১
কিতাবুল ইলম
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
মাযহাব নিয়ে দলাদলি
৬৫৮ হিজরীতে সুলতান আবু মালিকুশ বেবরস মিশরের সিংহাসনে আরোহণ করার পর মিশর ও কায়রোতে হানাফী, মালিকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী এই চার মাযহাবের জন্য পৃথক পৃথক কাজী নিযুক্ত করেন। অতঃপর ৬৬৫ হিজরী হতে এই রীতি সব দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে ইসলামী বিশ্বের সব জায়গায় মাদরাসা ও খানকাগুলোতে ঐ সকল রীতি ও প্রচলিত মতবাদগুলো চালু করা হয়।
যারা সুলতান ও কাজীদের জারিকৃত মাযহাব বাদ দিয়ে অন্য কোন মাযহাব মেনে চলার ইচ্ছা করত, তাদের বিরোধিতা করা হতো এবং তারা ভুল পথে চলছে বলে প্রচার করা হতো।
এদিকে ফকীহগণ ফতওয়া জারি করলেন যে, প্রচলিত চার মাযহাবের মধ্যে শুধু একটির অনুসরণ করা ওয়াজিব এবং চার মাযহাবের বহির্ভূত অন্য কোন উক্তি ও সিদ্ধান্ত স্পষ্ট কুরআন ও বিশ্বসত্ম হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হলেও তা অনুসরণ করা হারাম।
এসব মতবাদের চরম পরিণতিস্বরূপ ৮০১ হিজরীতে সুলতান ফরহ বিন বর্কুক সরকেশী (৭৯১-৮১৫ হিঃ) পবিত্র কাবা গৃহের চারপাশে চার মাযহাবের জন্য চারটি ভিন্ন ভিন্ন মুসল্লা নির্দিষ্ট করে দিলেন। ফলে তখন হতে মুসলিম জাতির কেন্দ্র চারটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়।
অতঃপর সাড়ে ৫ বৎসর পর সউদী আরবের সম্রাট সুলতান আবদুল আযীয আস-সাউদের রাজত্বকালে ১৩৪৩ হিজরীতে কাবা হতে এ বিদআত মূলোৎপাটিত হয়। সুলতান আবদুল আযীয এসব মাযহাবী মুসল্লা ভেঙ্গে দিয়ে সকলকে এক মুসল্লার আওতায় সালাত আদায়ের রীতি পুনরায় চালু করেন।
যারা সুলতান ও কাজীদের জারিকৃত মাযহাব বাদ দিয়ে অন্য কোন মাযহাব মেনে চলার ইচ্ছা করত, তাদের বিরোধিতা করা হতো এবং তারা ভুল পথে চলছে বলে প্রচার করা হতো।
এদিকে ফকীহগণ ফতওয়া জারি করলেন যে, প্রচলিত চার মাযহাবের মধ্যে শুধু একটির অনুসরণ করা ওয়াজিব এবং চার মাযহাবের বহির্ভূত অন্য কোন উক্তি ও সিদ্ধান্ত স্পষ্ট কুরআন ও বিশ্বসত্ম হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হলেও তা অনুসরণ করা হারাম।
এসব মতবাদের চরম পরিণতিস্বরূপ ৮০১ হিজরীতে সুলতান ফরহ বিন বর্কুক সরকেশী (৭৯১-৮১৫ হিঃ) পবিত্র কাবা গৃহের চারপাশে চার মাযহাবের জন্য চারটি ভিন্ন ভিন্ন মুসল্লা নির্দিষ্ট করে দিলেন। ফলে তখন হতে মুসলিম জাতির কেন্দ্র চারটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়।
অতঃপর সাড়ে ৫ বৎসর পর সউদী আরবের সম্রাট সুলতান আবদুল আযীয আস-সাউদের রাজত্বকালে ১৩৪৩ হিজরীতে কাবা হতে এ বিদআত মূলোৎপাটিত হয়। সুলতান আবদুল আযীয এসব মাযহাবী মুসল্লা ভেঙ্গে দিয়ে সকলকে এক মুসল্লার আওতায় সালাত আদায়ের রীতি পুনরায় চালু করেন।