসব ক্ষেত্রে মাযহাবের বিশেষজ্ঞগণ তারজীহ তথা অগ্রাধিকার নীতি ব্যবহার করেছেন। এ নীতির মাধ্যমে তারা কোন একটি বিষয়ে মাযহাবের কোন বিশেষজ্ঞের মতকে একই মাযহাবের অন্যান্য বিশেষজ্ঞের মতের উপর প্রাধান্য দিয়েছেন।