১
মজলিসের সৌরভ
লেখকঃ তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
সালাত
এ দারসে ইসলানের রুকনসমূহ হতে দ্বিতীয় রুকন অর্থাৎ সালাত বিষয়ে আলোচনা করব।
- মুসলিম ও কাফিরের মাঝে প্রার্থক্য নির্ধারণকারী হলো সালাত। যেমনটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
«إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلَاةِ» [ رواه مسلم ]
“একজন মানুষ এবং শির্ক ও কুফরের মধ্যে প্রার্থক্য হলো সালাত ছেড়ে দেওয়া।” [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]।
- এটি ইসলামের খুঁটি। যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«رَأْسُ الْأَمْرِ الْإِسْلَامُ، وَعَمُودُهُ الصَّلَاةُ» [ رواه الترمذي ]
“যাবতীয় বিষয়ের মাথা হলো ইসলাম আর তার খুঁটি হলো সালাত।” হাদীসটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন]।
সালাত হলো এমন একটি আমল যার সম্পর্কে সর্ব প্রথম হিসাব নেওয়া হবে, যদি তা শুদ্ধ হয় তার সব আমলই শুদ্ধ হবে। আর যদি তা খারাপ হয়, তার সমস্ত আমলই নষ্ট হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِنَّ أَوَّلَ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عَمَلِهِ صَلَاتُهُ فَإِنْ صَلُحَتْ فَقَدْ أَفْلَحَ وَأَنْجَحَ وَإِنْ فَسَدَتْ فَقَدْ خَابَ وَخَسِرَ» [ رواه أبو داود والترمذي والنسائي ].
“কিয়ামাতের দিন বান্দার আমল হতে সর্ব প্রথম তার সালাতের হিসাব হবে। যদি তা ঠিক হয়, তাহলে সফল ও কামিয়াব হল। আর যদি তা ফাসিদ হয় তবে সে বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হল।” [হাদীসটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ বর্ণনা করেছেন]
- এ দুনিয়া হতে সালাতই হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চোখের শীথিলতা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«وَجُعِلَتْ قُرَّةُ عَيْنِي فِي الصَّلاةِ» [ رواه النسائي ].
“আমার চোখের শীথিলতা সালাতে রাখা হয়েছে।” [এটি নাসায়ী বর্ণনা করেছেন।]
চোখের শীথিলতা: অর্থাৎ যার দ্বারা চোখ শীতল হয় এবং অন্তর তৃপ্তি পায়।
- সালাত হলো বান্দা ও মহান রবের মাঝে সেতু বন্ধন। যে সালাতকে ইখলাস ও বিনয়ের সাথে আদায় করবে তাকে এটি মন্দ কর্ম ও অশ্লীলতা থেকে বিরত রাখবে। আল্লাহ তাআলা বলেন,
إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَىٰ عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنكَرِ [ العنكبوت : 45].
“নিশ্চয় সালাত মন্দ কর্ম ও অশ্লীলতা থেকে বিরত রাখে।” [আল-আনকাবূত : ৪৫]
- সালাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ অনুযায়ী আদায় না করলে তা শুদ্ধ হবে না। যেমন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলালাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«صَلُّوا كَمَا رَأَيْتُمُونِي أُصَلِّي» [ متفق عليه ]
“তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছ সেভাবে সালাত আদায় কর।” মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
সুতরাং একজন মুসলিমের ওপর ওয়াজিব হলো সালাতের বিধান এবং আদায়ের পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীস অনুযায়ী শিখবে যাতে সে তা পরিপূর্ণভাবে আদায় করতে পারে এবং তা আদায় করে সাওয়াব ও মহা বিনিময় লাভ করতে পারে।
এতটুকুতে যথেষ্ট করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবর্তী দারসে সালাতের বিধান সম্পর্কে আলোচনা সম্পন্ন করবো।
- মুসলিম ও কাফিরের মাঝে প্রার্থক্য নির্ধারণকারী হলো সালাত। যেমনটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
«إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلَاةِ» [ رواه مسلم ]
“একজন মানুষ এবং শির্ক ও কুফরের মধ্যে প্রার্থক্য হলো সালাত ছেড়ে দেওয়া।” [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]।
- এটি ইসলামের খুঁটি। যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«رَأْسُ الْأَمْرِ الْإِسْلَامُ، وَعَمُودُهُ الصَّلَاةُ» [ رواه الترمذي ]
“যাবতীয় বিষয়ের মাথা হলো ইসলাম আর তার খুঁটি হলো সালাত।” হাদীসটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন]।
সালাত হলো এমন একটি আমল যার সম্পর্কে সর্ব প্রথম হিসাব নেওয়া হবে, যদি তা শুদ্ধ হয় তার সব আমলই শুদ্ধ হবে। আর যদি তা খারাপ হয়, তার সমস্ত আমলই নষ্ট হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِنَّ أَوَّلَ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عَمَلِهِ صَلَاتُهُ فَإِنْ صَلُحَتْ فَقَدْ أَفْلَحَ وَأَنْجَحَ وَإِنْ فَسَدَتْ فَقَدْ خَابَ وَخَسِرَ» [ رواه أبو داود والترمذي والنسائي ].
“কিয়ামাতের দিন বান্দার আমল হতে সর্ব প্রথম তার সালাতের হিসাব হবে। যদি তা ঠিক হয়, তাহলে সফল ও কামিয়াব হল। আর যদি তা ফাসিদ হয় তবে সে বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হল।” [হাদীসটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ বর্ণনা করেছেন]
- এ দুনিয়া হতে সালাতই হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চোখের শীথিলতা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«وَجُعِلَتْ قُرَّةُ عَيْنِي فِي الصَّلاةِ» [ رواه النسائي ].
“আমার চোখের শীথিলতা সালাতে রাখা হয়েছে।” [এটি নাসায়ী বর্ণনা করেছেন।]
চোখের শীথিলতা: অর্থাৎ যার দ্বারা চোখ শীতল হয় এবং অন্তর তৃপ্তি পায়।
- সালাত হলো বান্দা ও মহান রবের মাঝে সেতু বন্ধন। যে সালাতকে ইখলাস ও বিনয়ের সাথে আদায় করবে তাকে এটি মন্দ কর্ম ও অশ্লীলতা থেকে বিরত রাখবে। আল্লাহ তাআলা বলেন,
إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَىٰ عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنكَرِ [ العنكبوت : 45].
“নিশ্চয় সালাত মন্দ কর্ম ও অশ্লীলতা থেকে বিরত রাখে।” [আল-আনকাবূত : ৪৫]
- সালাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ অনুযায়ী আদায় না করলে তা শুদ্ধ হবে না। যেমন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলালাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«صَلُّوا كَمَا رَأَيْتُمُونِي أُصَلِّي» [ متفق عليه ]
“তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছ সেভাবে সালাত আদায় কর।” মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
সুতরাং একজন মুসলিমের ওপর ওয়াজিব হলো সালাতের বিধান এবং আদায়ের পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীস অনুযায়ী শিখবে যাতে সে তা পরিপূর্ণভাবে আদায় করতে পারে এবং তা আদায় করে সাওয়াব ও মহা বিনিময় লাভ করতে পারে।
এতটুকুতে যথেষ্ট করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবর্তী দারসে সালাতের বিধান সম্পর্কে আলোচনা সম্পন্ন করবো।