১
আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)
লেখকঃ তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
প্রকাশকের কথা
বাংলাদেশে মুসলিম সমাজের ইতিহাস যতটা পুরোনো, ঠিক ততটাই নতুন তার ইসলামী সামাজিক ইতিহাস, ইসলামিক পরিগঠন। ইসলাম এ দেশে ছিল, জাতিগত উন্মেষের সেই আদিকাল থেকে, কিন্তু, সেই অর্থে প্রকৃত ইসলামের অনুশীলন ও চর্চা ছিল না, ছিল না তার প্রতি নিষ্ঠা, অন্য সব কিছু থেকে তাকে আলাদা করে বুঝবার প্রেরণা। হিন্দু কালচারের উলটো পিঠ হয়ে তার পথ চলার কী ভয়াবহ পরিণতি ইতিহাস আজো বয়ে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। সে কারণেই ইসলামকে সামাজিক ধর্মের পোশাক পড়িয়ে সমাজের কাছে হাজির করার ফলে, তার আকীদা, বিশ্বাসের ভিত্তি, স্বাতন্ত্র্য, আচার পদ্ধতি- ইত্যাদি সঠিক অর্থে ব্যাপকতা পায়নি।- আমরা এ দেশে কাজের সূচনা করার পর সমাজের এ দিকটির প্রতি আমাদের সজাগ দৃষ্টি ছিল। আমরা এর বিপদ ও ভয়াবহতার কথা ভাল করেই উপলব্ধি করছিলাম।
‘আল-গিরাস’ অসাধারণ একটি বই, এক ধারাবাহিক অনুশীলনের মাধ্যমে সমাজ ও সমাজের মনোভাব ও মানসিকতা কীভাবে আমূল পালটে দেয়া যেতে পারে, তার অকৃত্রিম ও সফল প্রতিচিত্র। লেখক তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ আল-রেফায়ী, বিখ্যাত এক ব্যক্তিত্ব, দাওয়াতের ইতিমধ্যে স্মরণীয় ও বরণীয় এক অবস্থানে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছেন। বইটিতে তিনি মৌলিক কিছু ধারনা প্রদানের মাধ্যমে আমাদেরকে যেখানে উপনীত করার প্রয়াস চালিয়েছেন, তা মূলত আমাদেরকে একটি সুস্থ, সঠিক কাঠামোবদ্ধ ইসলামী সমাজের উদ্ভব ও বিকাশের স্তরে উন্নীত করবে।
বইটি জুড়ে তিনি মুমিনের চিন্তাকে নাড়া দিতে চেয়েছেন, দাওয়াতের সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা ও সেই আকাঙ্ক্ষাজাত প্রেরণাকে জাগিয়ে তোলা তার লেখার মূল প্রতিপাদ্য। দাওয়াতী কর্ম, সামাজিকভাবে তা পালনের পদ্ধতিগত উদ্ভাবন, নতুন নতুন চিন্তা হাজির করে তাকে কর্মে পরিণত করা, দাওয়াতী ও সামাজিক যে কোন কর্মের চিন্তানৈতিক পাটাতন ইসলামের মূল জায়গা থেকে নির্মাণ- ইত্যাদি তিনি অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন। যারা আমাদের দেশে সামাজিকভাবে ইসলামী কর্মকান্ডকে আমূল পালটে দিতে চায়, তাকে করে তুলতে চায় মৌলনির্ভর, আমি মনে করি, বইটি তাদের অবশ্য পাঠ্য।
বইটি অনুবাদ করেছেন আমার স্নেহাস্পদ কাউসার বিন খালিদ। কঠোর পরিশ্রম করে একে মুদ্রিত অক্ষরে উপস্থিত করার উপযুক্ত করে তুলেছেন নুমান আবুল বাশার। তাদেরকে অনেক অনেক সাধুবাদ। অন্যান্য যারা এর সাথে জড়িত ছিলেন, পরামর্শ ও শ্রম দিয়ে একে ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হতে সহযোগিতা করেছেন, তাদের সকলকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা।
বইটি এ দেশের দাওয়াতী আন্দোলনের সাথে জড়িতদের বিন্দুমাত্র উপকার করলেই আমরা আমাদের উদ্যোগ ও পরিশ্রমকে সার্থক মনে করব।
২৫-৮-২০০৮
নূর মোহাম্মাদ নূর বাদী‘
চেয়ারম্যান : আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে।
‘আল-গিরাস’ অসাধারণ একটি বই, এক ধারাবাহিক অনুশীলনের মাধ্যমে সমাজ ও সমাজের মনোভাব ও মানসিকতা কীভাবে আমূল পালটে দেয়া যেতে পারে, তার অকৃত্রিম ও সফল প্রতিচিত্র। লেখক তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ আল-রেফায়ী, বিখ্যাত এক ব্যক্তিত্ব, দাওয়াতের ইতিমধ্যে স্মরণীয় ও বরণীয় এক অবস্থানে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছেন। বইটিতে তিনি মৌলিক কিছু ধারনা প্রদানের মাধ্যমে আমাদেরকে যেখানে উপনীত করার প্রয়াস চালিয়েছেন, তা মূলত আমাদেরকে একটি সুস্থ, সঠিক কাঠামোবদ্ধ ইসলামী সমাজের উদ্ভব ও বিকাশের স্তরে উন্নীত করবে।
বইটি জুড়ে তিনি মুমিনের চিন্তাকে নাড়া দিতে চেয়েছেন, দাওয়াতের সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা ও সেই আকাঙ্ক্ষাজাত প্রেরণাকে জাগিয়ে তোলা তার লেখার মূল প্রতিপাদ্য। দাওয়াতী কর্ম, সামাজিকভাবে তা পালনের পদ্ধতিগত উদ্ভাবন, নতুন নতুন চিন্তা হাজির করে তাকে কর্মে পরিণত করা, দাওয়াতী ও সামাজিক যে কোন কর্মের চিন্তানৈতিক পাটাতন ইসলামের মূল জায়গা থেকে নির্মাণ- ইত্যাদি তিনি অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন। যারা আমাদের দেশে সামাজিকভাবে ইসলামী কর্মকান্ডকে আমূল পালটে দিতে চায়, তাকে করে তুলতে চায় মৌলনির্ভর, আমি মনে করি, বইটি তাদের অবশ্য পাঠ্য।
বইটি অনুবাদ করেছেন আমার স্নেহাস্পদ কাউসার বিন খালিদ। কঠোর পরিশ্রম করে একে মুদ্রিত অক্ষরে উপস্থিত করার উপযুক্ত করে তুলেছেন নুমান আবুল বাশার। তাদেরকে অনেক অনেক সাধুবাদ। অন্যান্য যারা এর সাথে জড়িত ছিলেন, পরামর্শ ও শ্রম দিয়ে একে ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হতে সহযোগিতা করেছেন, তাদের সকলকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা।
বইটি এ দেশের দাওয়াতী আন্দোলনের সাথে জড়িতদের বিন্দুমাত্র উপকার করলেই আমরা আমাদের উদ্যোগ ও পরিশ্রমকে সার্থক মনে করব।
২৫-৮-২০০৮
নূর মোহাম্মাদ নূর বাদী‘
চেয়ারম্যান : আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে।