১
মজলিসের সৌরভ
লেখকঃ তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
গোসল ফরয হওয়ার কারণসমূহ
উপরে আমরা ছোট নাপাকী থেকে পবিত্রতার বিধান বিষয়ে আলোচনা করেছি। আর এ পাঠে আমরা আলোচনা করব:
গোসল ফরয হওয়ার কারণসমূহ সম্পর্কে। আর তা হলো:
১- জাগ্রত অবস্থায় উপভোগের সাথে উত্তেজিত হয়ে বীর্য বের হওয়া। অনুরূপভাবে স্বপ্নদোষ হওয়ার পর বীর্য নির্গত হওয়া।
২- লিঙ্গকে নারীদের লজ্জাস্থানে প্রবেশ করানো। যদিও তাতে বীর্য বের না হয়। কারণ, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«إذَا قَعَدَ بَيْنَ شُعَبِهَا الْأَرْبَعِ، ثُمَّ مَسَّ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ» [ رواه مسلم ].
“যখন কোনো ব্যক্তি স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে, অতঃপর খতনার স্থান খতনার স্থানকে স্পর্শ করে, তাহলেই গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়।” [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]।
এখানে এক খতনার স্থান অপর খতনার স্থানকে স্পর্শ করার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো প্রবেশ করানো।
৩- হায়েয ও নিফাসের রক্তস্রাব বন্ধ হওয়া।
- যার ওপর গোসল ফরয: সে ছোট নাপাকী অবস্থায় যে সব আমল থেকে বিরত থাকবে বড় নাপাকী অবস্থায়ও সে সব কর্ম থেকে বিরত থাকবে। তবে তাকে আরো যা করতে হবে তা হলো কুরআন পাঠ থেকে বিরত থাকতে হবে। তবে ঋতুবতী ও প্রসূতি মহিলার কুরআন স্পর্শ করা ছাড়া তা তিলাওয়াত করা বৈধ। বড় নাপাকীতে নাপাক ব্যক্তির জন্য মসজিদে বসা বৈধ নয়।[ [যখন গোসল ফরয হওয়া ব্যক্তি ওযূ করে তখন তার জন্য মসজিদে বসা বৈধ। কিন্তু ঋতুবতী ও প্রসূতি নারীদের জন্য মসজিদে বসা বৈধ নয়। তবে সবার জন্য মসজিদ দিয়ে অতিক্রম করা বৈধ।]]
ঋতুবতী ও প্রসূতি নারীদের সঙ্গে যেমনিভাবে সহবাস করা এবং তালাক দেওয়া বৈধ নয় অনুরূপভাবে তাদের ওপর সাওম ও সালাত হারাম। তবে তারা সাওম কাজা করবে; কিন্তু সালাত কাজা করবে না।
হে আল্লাহ আপনি আমাদের তাদের দলভুক্ত করুন যারা কথা শোনে এবং সুন্দর কথার অনুসরণ করে। এতটুকুতে যথেষ্ট করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবর্তী দারসে বিশুদ্ধভাবে গোসলের পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করব।
গোসল ফরয হওয়ার কারণসমূহ সম্পর্কে। আর তা হলো:
১- জাগ্রত অবস্থায় উপভোগের সাথে উত্তেজিত হয়ে বীর্য বের হওয়া। অনুরূপভাবে স্বপ্নদোষ হওয়ার পর বীর্য নির্গত হওয়া।
২- লিঙ্গকে নারীদের লজ্জাস্থানে প্রবেশ করানো। যদিও তাতে বীর্য বের না হয়। কারণ, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«إذَا قَعَدَ بَيْنَ شُعَبِهَا الْأَرْبَعِ، ثُمَّ مَسَّ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ» [ رواه مسلم ].
“যখন কোনো ব্যক্তি স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে, অতঃপর খতনার স্থান খতনার স্থানকে স্পর্শ করে, তাহলেই গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়।” [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]।
এখানে এক খতনার স্থান অপর খতনার স্থানকে স্পর্শ করার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো প্রবেশ করানো।
৩- হায়েয ও নিফাসের রক্তস্রাব বন্ধ হওয়া।
- যার ওপর গোসল ফরয: সে ছোট নাপাকী অবস্থায় যে সব আমল থেকে বিরত থাকবে বড় নাপাকী অবস্থায়ও সে সব কর্ম থেকে বিরত থাকবে। তবে তাকে আরো যা করতে হবে তা হলো কুরআন পাঠ থেকে বিরত থাকতে হবে। তবে ঋতুবতী ও প্রসূতি মহিলার কুরআন স্পর্শ করা ছাড়া তা তিলাওয়াত করা বৈধ। বড় নাপাকীতে নাপাক ব্যক্তির জন্য মসজিদে বসা বৈধ নয়।[ [যখন গোসল ফরয হওয়া ব্যক্তি ওযূ করে তখন তার জন্য মসজিদে বসা বৈধ। কিন্তু ঋতুবতী ও প্রসূতি নারীদের জন্য মসজিদে বসা বৈধ নয়। তবে সবার জন্য মসজিদ দিয়ে অতিক্রম করা বৈধ।]]
ঋতুবতী ও প্রসূতি নারীদের সঙ্গে যেমনিভাবে সহবাস করা এবং তালাক দেওয়া বৈধ নয় অনুরূপভাবে তাদের ওপর সাওম ও সালাত হারাম। তবে তারা সাওম কাজা করবে; কিন্তু সালাত কাজা করবে না।
হে আল্লাহ আপনি আমাদের তাদের দলভুক্ত করুন যারা কথা শোনে এবং সুন্দর কথার অনুসরণ করে। এতটুকুতে যথেষ্ট করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবর্তী দারসে বিশুদ্ধভাবে গোসলের পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করব।