১
আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)
লেখকঃ তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
চতুর্থ প্রক্রিয়া : গৃহ নির্মাণ
ইট-কাঠ-লোহার গৃহের পূর্বে আমরা যে ধরনের গৃহে বসবাস করতাম, এই বরকতময় বৃক্ষ ব্যবহার করে আমরা অনুরূপ গৃহ নির্মাণ করতে পারি। খেজুর গাছের পাতা, আঁশ ও ডাল থেকে এমন লোকদের জন্য আমরা গৃহ নির্মাণ করতে পারি, মাথা গোজার মত যাদের কোন ঠাঁই নেই। সাধারণ লোকের ব্যবহৃত তাঁবুর তুলনায় এটি কোন অংশেই খারাপ হবে না। এটি হবে পরদার অধিক নিকটতর, শীতে উষ্ণ, গ্রীস্মে শীতল, বৃষ্টিতে পানি ঝরবে না এবং মজবুত হওয়ার ফলে বাতাসে হেলবে না এবং এটি দীর্ঘদিন অনায়াসে ব্যবহার করা যাবে।
দশটি খেজুর বৃক্ষ ব্যবহার করে দু রুমের একটি গৃহ নির্মাণ করা যাবে। এই গাছগুলোকে ডাস্টবিনে কিংবা জ্বালিয়ে ফেলার তুলনায় দরিদ্রদের জন্য তা দিয়ে গৃহ নির্মাণ কি উত্তম নয়? একটি দেশে যদি চল্লিশ মিলিয়নের তুলনায় অধিক খেজুর গাছ থাকে, তবে প্রতি বছর তার অধীনে দরিদ্রদের পুনর্বাসনের জন্য কতগুলো গৃহ নির্মাণ সম্ভব?! এ অকল্পনীয় সুযোগ আমরা হেলায় হারাচ্ছি, অথচ এ ব্যাপারে আমরা মোটেও সচেতন নই।
এই সহজ ও স্বল্পব্যয়ী মাধ্যমটি ব্যবহার করে দরিদ্র ও অসংখ্য গৃহহীন মুসলমানকে গৃহের ব্যবস্থা করতে পারি। অসংখ্য নব দম্পতিকে গৃহ দিয়ে সহযোগিতা করতে পারি এবং ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোতে যে বিস্তৃত ভূমি অব্যবহৃত পড়ে আছে, মরুভূমি হয়ে ছড়িয়ে আছে নানা দেশে, গৃহহীন হয়ে আছে অগণিত মানুষ, হয়তো কোন তাঁবু, ছেঁড়া বসন ও নূন্যতম আশ্রয় নিয়ে মানবেতরভাবে টিকে আছে আমরা তাদেরকে সামান্য স্বচ্ছলতা দিয়ে হলেও সহযোগিতা করতে পারি। নগরের ফুটপাতে, ওভারব্রীজের নিচে যারা জীবনের সাথে রীতিমত যুদ্ধ করে যাচ্ছে, বনে বাদারে, পাহাড়ে ও মরুভূমিতে কঠিন যাতনা ভোগ করছে, এবং এমন দৃষ্টান্তও আছে যে, মানুষ বসবাসের স্থান না পেয়ে ভাঙ্গা ও পরিত্যাক্ত কবরে রাত কাটাচ্ছে, আমরা এর মাধ্যমে, এ প্রক্রিয়াটি ব্যবহার করে তাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারি।
এ প্রক্রিয়াটি কোন এক বছরে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং যতদিন খেজুর বৃক্ষ আমাদের দেশে উৎপন্ন হবে, ততদিন এই মাধ্যমটি এবং এর মাধ্যমে বরকতের ধারা অব্যাহত থাকবে।
হয়তো প্রক্রিয়াটিকে আরো বিজ্ঞান সম্মত ও শক্তিশালী টেকনোলজি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা আরো দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হব, যা হবে স্বাভাবিকের তুলনায় আরো টেকসই, যা অন্যান্য গৃহের মত দ্রুত ক্ষয়ে যাবে না, নষ্ট হবে না। বৃষ্টিতে ও আগুনে বিধ্বস্ত হবে না। যে সমস্ত মরুভূমিতে পানির ব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু বাসস্থানের ব্যবস্থা নেই, সেখানে এ সমস্ত আবাস ব্যবহার করে নতুন নতুন গ্রাম ও নগরী গড়ে তোলা যাবে।
দশটি খেজুর বৃক্ষ ব্যবহার করে দু রুমের একটি গৃহ নির্মাণ করা যাবে। এই গাছগুলোকে ডাস্টবিনে কিংবা জ্বালিয়ে ফেলার তুলনায় দরিদ্রদের জন্য তা দিয়ে গৃহ নির্মাণ কি উত্তম নয়? একটি দেশে যদি চল্লিশ মিলিয়নের তুলনায় অধিক খেজুর গাছ থাকে, তবে প্রতি বছর তার অধীনে দরিদ্রদের পুনর্বাসনের জন্য কতগুলো গৃহ নির্মাণ সম্ভব?! এ অকল্পনীয় সুযোগ আমরা হেলায় হারাচ্ছি, অথচ এ ব্যাপারে আমরা মোটেও সচেতন নই।
এই সহজ ও স্বল্পব্যয়ী মাধ্যমটি ব্যবহার করে দরিদ্র ও অসংখ্য গৃহহীন মুসলমানকে গৃহের ব্যবস্থা করতে পারি। অসংখ্য নব দম্পতিকে গৃহ দিয়ে সহযোগিতা করতে পারি এবং ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোতে যে বিস্তৃত ভূমি অব্যবহৃত পড়ে আছে, মরুভূমি হয়ে ছড়িয়ে আছে নানা দেশে, গৃহহীন হয়ে আছে অগণিত মানুষ, হয়তো কোন তাঁবু, ছেঁড়া বসন ও নূন্যতম আশ্রয় নিয়ে মানবেতরভাবে টিকে আছে আমরা তাদেরকে সামান্য স্বচ্ছলতা দিয়ে হলেও সহযোগিতা করতে পারি। নগরের ফুটপাতে, ওভারব্রীজের নিচে যারা জীবনের সাথে রীতিমত যুদ্ধ করে যাচ্ছে, বনে বাদারে, পাহাড়ে ও মরুভূমিতে কঠিন যাতনা ভোগ করছে, এবং এমন দৃষ্টান্তও আছে যে, মানুষ বসবাসের স্থান না পেয়ে ভাঙ্গা ও পরিত্যাক্ত কবরে রাত কাটাচ্ছে, আমরা এর মাধ্যমে, এ প্রক্রিয়াটি ব্যবহার করে তাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারি।
এ প্রক্রিয়াটি কোন এক বছরে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং যতদিন খেজুর বৃক্ষ আমাদের দেশে উৎপন্ন হবে, ততদিন এই মাধ্যমটি এবং এর মাধ্যমে বরকতের ধারা অব্যাহত থাকবে।
হয়তো প্রক্রিয়াটিকে আরো বিজ্ঞান সম্মত ও শক্তিশালী টেকনোলজি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা আরো দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হব, যা হবে স্বাভাবিকের তুলনায় আরো টেকসই, যা অন্যান্য গৃহের মত দ্রুত ক্ষয়ে যাবে না, নষ্ট হবে না। বৃষ্টিতে ও আগুনে বিধ্বস্ত হবে না। যে সমস্ত মরুভূমিতে পানির ব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু বাসস্থানের ব্যবস্থা নেই, সেখানে এ সমস্ত আবাস ব্যবহার করে নতুন নতুন গ্রাম ও নগরী গড়ে তোলা যাবে।