১
মজলিসের সৌরভ
লেখকঃ তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪০
সেজদা সাহুর বিধান (২)
সেজদা সাহুর বিধান সম্পর্কে যে আলোচনা আমরা শুরু করেছি তা আমরা চালিয়ে যাব। এ দারসে আমরা আলোচনা করব:
- সেজদা সাহুর কারণসমূহ হতে দ্বিতীয় কারণ সম্পর্কে। আর তা হলো সন্দেহ এবং দুটি বিষয়ের মাঝে ঘুরপাক খাওয়া।
- যদি তার ধারণায় কোনো একটি প্রাধান্য পায় তখন সে অনুযায়ী আমল করবে এবং সালামের পর সেজদা সাহু আদায় করবে, আর যদি সালামের পূর্বে সেজদা করে তাতে কোনো অসুবিধা নাই।
যেহেতু আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«إذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ فَلْيَتَحَرَّ الصَّوَابَ فَلْيُتِمَّ عَلَيْهِ ثُمَّ يُسَلِّمْ ثُمَّ يَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ» [ متفق عليه ].
তোমাদের কেউ সালাত সম্বন্ধে সন্দেহে পতিত হলে সে যেন নিঃসন্দেহ হবার চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করে। অতঃপর যেন সালাম ফিরিয়ে দু’টি সাজদাহ দেয়।” [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)]।
- যদি তার নিকট কোনো একটি প্রাধন্য না পায়, তখন সে নিশ্চিতটি ধরে আমল করবে, আর তা হলো দুটি কাজের মধ্যে কমটি। সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করবে। অতঃপর যেন সালাম ফিরিয়ে দু’টি সাজদাহ দেয়।
এর প্রমাণ হলো, আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إذا شَكَّ أحدُكُم في صلاتِهِ فلم يَدرِ كَم صلَّى؟ ثلاثًا أمْ أربعًا؟ فليطرَحِ الشَّكَّ وليبنِ على ما استيقنَ، ثمَّ يسجُدُ سجدتينِ قبلَ أن يسلِّمَ، فإن كانَ صلَّى خَمسًا، شفَعنَ لَه صلاتَه، وإن كانَ صلَّى إتمامًا لأربعٍ، كانتَا تَرغيمًا للشَّيطانِ» [ صححه الألباني ].
তোমাদের কারো সালাতে যদি সন্দেহ হয়—কত রাকা‘আত পড়ছে তিন নাকি চার তা জানে না, সে যেন সন্দেহ পরিহার করে প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে। তারপর সালামের পূর্বে দু’টি (সাহু) সাজদাহ করবে। যদি সে পাঁচ রাকা‘আত পড়ে থাকে তাহলে তা তার সালাতকে জোড় করবে। আর যদি সালাত চার রাকা‘আত পূর্ণ করার জন্য আদায় করে থাকে, তাহলে সাজদাহ দু’টি হবে শয়তানের জন্য নাকে খত দেয়ার মত অপ্রীতিকর।” [আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন]।
- ইবাদাতে সন্দেহ হলে নিম্নের দুই অবস্থায় কোনো ভ্রুক্ষেপ করবে না:
১। যদি ইবাদত শেষ করার পরে হয় তখন তার প্রতি কোনো ভ্রুক্ষেপ করা যাবে না। তবে যদি বিষয়টি নিশ্চিত হয়, তখন বিশ্বাস অনুযায়ী আমল করবে।
২। যখন কোনো মানুষের বেশি বেশি সন্দেহ হয়। যেমন, যখনই কোনো ইবাদত করে তাতে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। তখন তার দিকে ভ্রুক্ষেপ করা যাবে না।
আল্লাহ তাআলা আমাদের ইলন, হিদায়াত ও তাওফীককে বাড়িয়ে দিন। এতটুকু আলোচনাতে যথেষ্ট করছি। পরবর্তী দারসে সেজদা সাহুর কারণসমূহ হতে তিন নম্বর কারণ অর্থাৎ সালাতে কম করা সম্পর্কে আলোচনা করব।
- সেজদা সাহুর কারণসমূহ হতে দ্বিতীয় কারণ সম্পর্কে। আর তা হলো সন্দেহ এবং দুটি বিষয়ের মাঝে ঘুরপাক খাওয়া।
- যদি তার ধারণায় কোনো একটি প্রাধান্য পায় তখন সে অনুযায়ী আমল করবে এবং সালামের পর সেজদা সাহু আদায় করবে, আর যদি সালামের পূর্বে সেজদা করে তাতে কোনো অসুবিধা নাই।
যেহেতু আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«إذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ فَلْيَتَحَرَّ الصَّوَابَ فَلْيُتِمَّ عَلَيْهِ ثُمَّ يُسَلِّمْ ثُمَّ يَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ» [ متفق عليه ].
তোমাদের কেউ সালাত সম্বন্ধে সন্দেহে পতিত হলে সে যেন নিঃসন্দেহ হবার চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করে। অতঃপর যেন সালাম ফিরিয়ে দু’টি সাজদাহ দেয়।” [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)]।
- যদি তার নিকট কোনো একটি প্রাধন্য না পায়, তখন সে নিশ্চিতটি ধরে আমল করবে, আর তা হলো দুটি কাজের মধ্যে কমটি। সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করবে। অতঃপর যেন সালাম ফিরিয়ে দু’টি সাজদাহ দেয়।
এর প্রমাণ হলো, আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إذا شَكَّ أحدُكُم في صلاتِهِ فلم يَدرِ كَم صلَّى؟ ثلاثًا أمْ أربعًا؟ فليطرَحِ الشَّكَّ وليبنِ على ما استيقنَ، ثمَّ يسجُدُ سجدتينِ قبلَ أن يسلِّمَ، فإن كانَ صلَّى خَمسًا، شفَعنَ لَه صلاتَه، وإن كانَ صلَّى إتمامًا لأربعٍ، كانتَا تَرغيمًا للشَّيطانِ» [ صححه الألباني ].
তোমাদের কারো সালাতে যদি সন্দেহ হয়—কত রাকা‘আত পড়ছে তিন নাকি চার তা জানে না, সে যেন সন্দেহ পরিহার করে প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে। তারপর সালামের পূর্বে দু’টি (সাহু) সাজদাহ করবে। যদি সে পাঁচ রাকা‘আত পড়ে থাকে তাহলে তা তার সালাতকে জোড় করবে। আর যদি সালাত চার রাকা‘আত পূর্ণ করার জন্য আদায় করে থাকে, তাহলে সাজদাহ দু’টি হবে শয়তানের জন্য নাকে খত দেয়ার মত অপ্রীতিকর।” [আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন]।
- ইবাদাতে সন্দেহ হলে নিম্নের দুই অবস্থায় কোনো ভ্রুক্ষেপ করবে না:
১। যদি ইবাদত শেষ করার পরে হয় তখন তার প্রতি কোনো ভ্রুক্ষেপ করা যাবে না। তবে যদি বিষয়টি নিশ্চিত হয়, তখন বিশ্বাস অনুযায়ী আমল করবে।
২। যখন কোনো মানুষের বেশি বেশি সন্দেহ হয়। যেমন, যখনই কোনো ইবাদত করে তাতে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। তখন তার দিকে ভ্রুক্ষেপ করা যাবে না।
আল্লাহ তাআলা আমাদের ইলন, হিদায়াত ও তাওফীককে বাড়িয়ে দিন। এতটুকু আলোচনাতে যথেষ্ট করছি। পরবর্তী দারসে সেজদা সাহুর কারণসমূহ হতে তিন নম্বর কারণ অর্থাৎ সালাতে কম করা সম্পর্কে আলোচনা করব।