১
আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)
লেখকঃ তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৩
লেখালেখি
আমি বলছি না যে, লেখালেখির জন্য মা-কে অত্যন্ত যোগ্য, জ্ঞানী ও সংস্কৃতিবান হতে হবে। শরীয়ত ও গবেষণার ক্ষেত্রে তাকে বিস্তৃত জানাশোনার অধিকারী হতে হবে। বরং, যেটুকু লেখালেখি তার জন্য প্রয়োজনীয় ও ফলপ্রসু, তার জন্য পড়তে জানা এবং নিজের মনের ভাব ব্যক্ত করতে পারার আগ্রহ থাকলেই যথেষ্ট। মনের ভাব ব্যক্ত করার জন্য অবশ্যই চর্চা ও পড়াশোনা প্রয়োজন। মায়েরা কী কী বিষয় লেখালেখি করতে পারে, নিম্নে তার তালিকা প্রদান করা হল :
ইতিবাচক হোক কিংবা নেতিবাচক- উপকারী যে কোন অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করা। ব্যক্তিগত কিংবা অন্য যে কোন অভিজ্ঞতাই তার লেখার আওতাভুক্ত হতে পারে। তবে অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে কোনভাবেই কাউকে হেয় করা কিংবা প্রতিবেশীর মনে কষ্ট দেয়া সমীচীন হবে না। বাস্তব কোন অভিজ্ঞতা যদি সুন্দর ভাষায়, আকর্ষণীয় বর্ণনায় তুলে ধরা হয়, তবে তা কি অতুলনীয় হবে তা বলাই বাহুল্য। গল্প আকারে যে সমস্ত অভিজ্ঞতাগুলো তারা তুলে ধরতে পারে, তা হল, পিতা-মাতার অবাধ্যতা, সালাত ত্যাগ, অবাধ যৌনাচারের ফল- ইত্যাদি।
আচরণ ও অভ্যাসগত বিষয়গুলো হতে পারে মায়ের লেখার উত্তম বিষয়। আচরণীয় দিকগুলো নিয়ে আলোচনা, সন্দেহ নেই, মায়েদের জন্য অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী একটি ব্যাপার, একে তারা অত্যন্ত সুচারুরূপে বর্ণনা করতে পারেন, তাদের পক্ষ থেকে এ ক্ষেত্রে কাজ করা খুবই প্রয়োজনীয়। নারীদের ক্ষেত্রে গল্প করে বলা যে কোন বিষয় অত্যন্ত কার্যকরী। এটি তাদের মনে গেঁথে যায় জীবনের জন্য। সুতরাং, পূণ্যবতী নারীদের জীবন গাঁথা নিয়ে মায়েরা লেখালেখি করেন, তবে সন্দেহ নেই, তা আরো কার্যকরী হবে। যে সমস্ত গল্প তাদের লেখার প্রতিপাদ্য হতে পারে, তা নিম্নরূপ :
কোন নারীর ধৈর্য ও সমত্মান-সমত্মতি এবং স্বামীকে একমাত্র আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করা।
পার্থিব প্রয়োজন সত্বেও যে কোন প্রলোভন এড়িয়ে কোন নারীর পবিত্র থাকার গল্প, যে এই পথে নানা বিপদ আপদ সহ্য করে চলেছে।
শাসিত্মপ্রয়োগ ও তাকে এবং স্বামী-সমত্মানকে নিগ্রহ করা সত্বেও যে নারী পার্থিব বিপদ আপদে প্রবল ধৈর্য ধরে আছে, সে হতে পারে তোমার গল্পের উত্তম উদাহরণ।
স্বামীর ঔদ্ধত্বপূর্ণ আচরণ সত্বেও সমত্মানকে সততায় গড়ে তোলা অত:পর স্বামীকে হিদায়াতের জন্য প্রাণপন চেষ্টা করে যাওয়া নারীর গল্প।
ইতিবাচক হোক কিংবা নেতিবাচক- উপকারী যে কোন অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করা। ব্যক্তিগত কিংবা অন্য যে কোন অভিজ্ঞতাই তার লেখার আওতাভুক্ত হতে পারে। তবে অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে কোনভাবেই কাউকে হেয় করা কিংবা প্রতিবেশীর মনে কষ্ট দেয়া সমীচীন হবে না। বাস্তব কোন অভিজ্ঞতা যদি সুন্দর ভাষায়, আকর্ষণীয় বর্ণনায় তুলে ধরা হয়, তবে তা কি অতুলনীয় হবে তা বলাই বাহুল্য। গল্প আকারে যে সমস্ত অভিজ্ঞতাগুলো তারা তুলে ধরতে পারে, তা হল, পিতা-মাতার অবাধ্যতা, সালাত ত্যাগ, অবাধ যৌনাচারের ফল- ইত্যাদি।
আচরণ ও অভ্যাসগত বিষয়গুলো হতে পারে মায়ের লেখার উত্তম বিষয়। আচরণীয় দিকগুলো নিয়ে আলোচনা, সন্দেহ নেই, মায়েদের জন্য অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী একটি ব্যাপার, একে তারা অত্যন্ত সুচারুরূপে বর্ণনা করতে পারেন, তাদের পক্ষ থেকে এ ক্ষেত্রে কাজ করা খুবই প্রয়োজনীয়। নারীদের ক্ষেত্রে গল্প করে বলা যে কোন বিষয় অত্যন্ত কার্যকরী। এটি তাদের মনে গেঁথে যায় জীবনের জন্য। সুতরাং, পূণ্যবতী নারীদের জীবন গাঁথা নিয়ে মায়েরা লেখালেখি করেন, তবে সন্দেহ নেই, তা আরো কার্যকরী হবে। যে সমস্ত গল্প তাদের লেখার প্রতিপাদ্য হতে পারে, তা নিম্নরূপ :
কোন নারীর ধৈর্য ও সমত্মান-সমত্মতি এবং স্বামীকে একমাত্র আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করা।
পার্থিব প্রয়োজন সত্বেও যে কোন প্রলোভন এড়িয়ে কোন নারীর পবিত্র থাকার গল্প, যে এই পথে নানা বিপদ আপদ সহ্য করে চলেছে।
শাসিত্মপ্রয়োগ ও তাকে এবং স্বামী-সমত্মানকে নিগ্রহ করা সত্বেও যে নারী পার্থিব বিপদ আপদে প্রবল ধৈর্য ধরে আছে, সে হতে পারে তোমার গল্পের উত্তম উদাহরণ।
স্বামীর ঔদ্ধত্বপূর্ণ আচরণ সত্বেও সমত্মানকে সততায় গড়ে তোলা অত:পর স্বামীকে হিদায়াতের জন্য প্রাণপন চেষ্টা করে যাওয়া নারীর গল্প।