১
মজলিসের সৌরভ
লেখকঃ তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬০
খাবারের আদবসমূহ
এ দারসে আমরা খাবারের আদব সম্পর্কে আলোচনা করব। আর তা হলো,
- খাবারের আগে বিছমিল্লাহ বলা, ডান হাতে খাওয়া, নিজের সামনের দিক থেকে খাওয়া। উমার ইবন আবী সালামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বাল্যকালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তত্ত্বাবধানে ছিলাম। আর আমার হাত খাবার পাত্রে ছুটাছুটি করছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন,
«يَا غُلَامُ : سَمِّ الله ، وَكُلْ بِيَمِينِك، وَكُلُّ مِمَّا يَلِيك» [ متفق عليه ]
“ওহে কিশোর! ‘বিসমিল্লাহ’ বলে ডান হাতে খাও এবং তোমার সামনে থেকে খাও।” [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)]
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ طَعَامًا فَلْيَقُلْ بِسْمِ الله فَإِنْ نَسِيَ فِي أَوَّلِهِ فَلْيَقُلْ بِسْمِ الله فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ» [ رواه الترمذي وصححه الألباني ]
“যখন তোমাদের কেউ খাবার খায় তখন সে যেন বিছমিল্লাহ বলে, যদি শুরুতে বিছমিল্লাহ বলতে ভুলে যায় তখন সে বলবে بِسْمِ الله فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ (বিছমিল্রাহি শুরুতে এবং শেষে)।” [বর্ণনায় তিরমিযী। আলবানী এটিকে সহীহ বলেছেন]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لا يَأْكُلَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ بِشِمَالِهِ، وَلَا يَشْرَبَنَّ بِهَا، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَأْكُلُ بِشِمَالِهِ وَيَشْرَبُ بِهَا» [ رواه مسلم ].
“তোমাদের কেউ যেন বাম হাত দ্বারা না খায় এবং পান না করে। কারণ, শয়তান বাম হাতে খায় এবং বাম হাত দিয়ে পান করে।” [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]
- খাওয়ার আদাব হলো, খাদ্যের দুর্নাম না করা। কারণ, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«مَا عَابَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم طَعَامًا قَطُّ، إنْ اشْتَهَاهُ أَكَلَهُ، وَإِنْ كَرِهَهُ تَرَكَهُ» [ متفق عليه ]
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো কোনো খাবারের দোষ-ত্রুটি বলেন নি। ভালো লাগলে তিনি খেতেন আর খারাপ লাগলে বর্জন করতেন।” [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)]
- খাওয়ারে দোষ ধরার অন্তর্ভুক্ত হলো এ কথা বলা, খাবারটি টক, নোনতা, লবনের পরিমাণ কম, পাক হয়নি ইত্যাদি।
- খাবারের আরেকটি আদব: পড়ে যাওয়া লোকমা থেকে ময়ল পরিস্কার করে তারপর তা খাওয়া। কারণ, আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِذَا سَقَطَتْ لُقْمَةُ أَحَدِكُمْ فَلْيُمِطْ عَنْهَا الْأَذَى وَلْيَأْكُلْهَا وَلَا يَدَعْهَا لِلشَّيْطَان» [ رواه مسلم ].
“যখন তোমাদের কারো লোকমা পড়ে যায়, সে যেন তা থেকে ময়লা দূর করে এবং তা খেয়ে ফেলে। আর তা যেন শয়তানের জন্য রেখে না দেয়।” [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]
- খাবারের আরেকটি আদব হলো, খাওয়ার মাঝে হেলান না দেয়া। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لا آكُلُ وأنا مُتَّكِئ» [ رواه البخاري ].
“আমি হেলান দেয়া অবস্থায় খাই না।” [এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন]
- বসে পান করা মুস্তাহাব এবং তিনবার করে পান করা মুস্তাহাব। কারণ, আনাস রাদিয়াল্লাহ আনহু বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন,
«كَانَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم يَتَنَفَّسُ فِي الشَّرَابِ ثَلَاثًا، وَيَقُولُ : إِنَّهُ أَرْوَى، وَأَبْرَأُ، وَأَمْرَأُ» [ رواه مسلم ].
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান করার সময় তিনবার শ্বাস নিতেন। আর বলতেন, এটি বেশি তিপ্তি দায়ক, অধিক নিরাপদ এবং সুন্দর গলাধঃকরণ।”[ [আরওয়া অর্থ অধিক তৃপ্তিদায়ক, আর আবরায়ু অর্থ, তৃষ্ণা থেকে মুক্তিদায়ক বা রোগ থেকে মুক্তিদায়ক আর আমরান অর্থ সুন্দর গলাধঃকরণ।]] [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]।
- পাত্রের ভিতরে শ্বাস ফেলবে না। কারণ, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِذَا شَرِبَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَتَنَفَّسْ فِي الْإِنَاءِ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَعُودَ فَلْيُنَحِّ الْإِنَاءَ، ثُمَّ لِيَعُدْ إِنْ كَانَ يُرِيد» [ رواه ابن ماجه ].
“যখন তোমাদের কেউ পান করে সে যেন পানির পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলে, যদি সে ফিরে আসতে চায় তাহলে সে যেন পাত্রকে দূরে সরায়, তারপর আবার ফিরিয়ে আনবে যদি সে চায়।” [ইবন মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন]।
- আল্লাহ তাআলা অপচয় করতে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ বলেন,
وَكُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ [ الأعراف : 31].
“তোমরা অপচয় করো না। নিশ্চয় তিনি অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না।” [আল-আরাফ: ৩১]
- খাবার শেষ হলে সুন্নাত হলো, হাদীসে বর্ণিত আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান বিশিষ্ট জিকির">দোয়া পাঠ করবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দস্তরখান উঠানোর পর বলতেন,
«الْحَمْدُ لِله حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ غَيْرَ مَكْفِيٍّ وَلا مُوَدَّعٍ وَلا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبَّنَا» [ رواه البخاري ].
“সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য, অসংখ্য অগণিত পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা। কেউ তার বিনিময়দাতা নেই এবং তা পরিত্যক্ত নয় [ [আর ( غير مَكْفِيّ ) অর্থ, তার নেয়ামাতের ওপর তাকে কেউ বিনিময় দানে সক্ষম নয়। আবার কেউ কেউ বলেন, তিনি ছাড়া তার বান্দাদের রিযিকের জন্য আর কেউ যথেষ্ট নয়। আর তার কথা ( وَلا مُوَدَّع ) এর অর্থ হলো, পরিত্যক্ত নয়।]] আর কেউ তার থেকে অমুখাপেক্ষী নয় হে আমাদের রব।” [এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন]
এতটুকুতে যথেষ্ট করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবতী দারসে আমরা মুসলিম নর ও নারীদের পোশাকের বিধান সম্পর্কে আলোচনা করব।
- খাবারের আগে বিছমিল্লাহ বলা, ডান হাতে খাওয়া, নিজের সামনের দিক থেকে খাওয়া। উমার ইবন আবী সালামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বাল্যকালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তত্ত্বাবধানে ছিলাম। আর আমার হাত খাবার পাত্রে ছুটাছুটি করছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন,
«يَا غُلَامُ : سَمِّ الله ، وَكُلْ بِيَمِينِك، وَكُلُّ مِمَّا يَلِيك» [ متفق عليه ]
“ওহে কিশোর! ‘বিসমিল্লাহ’ বলে ডান হাতে খাও এবং তোমার সামনে থেকে খাও।” [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)]
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ طَعَامًا فَلْيَقُلْ بِسْمِ الله فَإِنْ نَسِيَ فِي أَوَّلِهِ فَلْيَقُلْ بِسْمِ الله فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ» [ رواه الترمذي وصححه الألباني ]
“যখন তোমাদের কেউ খাবার খায় তখন সে যেন বিছমিল্লাহ বলে, যদি শুরুতে বিছমিল্লাহ বলতে ভুলে যায় তখন সে বলবে بِسْمِ الله فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ (বিছমিল্রাহি শুরুতে এবং শেষে)।” [বর্ণনায় তিরমিযী। আলবানী এটিকে সহীহ বলেছেন]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لا يَأْكُلَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ بِشِمَالِهِ، وَلَا يَشْرَبَنَّ بِهَا، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَأْكُلُ بِشِمَالِهِ وَيَشْرَبُ بِهَا» [ رواه مسلم ].
“তোমাদের কেউ যেন বাম হাত দ্বারা না খায় এবং পান না করে। কারণ, শয়তান বাম হাতে খায় এবং বাম হাত দিয়ে পান করে।” [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]
- খাওয়ার আদাব হলো, খাদ্যের দুর্নাম না করা। কারণ, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«مَا عَابَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم طَعَامًا قَطُّ، إنْ اشْتَهَاهُ أَكَلَهُ، وَإِنْ كَرِهَهُ تَرَكَهُ» [ متفق عليه ]
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো কোনো খাবারের দোষ-ত্রুটি বলেন নি। ভালো লাগলে তিনি খেতেন আর খারাপ লাগলে বর্জন করতেন।” [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)]
- খাওয়ারে দোষ ধরার অন্তর্ভুক্ত হলো এ কথা বলা, খাবারটি টক, নোনতা, লবনের পরিমাণ কম, পাক হয়নি ইত্যাদি।
- খাবারের আরেকটি আদব: পড়ে যাওয়া লোকমা থেকে ময়ল পরিস্কার করে তারপর তা খাওয়া। কারণ, আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِذَا سَقَطَتْ لُقْمَةُ أَحَدِكُمْ فَلْيُمِطْ عَنْهَا الْأَذَى وَلْيَأْكُلْهَا وَلَا يَدَعْهَا لِلشَّيْطَان» [ رواه مسلم ].
“যখন তোমাদের কারো লোকমা পড়ে যায়, সে যেন তা থেকে ময়লা দূর করে এবং তা খেয়ে ফেলে। আর তা যেন শয়তানের জন্য রেখে না দেয়।” [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]
- খাবারের আরেকটি আদব হলো, খাওয়ার মাঝে হেলান না দেয়া। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لا آكُلُ وأنا مُتَّكِئ» [ رواه البخاري ].
“আমি হেলান দেয়া অবস্থায় খাই না।” [এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন]
- বসে পান করা মুস্তাহাব এবং তিনবার করে পান করা মুস্তাহাব। কারণ, আনাস রাদিয়াল্লাহ আনহু বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন,
«كَانَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم يَتَنَفَّسُ فِي الشَّرَابِ ثَلَاثًا، وَيَقُولُ : إِنَّهُ أَرْوَى، وَأَبْرَأُ، وَأَمْرَأُ» [ رواه مسلم ].
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান করার সময় তিনবার শ্বাস নিতেন। আর বলতেন, এটি বেশি তিপ্তি দায়ক, অধিক নিরাপদ এবং সুন্দর গলাধঃকরণ।”[ [আরওয়া অর্থ অধিক তৃপ্তিদায়ক, আর আবরায়ু অর্থ, তৃষ্ণা থেকে মুক্তিদায়ক বা রোগ থেকে মুক্তিদায়ক আর আমরান অর্থ সুন্দর গলাধঃকরণ।]] [মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]।
- পাত্রের ভিতরে শ্বাস ফেলবে না। কারণ, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِذَا شَرِبَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَتَنَفَّسْ فِي الْإِنَاءِ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَعُودَ فَلْيُنَحِّ الْإِنَاءَ، ثُمَّ لِيَعُدْ إِنْ كَانَ يُرِيد» [ رواه ابن ماجه ].
“যখন তোমাদের কেউ পান করে সে যেন পানির পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলে, যদি সে ফিরে আসতে চায় তাহলে সে যেন পাত্রকে দূরে সরায়, তারপর আবার ফিরিয়ে আনবে যদি সে চায়।” [ইবন মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন]।
- আল্লাহ তাআলা অপচয় করতে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ বলেন,
وَكُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ [ الأعراف : 31].
“তোমরা অপচয় করো না। নিশ্চয় তিনি অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না।” [আল-আরাফ: ৩১]
- খাবার শেষ হলে সুন্নাত হলো, হাদীসে বর্ণিত আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান বিশিষ্ট জিকির">দোয়া পাঠ করবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দস্তরখান উঠানোর পর বলতেন,
«الْحَمْدُ لِله حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ غَيْرَ مَكْفِيٍّ وَلا مُوَدَّعٍ وَلا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبَّنَا» [ رواه البخاري ].
“সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য, অসংখ্য অগণিত পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা। কেউ তার বিনিময়দাতা নেই এবং তা পরিত্যক্ত নয় [ [আর ( غير مَكْفِيّ ) অর্থ, তার নেয়ামাতের ওপর তাকে কেউ বিনিময় দানে সক্ষম নয়। আবার কেউ কেউ বলেন, তিনি ছাড়া তার বান্দাদের রিযিকের জন্য আর কেউ যথেষ্ট নয়। আর তার কথা ( وَلا مُوَدَّع ) এর অর্থ হলো, পরিত্যক্ত নয়।]] আর কেউ তার থেকে অমুখাপেক্ষী নয় হে আমাদের রব।” [এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন]
এতটুকুতে যথেষ্ট করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবতী দারসে আমরা মুসলিম নর ও নারীদের পোশাকের বিধান সম্পর্কে আলোচনা করব।