১
আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)
লেখকঃ তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
ভূমিকা
চিন্তা ও বিশ্বাস সঞ্চারের উপলব্ধি তিন উপায়ে
প্রথমত : সুকুমার কর্মের পূর্বে স্বচ্ছ চিন্তার উদ্রেক
দ্বিতীয়ত : সুশীতল ছায়াময়তার পূর্বে চাষ ও কর্ষণ
তৃতীয়ত : স্থায়ী উদ্যানের পূর্বে সেচ প্রবাহ
আমি পাঠকের কাছে সবিনয় নিবেদন করব যে, আলোচ্য তিনটি বিষয় পাঠের পূর্বে একান্তে, নিজেকে নিজে কয়েকটি প্রশ্নের মুখোমুখী দাঁড় করিয়ে নিন। প্রশ্ন তিনটি হচ্ছে-
কেন সুকুমার কর্মের পূর্বে স্বচ্ছ চিন্তার উদ্রেক?
সুশীতল ছায়াময়তার পূর্বে চাষ ও কর্ষণ-এর কী তাৎপর্য?
স্থায়ী উদ্যানের পূর্বে সেচ প্রবাহরই বা অর্থ কী?
এর উত্তর হচ্ছে : চাষ ও তার স্তর বিন্যাসের অনুসারে একে সাজানো হয়েছে। কারণ, পতিত জমির কোন ইয়ত্তা নেই। এই সব পতিত জমির কর্ষণ ও চাষ শুরু হয় একটি চিন্তার মাধ্যমে, কর্মের সূচনার পূর্বে যা কর্তার চিন্তায় উদিত হয়। এই বিবেচনাতেই প্রথম বিষয়টির উল্লেখ করা হয়েছে। এর সাথেই ‘কর্মের পূর্বে চিন্তার উদ্রেক’- এর বিষয়টি জড়িত। কর্তার চিন্তাদোয়ের পর, তাকে অবশ্যই চাষ ও কর্ষণের মাধ্যমে বিষয়টির বাস্তাবায়ন করতে হবে। এ কারণেই দ্বিতীয় ছত্রে আমরা উল্লেখ করেছি যে, ‘সুশীতল ছায়াময়তার পূর্বে চাষ ও কর্ষণ।’ চাষবাসে এরপর, পানি সিঞ্চন, সেচ ও ফল লাভের অপেক্ষা ব্যতীত আর কিছুই করার থাকে না। এরই সূত্র ধরে সর্বশেষ শিরোনাম নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘স্থায়ী উদ্যানের পূর্বে সেচ প্রবাহ।’
উপস্থাপিত স্তর বিন্যাস ক্রম অনুসারে এই বইয়ের প্রতিটি ‘সঞ্চার নীতিমালা’ আবর্তিত হবে এবং আল্লাহ চাহে তো ফলে ও ফুলে শোভিত হয়ে উঠবে।
বিষয়টি একটি উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করে তোলার লক্ষ্যে আমরা বলতে পারি :- কোন স্কুল কিংবা কল্যাণ ও সংস্কারমূলক সংস্থা অথবা দাতব্য প্রজেক্ট কখনোই বাস্তবায়িত হয় না চিন্তার সচেতন আশ্রয় ছাড়া, যা কর্মপরিকল্পনার পূর্বে কর্তার মনে উদয় হয়। মন ও উপলব্ধিতে উদিত চিন্তা মাত্রই যে সৎ ও বিশুদ্ধ, তা নয় ; একে অবশ্যই কিতাব, সুন্নাহ তথা শরীয়তের নীতিমালার আলোকে পরিশ্রুত করে নিতে হবে। উক্ত চিন্তার বিশুদ্ধতার প্রমাণের জন্য অবশ্যই শরয়ী সূত্রের উল্লেখ আবশ্যক।
এই স্তরক্রমের অনুবর্তনের পর, উক্ত চিন্তা তোমার কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্ম কাঠামো আকারে হাজির হবে। ধরা দিবে বিস্তারিত প্রজেক্ট রূপে, যা আল্লাহ চাহে তো এই বইয়ের যথাস্থানে উপস্থাপন করা হবে। এই সংক্ষিপ্ত সারাৎসার পূর্ণ আলোচনার পর, বিষয়টি অবশ্যই আরো সবিস্তার উল্লেখের দাবি রাখে, যাতে প্রতিটি আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরা হবে। পাঠক, তোমার দুয়ারে সেই সবিস্তার আলোচনা কড়া নাড়ছে, দুয়ার উন্মুক্ত কর, দেখ এবং গ্রহণ কর মনের মাধুরী মিশিয়ে।
প্রথমত : সুকুমার কর্মের পূর্বে স্বচ্ছ চিন্তার উদ্রেক
দ্বিতীয়ত : সুশীতল ছায়াময়তার পূর্বে চাষ ও কর্ষণ
তৃতীয়ত : স্থায়ী উদ্যানের পূর্বে সেচ প্রবাহ
আমি পাঠকের কাছে সবিনয় নিবেদন করব যে, আলোচ্য তিনটি বিষয় পাঠের পূর্বে একান্তে, নিজেকে নিজে কয়েকটি প্রশ্নের মুখোমুখী দাঁড় করিয়ে নিন। প্রশ্ন তিনটি হচ্ছে-
কেন সুকুমার কর্মের পূর্বে স্বচ্ছ চিন্তার উদ্রেক?
সুশীতল ছায়াময়তার পূর্বে চাষ ও কর্ষণ-এর কী তাৎপর্য?
স্থায়ী উদ্যানের পূর্বে সেচ প্রবাহরই বা অর্থ কী?
এর উত্তর হচ্ছে : চাষ ও তার স্তর বিন্যাসের অনুসারে একে সাজানো হয়েছে। কারণ, পতিত জমির কোন ইয়ত্তা নেই। এই সব পতিত জমির কর্ষণ ও চাষ শুরু হয় একটি চিন্তার মাধ্যমে, কর্মের সূচনার পূর্বে যা কর্তার চিন্তায় উদিত হয়। এই বিবেচনাতেই প্রথম বিষয়টির উল্লেখ করা হয়েছে। এর সাথেই ‘কর্মের পূর্বে চিন্তার উদ্রেক’- এর বিষয়টি জড়িত। কর্তার চিন্তাদোয়ের পর, তাকে অবশ্যই চাষ ও কর্ষণের মাধ্যমে বিষয়টির বাস্তাবায়ন করতে হবে। এ কারণেই দ্বিতীয় ছত্রে আমরা উল্লেখ করেছি যে, ‘সুশীতল ছায়াময়তার পূর্বে চাষ ও কর্ষণ।’ চাষবাসে এরপর, পানি সিঞ্চন, সেচ ও ফল লাভের অপেক্ষা ব্যতীত আর কিছুই করার থাকে না। এরই সূত্র ধরে সর্বশেষ শিরোনাম নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘স্থায়ী উদ্যানের পূর্বে সেচ প্রবাহ।’
উপস্থাপিত স্তর বিন্যাস ক্রম অনুসারে এই বইয়ের প্রতিটি ‘সঞ্চার নীতিমালা’ আবর্তিত হবে এবং আল্লাহ চাহে তো ফলে ও ফুলে শোভিত হয়ে উঠবে।
বিষয়টি একটি উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করে তোলার লক্ষ্যে আমরা বলতে পারি :- কোন স্কুল কিংবা কল্যাণ ও সংস্কারমূলক সংস্থা অথবা দাতব্য প্রজেক্ট কখনোই বাস্তবায়িত হয় না চিন্তার সচেতন আশ্রয় ছাড়া, যা কর্মপরিকল্পনার পূর্বে কর্তার মনে উদয় হয়। মন ও উপলব্ধিতে উদিত চিন্তা মাত্রই যে সৎ ও বিশুদ্ধ, তা নয় ; একে অবশ্যই কিতাব, সুন্নাহ তথা শরীয়তের নীতিমালার আলোকে পরিশ্রুত করে নিতে হবে। উক্ত চিন্তার বিশুদ্ধতার প্রমাণের জন্য অবশ্যই শরয়ী সূত্রের উল্লেখ আবশ্যক।
এই স্তরক্রমের অনুবর্তনের পর, উক্ত চিন্তা তোমার কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্ম কাঠামো আকারে হাজির হবে। ধরা দিবে বিস্তারিত প্রজেক্ট রূপে, যা আল্লাহ চাহে তো এই বইয়ের যথাস্থানে উপস্থাপন করা হবে। এই সংক্ষিপ্ত সারাৎসার পূর্ণ আলোচনার পর, বিষয়টি অবশ্যই আরো সবিস্তার উল্লেখের দাবি রাখে, যাতে প্রতিটি আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরা হবে। পাঠক, তোমার দুয়ারে সেই সবিস্তার আলোচনা কড়া নাড়ছে, দুয়ার উন্মুক্ত কর, দেখ এবং গ্রহণ কর মনের মাধুরী মিশিয়ে।