১
আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)
লেখকঃ তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭২
দ্বিতীয় কারণ : বাসত্মব অবস্থা
মুসলমানদের মাঝে পারস্পরিক ঝগড়া এ সময়ের সব চেয়ে বড় সমস্যা বলে চি হ্নত। শুদ্ধ নিয়ত নিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে যদিও এর বিরুদ্ধে প্রচেষ্টা চালানোও হয়, কোনভাবেই এর শেষ হবে না এবং সুরাহার পন্থা উদ্ভাবন করা যাবে না।
বিবাহ জনিত মতবিরোধ কিংবা রাষ্ট্রীয় ভূমির আওতা নিয়ে বিরোধ- মুসলিম সমাজের বর্তমান বিরোধের রূপ এই ধরনের নিরেট ব্যক্তিগত বা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেই। তা আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এর জন্য বহু রক্তারক্তি ও খুনোখুনি চলছে ইসলামী বিশ্ব জুড়ে। কোন ব্যক্তি এককভাবে এই সব সমস্যার মুকাবিলা করবে, এর বিরুদ্ধে লড়ার জন্য একাকী ময়দানে নেমে পড়বে- এটি আর কখনোই সম্ভব নয়। এমনকি, যাদের পক্ষ থেকে সংস্কার ও সংশোধনের পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ ছিল, সেই দায়ী ও আলিমদের মাঝেও এই মরণঘাতি মতবিরোধ সর্বদা মাথা চাড়া দিয়ে থাকে।
একদিন আমার এক প্রিয় ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত হল, ইসলামী দলগুলোর মাঝে মতবিরোধ নিরসনে তার ভূমিকার জন্য সে সকলের মাঝে বিখ্যাত হয়ে গিয়েছে। একদিন সে আমার কাছে এসে চরম হাতাশা প্রকাশ করল, আরব এলাকার দুটি দলের মাঝে তিনি ইতিমধ্যে মতবিরোধ নিরসনের জন্য অনেক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, সেই প্রচেষ্টা নিতামত্ম ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলে তার হাতাশা চরমে উঠে। সে আমাকে বলল, আমি কয়েকবার তাদের উভয় দলের নেতৃবর্গকে একত্র করতে সক্ষম হয়েছি। আমি ভেবে দেখেছি, তাদের মাঝে বিরোধের মৌলিক কোন কারণ নেই। তাই তাদের ঐক্যের ব্যাপারে আমি ছিলাম পরিপূর্ণ আশাবাদী। কিন্তু যখনি তাদের মাঝে ঐক্যের ন্যূনতম সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তখনি একজন চি হ্নত পরিচিত ব্যক্তি তা ভাঙ্গার হীন খেলায় মেতে উঠেছে। তাই আমার প্রচেষ্টা আর আলোর মুখ দেখল না।
তিনি আমাকে যে ঘটনা শোনালেন, পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিম দেশে এই দৃশ্য প্রাত্যহিক হয়ে গিয়েছে। তারা পারস্পরিক বিরোধ মিটিয়ে কোনভাবেই একত্রে বসে সমাজের জন্য নিজেদেরকে নিয়োজিত করছেন না। কেউ কেউ নিরেট নেতৃত্বের মোহের কারণে একই মতের অনুসারী দুটি দলকে একত্রে কাজের সুযোগ দিচ্ছেন না।
বিবাহ জনিত মতবিরোধ কিংবা রাষ্ট্রীয় ভূমির আওতা নিয়ে বিরোধ- মুসলিম সমাজের বর্তমান বিরোধের রূপ এই ধরনের নিরেট ব্যক্তিগত বা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেই। তা আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এর জন্য বহু রক্তারক্তি ও খুনোখুনি চলছে ইসলামী বিশ্ব জুড়ে। কোন ব্যক্তি এককভাবে এই সব সমস্যার মুকাবিলা করবে, এর বিরুদ্ধে লড়ার জন্য একাকী ময়দানে নেমে পড়বে- এটি আর কখনোই সম্ভব নয়। এমনকি, যাদের পক্ষ থেকে সংস্কার ও সংশোধনের পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ ছিল, সেই দায়ী ও আলিমদের মাঝেও এই মরণঘাতি মতবিরোধ সর্বদা মাথা চাড়া দিয়ে থাকে।
একদিন আমার এক প্রিয় ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত হল, ইসলামী দলগুলোর মাঝে মতবিরোধ নিরসনে তার ভূমিকার জন্য সে সকলের মাঝে বিখ্যাত হয়ে গিয়েছে। একদিন সে আমার কাছে এসে চরম হাতাশা প্রকাশ করল, আরব এলাকার দুটি দলের মাঝে তিনি ইতিমধ্যে মতবিরোধ নিরসনের জন্য অনেক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, সেই প্রচেষ্টা নিতামত্ম ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলে তার হাতাশা চরমে উঠে। সে আমাকে বলল, আমি কয়েকবার তাদের উভয় দলের নেতৃবর্গকে একত্র করতে সক্ষম হয়েছি। আমি ভেবে দেখেছি, তাদের মাঝে বিরোধের মৌলিক কোন কারণ নেই। তাই তাদের ঐক্যের ব্যাপারে আমি ছিলাম পরিপূর্ণ আশাবাদী। কিন্তু যখনি তাদের মাঝে ঐক্যের ন্যূনতম সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তখনি একজন চি হ্নত পরিচিত ব্যক্তি তা ভাঙ্গার হীন খেলায় মেতে উঠেছে। তাই আমার প্রচেষ্টা আর আলোর মুখ দেখল না।
তিনি আমাকে যে ঘটনা শোনালেন, পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিম দেশে এই দৃশ্য প্রাত্যহিক হয়ে গিয়েছে। তারা পারস্পরিক বিরোধ মিটিয়ে কোনভাবেই একত্রে বসে সমাজের জন্য নিজেদেরকে নিয়োজিত করছেন না। কেউ কেউ নিরেট নেতৃত্বের মোহের কারণে একই মতের অনুসারী দুটি দলকে একত্রে কাজের সুযোগ দিচ্ছেন না।