১
আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)
লেখকঃ তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
প্রথম প্রক্রিয়া : খেজুর আহরণ
এই বরকতময় বৃক্ষ সম্পর্কে আমাদের সচেতনতার ফলে আমরা দেখতে পাব, এর উৎপাদিত ফল খুবই বৈশিষ্ট্যমন্ডিত, বিশাল সম্ভাবনাময় ও অঢেল। মাঝারি মানের একটি খেজুর গাছ যদি দশ থোকা খেুজর ফলন দেয়, প্রতিটি থোকায় থাকে দশ কিলোগ্রাম খেজুর- সাধারণত যার দ্বিগুণ ফলন হয় আমাদের দেশের খেজুর গাছগুলোতে- তাহলে কয়েকশ টন খেজুর কেবল আমাদের পথের পাশের খেজুর বৃক্ষগুলো থেকে উৎপাদন সম্ভব। যদি বৃক্ষের সংখ্যা অধিক হয় এবং ফল হয় আরো অধিক, তবে কী পরিমাণ খেজুর পাওয়া যাবে- একবার ভেবে দেখ !
যখন এই খেজুরগুলো নির্দিষ্ট হারে টিনজাত করা হবে, যার কিছু থাকবে বিক্রির জন্য, কিছু থাকবে দরিদ্রদের মাঝে সাদাকা করার জন্য কিংবা রোজাদারদেরকে ইফতার করানোর জন্য, তখন এর অপার সম্ভাবনা দেখে আমরা রীতিমত শিহরিত হব, সন্দেহ নেই। লাখ লাখ দরিদ্রের খাদ্য সংস্থান হবে এ থেকে, অসংখ্য রোজাদারকে এর মাধ্যমে ইফতার করানো যাবে। এবং অন্যান্য সহায়তামূলক কর্মকান্ডের ফান্ড সংগ্রহ করা যাবে এ থেকে, আমরা এর ব্যবসায়িক ব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে অর্থ আয় করতে সক্ষম হব। খেজুর বৃক্ষ কেন বরকতময়, এ থেকেই স্পষ্ট হয়।
খেজুর বৃক্ষ অনেক অনেক সাদাকায়ে জারিয়ার জন্মদাতা...।
এ প্রক্রিয়াটি সচল হল অনেক কৃষীজীবি খুঁজে পাব, যারা আখিরাতের সওদার জন্য আমাদের সাথে শরিক হবে, হয়তো তাদের কেউ কেবল প্রয়োজন পরিমাণ রেখে নিজের উৎপাদিত সকল খেজুর আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিবে।
অত্যন্ত দু:খজনক হল, আমরা প্রতি বছরই এই অঢেল সম্ভাবনাময় বস্ত্তকে হেলায় নষ্ট করে দিচ্ছি, নিআমতের না-শুকরি করছি। পৃথিবীর নানাস্থানে মানুষ যে খাদ্য সংকটের কারণে মারা যাচ্ছে, যাপন করছে মানবেতর জীবন, এর জন্য প্রকারান্তরে আমরাও দায়ী হচ্ছি। আমরা কি একে নিত্যপ্রয়োজনীয় হিসেবে পৃথিবীর নানা প্রান্তরে, যেখানে মুসলিমরা না-খেয়ে, অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে, তাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারি না?
যখন এই খেজুরগুলো নির্দিষ্ট হারে টিনজাত করা হবে, যার কিছু থাকবে বিক্রির জন্য, কিছু থাকবে দরিদ্রদের মাঝে সাদাকা করার জন্য কিংবা রোজাদারদেরকে ইফতার করানোর জন্য, তখন এর অপার সম্ভাবনা দেখে আমরা রীতিমত শিহরিত হব, সন্দেহ নেই। লাখ লাখ দরিদ্রের খাদ্য সংস্থান হবে এ থেকে, অসংখ্য রোজাদারকে এর মাধ্যমে ইফতার করানো যাবে। এবং অন্যান্য সহায়তামূলক কর্মকান্ডের ফান্ড সংগ্রহ করা যাবে এ থেকে, আমরা এর ব্যবসায়িক ব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে অর্থ আয় করতে সক্ষম হব। খেজুর বৃক্ষ কেন বরকতময়, এ থেকেই স্পষ্ট হয়।
খেজুর বৃক্ষ অনেক অনেক সাদাকায়ে জারিয়ার জন্মদাতা...।
এ প্রক্রিয়াটি সচল হল অনেক কৃষীজীবি খুঁজে পাব, যারা আখিরাতের সওদার জন্য আমাদের সাথে শরিক হবে, হয়তো তাদের কেউ কেবল প্রয়োজন পরিমাণ রেখে নিজের উৎপাদিত সকল খেজুর আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিবে।
অত্যন্ত দু:খজনক হল, আমরা প্রতি বছরই এই অঢেল সম্ভাবনাময় বস্ত্তকে হেলায় নষ্ট করে দিচ্ছি, নিআমতের না-শুকরি করছি। পৃথিবীর নানাস্থানে মানুষ যে খাদ্য সংকটের কারণে মারা যাচ্ছে, যাপন করছে মানবেতর জীবন, এর জন্য প্রকারান্তরে আমরাও দায়ী হচ্ছি। আমরা কি একে নিত্যপ্রয়োজনীয় হিসেবে পৃথিবীর নানা প্রান্তরে, যেখানে মুসলিমরা না-খেয়ে, অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে, তাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারি না?