১
আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)
লেখকঃ তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮১
(ক) অমুসলিমদেরকে ইসলামের প্রতি দাওয়াতের গুরুত্বসমূহ :
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী রা.-কে বলেছিলেন :
انفذ على رسلك حتى تنزل بساحتهم ثم ادعهم إلى الإسلام وأخبرهم بما يجب عليهم من حق الله فيه , فو الله لأن يهدي الله بك رجلا واحدا خير لك من أن يكون لك حمر النعم .
‘তুমি তোমার গতিতে তাদের এলাকায় গিয়ে প্রথমে তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দিবে এবং ইসলামে তাদের উপর আল্লাহর কি কি হক রয়েছে তা জানাবে। আল্লাহর শপথ তোমার মাধ্যমে আল্লাহ যদি একজন লোকের হিদায়াতের ব্যবস্থা করেন তাহলে তা তোমার জন্য তোমার মালিকানায় এক পাল লাল উট থাকার চেয়েও উত্তম হবে।’ [বুখারী : ৩৭০১]
তাদেরকে দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের যে দায়িত্ব তা থেকে মুক্ত হওয়া। কারণ আমাদের মাঝে থাকার পরও যদি আমরা তাদেরকে দাওয়াত না দেই, ধর্মীয় সহযোগিতা না করে শুধু পার্থিব সহযোগিতা করে যাই, পার্থিব কোনো কসুর করলে তাদের নিন্দা করি কিন্তু আমরা যে তাদেরকে দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে অবহেলা করছি সে ক্ষেত্রে নিজেদের আত্মসমালোচনা না করি, তাহলে কিয়ামতের দিন তারা তো আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে।
অন্যান্য অমুসলিম দেশে যথেষ্ট পরিমাণে দায়ী পাঠানো। এর সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি হচ্ছে অমুসলিম দেশের যে সব কাফিররা আমাদের নিকটে এসে ইসলাম গ্রহণ করে তাদেরকেই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আবার দায়ী হিসেবে সে দেশে পাঠানো... এই কাজ যদি বাস্তবিকেই করা যায় তাহলে তো রীতিমত বিপ্লব হয়ে যাবে।
যারা আমাদের দেশে এসে আমাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে, আমাদের প্রতি অবিচার করেছে, বরং অনেক মুসলিম দেশে আমাদের সংখ্যালঘু বানিয়ে রেখেছে, তাদের ধর্মপ্রচার তৎপরতার মুকাবেলা করা। আমরা যদি তাদের লোকদেরকেই ইসলামের দায়ী বানিয়ে তাদের দেশে পাঠাতে পারি তাহলে তা অবশ্যই খুব কার্যকরী ব্যাপার হবে।
انفذ على رسلك حتى تنزل بساحتهم ثم ادعهم إلى الإسلام وأخبرهم بما يجب عليهم من حق الله فيه , فو الله لأن يهدي الله بك رجلا واحدا خير لك من أن يكون لك حمر النعم .
‘তুমি তোমার গতিতে তাদের এলাকায় গিয়ে প্রথমে তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দিবে এবং ইসলামে তাদের উপর আল্লাহর কি কি হক রয়েছে তা জানাবে। আল্লাহর শপথ তোমার মাধ্যমে আল্লাহ যদি একজন লোকের হিদায়াতের ব্যবস্থা করেন তাহলে তা তোমার জন্য তোমার মালিকানায় এক পাল লাল উট থাকার চেয়েও উত্তম হবে।’ [বুখারী : ৩৭০১]
তাদেরকে দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের যে দায়িত্ব তা থেকে মুক্ত হওয়া। কারণ আমাদের মাঝে থাকার পরও যদি আমরা তাদেরকে দাওয়াত না দেই, ধর্মীয় সহযোগিতা না করে শুধু পার্থিব সহযোগিতা করে যাই, পার্থিব কোনো কসুর করলে তাদের নিন্দা করি কিন্তু আমরা যে তাদেরকে দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে অবহেলা করছি সে ক্ষেত্রে নিজেদের আত্মসমালোচনা না করি, তাহলে কিয়ামতের দিন তারা তো আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে।
অন্যান্য অমুসলিম দেশে যথেষ্ট পরিমাণে দায়ী পাঠানো। এর সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি হচ্ছে অমুসলিম দেশের যে সব কাফিররা আমাদের নিকটে এসে ইসলাম গ্রহণ করে তাদেরকেই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আবার দায়ী হিসেবে সে দেশে পাঠানো... এই কাজ যদি বাস্তবিকেই করা যায় তাহলে তো রীতিমত বিপ্লব হয়ে যাবে।
যারা আমাদের দেশে এসে আমাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে, আমাদের প্রতি অবিচার করেছে, বরং অনেক মুসলিম দেশে আমাদের সংখ্যালঘু বানিয়ে রেখেছে, তাদের ধর্মপ্রচার তৎপরতার মুকাবেলা করা। আমরা যদি তাদের লোকদেরকেই ইসলামের দায়ী বানিয়ে তাদের দেশে পাঠাতে পারি তাহলে তা অবশ্যই খুব কার্যকরী ব্যাপার হবে।