১
আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)
লেখকঃ তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫০
তৃতীয়ত: শত্রুর আক্রমণ থেকে খতীবকে রক্ষা করা
অনেক খতীব আছেন, যারা মিডিয়ার দুষ্টচক্রে আক্রান্ত হয়েছেন নিজেদের অনবধানে, এবং হাজার হাজার মুসলমানকে ভ্রান্তিতে নিপতিত করেছেন। অপরদিকে বিভিন্ন সৎ ও নিষ্ঠাবান খতীবকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে বিছানো হয়েছে ষড়যন্ত্রের জাল, তাকে পড়ানো হয়েছে শরীয়তের কাপড়, অত:পর এর মাধ্যমে উক্ত খতীবকে আক্রমণ করা হয়েছে, এবং এতে বিভ্রান্ত হয়েছে অনেক নতুন খতীব, যারা এখনো মিডিয়া সন্ত্রাসের এ সকল ষড়যন্ত্রের সাথে মোটেই পরিচিত নয়।
মিডিয়াতে, আমরা দেখি, হঠাৎ কোন অর্বাচীন ব্যক্তিকে বিশাল কিছু বানিয়ে হাজির করা হচ্ছে, তাকে একজন মহান ব্যক্তিত্ব ও খতীব হিসেবে হাজির করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে ভাবছে ইনিই একমাত্র খতীব, যাকে নির্দ্বিধায় মান্য করা হয়, দ্বিধাহীনভাবে যার নির্দেশিত পথ অনুসরণ করা যায়। কিন্তু যখনি মিডিয়ার উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যায়, এই পরগাছা খতীবগুলো হারিয়ে যায় কোথায়, কেউ জানে না। তাদেরকে ছুড়ে ফেলা হয় মিডিয়ার আস্তাকুড়ে। সুতরাং, আমাদের উক্ত সংঘের মাধ্যমে প্রধানত: খতীবদেরকে ব্যাপকভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করে যুগোপযুগী শিক্ষায় শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত করে গড়ে তুলতে হবে, যারা একই সাথে ধর্মীয় ও পার্থিব মৌলিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ হবেন, বর্তমান মুসলিম বিশ্বের ঘটনা পরম্পরা সম্পর্কে অবহিত থাকবেন এবং এ ব্যাপারে মানুষকে একটি ইতিবাচক ধারণা দিতে প্রয়াস চালাবেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন :
وَكَذَلِكَ نُفَصِّلُ الْآَيَاتِ وَلِتَسْتَبِينَ سَبِيلُ الْمُجْرِمِينَ ﴿55﴾
‘আর এভাবেই আমি আয়াতসমূহ বিস্তারিত বর্ণনা করি। আর যাতে অপরাধীদের পথ স্পষ্ট হয়ে যায়।’ [সূরা আনআম : ৫৫]
অপর আয়াতে এসেছে :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا إِنْ جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَأٍ فَتَبَيَّنُوا أَنْ تُصِيبُوا قَوْمًا بِجَهَالَةٍ فَتُصْبِحُوا عَلَى مَا فَعَلْتُمْ نَادِمِينَ ﴿6﴾
‘হে মুমিনগণ, যদি কোন পাপাচারী তোমাদের নিকট কোন বার্তা আনয়ন করে, তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে যেন না জেনে কোন সম্প্রদায়কে আক্রমণ করে বস এবং পরে তোমাদের কৃতকর্মের জন্য তোমাদেরকে অনুতপ্ত হতে হয়’। [সূরা হুজুরাত : ৬]
এভাবে, খতীবদেরকে শয়তান ও তার অনুসারীদের নিফাক থেকে রক্ষা করা যাবে, এবং ফলশ্রুতিতে রক্ষা পাবে দেশ ও উম্মত।
মিডিয়াতে, আমরা দেখি, হঠাৎ কোন অর্বাচীন ব্যক্তিকে বিশাল কিছু বানিয়ে হাজির করা হচ্ছে, তাকে একজন মহান ব্যক্তিত্ব ও খতীব হিসেবে হাজির করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে ভাবছে ইনিই একমাত্র খতীব, যাকে নির্দ্বিধায় মান্য করা হয়, দ্বিধাহীনভাবে যার নির্দেশিত পথ অনুসরণ করা যায়। কিন্তু যখনি মিডিয়ার উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যায়, এই পরগাছা খতীবগুলো হারিয়ে যায় কোথায়, কেউ জানে না। তাদেরকে ছুড়ে ফেলা হয় মিডিয়ার আস্তাকুড়ে। সুতরাং, আমাদের উক্ত সংঘের মাধ্যমে প্রধানত: খতীবদেরকে ব্যাপকভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করে যুগোপযুগী শিক্ষায় শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত করে গড়ে তুলতে হবে, যারা একই সাথে ধর্মীয় ও পার্থিব মৌলিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ হবেন, বর্তমান মুসলিম বিশ্বের ঘটনা পরম্পরা সম্পর্কে অবহিত থাকবেন এবং এ ব্যাপারে মানুষকে একটি ইতিবাচক ধারণা দিতে প্রয়াস চালাবেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন :
وَكَذَلِكَ نُفَصِّلُ الْآَيَاتِ وَلِتَسْتَبِينَ سَبِيلُ الْمُجْرِمِينَ ﴿55﴾
‘আর এভাবেই আমি আয়াতসমূহ বিস্তারিত বর্ণনা করি। আর যাতে অপরাধীদের পথ স্পষ্ট হয়ে যায়।’ [সূরা আনআম : ৫৫]
অপর আয়াতে এসেছে :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا إِنْ جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَأٍ فَتَبَيَّنُوا أَنْ تُصِيبُوا قَوْمًا بِجَهَالَةٍ فَتُصْبِحُوا عَلَى مَا فَعَلْتُمْ نَادِمِينَ ﴿6﴾
‘হে মুমিনগণ, যদি কোন পাপাচারী তোমাদের নিকট কোন বার্তা আনয়ন করে, তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে যেন না জেনে কোন সম্প্রদায়কে আক্রমণ করে বস এবং পরে তোমাদের কৃতকর্মের জন্য তোমাদেরকে অনুতপ্ত হতে হয়’। [সূরা হুজুরাত : ৬]
এভাবে, খতীবদেরকে শয়তান ও তার অনুসারীদের নিফাক থেকে রক্ষা করা যাবে, এবং ফলশ্রুতিতে রক্ষা পাবে দেশ ও উম্মত।