১
মজলিসের সৌরভ
লেখকঃ তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
কিতাবসমূহের ওপর ঈমান
এ দারসে ঈমানের রুকনসমূহ হতে তৃতীয় রুকন অর্থাৎ কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান আনা বিষয়ে আলোচনা করব। আর তা হচ্ছে:
কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান: যেমন হিদায়াত অন্বেষীদের হিদায়াতের জন্য এবং জগতের ওপর দলীলস্বরূপ আল্লাহ তার স্বীয় রাসূলগণের ওপর যে সব কিতাব নাযিল করেছেন তার প্রতি আমাদের ঈমান আনা।
- বিশেষভাবে আল্লাহ আমাদের জন্য যে সব কিতাবের নাম উল্লেখ করেছেন। যেমন, তাওরাত যেটি আল্লাহ মূসা আলাইহিস সালামের ওপর নাযিল করেছেন, ইন্জিল যেটি আল্লাহ ঈসা আলাইহিস সালামের ওপর নাযিল করেছেন, যাবূর যেটি আল্লাহ দাউদ আলাইহিস সালামের ওপর নাযিল করেছেন এবং কুরআন যেটি আল্লাহ শেষ নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের ওপর নাযিল করেছেন। মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেন,
قُولُوا آمَنَّا بِالله وَمَا أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ إِلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَىٰ وَعِيسَىٰ وَمَا أُوتِيَ النَّبِيُّونَ مِن رَبِّهِم [ البقرة : 136].
“তোমরা বল, ‘আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি এবং যা আমাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে, এবং যা ইবরাহীম, ইসমা’ঈল, ইসহাক, ইয়া’কূব ও তার বংশধরদের প্রতি করা নাযিল হয়েছে এবং যা মূসা, ঈসা ও অন্যান্য নবীগণকে তাদের রব-এর নিকট হতে দেয়া হয়েছে।” [আল বাকারাহ: ১৩৬]
- আল-কুরআনুল কারীম হলো আসমানী কিতাবসমূহের সর্বশেষ কিতাব। এটি পূর্বে অবতীর্ণ সকল আসমানী কিতাবসমূহের রহিতকারী। মহান আল্লাহ বলেন,
وَأَنزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ الْكِتَابِ وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ [ المائدة : 48]
“আর আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি যথাযথভাবে, এর পূর্বের কিতাবের সত্যায়নকারী ও তার উপর তদারককারীরূপে।” [আল-মায়িদাহ: ৪৮]
আল্লাহর বাণী ( وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ ) দাবি করে যে, আল-কুরআনুল কারীম পূর্বের সব কিতাবের ওপর ফায়সালাকারী এবং ক্ষমতা কেবল তারই। এটি তার পূর্বের সব কিতাবের রহিতকারী।
- মুসলিমের ওপর ওয়াজিব হল, আল্লাহর কিতাবের হালালকে হালাল ও হারামকে হারাম জেনে, তার কাহিনী ও দৃষ্টান্তসমূহ হতে উপদেশ গ্রহণ করে, তার দাবি অনুযায়ী আমল করে, যথাযথভাবে তার তিলাওয়াত করে ও তার ওপর থেকে প্রতিহত করার মাধ্যমে আল্লাহর কিতাবের সম্মান করা ও তার কল্যাণকামী হওয়া।
আল্লাহ আমাদেরকে তার কিতাবের বুঝ এবং তার দাবি অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন। এটুকুতে যথেষ্ট করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবর্তী দারসে ঈমানের রুকনসমূহ হতে চতুর্থ রুকন অর্থাৎ রাসূলদের প্রতি ঈমান আনা সম্পর্কে আলোচনা করব।
কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান: যেমন হিদায়াত অন্বেষীদের হিদায়াতের জন্য এবং জগতের ওপর দলীলস্বরূপ আল্লাহ তার স্বীয় রাসূলগণের ওপর যে সব কিতাব নাযিল করেছেন তার প্রতি আমাদের ঈমান আনা।
- বিশেষভাবে আল্লাহ আমাদের জন্য যে সব কিতাবের নাম উল্লেখ করেছেন। যেমন, তাওরাত যেটি আল্লাহ মূসা আলাইহিস সালামের ওপর নাযিল করেছেন, ইন্জিল যেটি আল্লাহ ঈসা আলাইহিস সালামের ওপর নাযিল করেছেন, যাবূর যেটি আল্লাহ দাউদ আলাইহিস সালামের ওপর নাযিল করেছেন এবং কুরআন যেটি আল্লাহ শেষ নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের ওপর নাযিল করেছেন। মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেন,
قُولُوا آمَنَّا بِالله وَمَا أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ إِلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَىٰ وَعِيسَىٰ وَمَا أُوتِيَ النَّبِيُّونَ مِن رَبِّهِم [ البقرة : 136].
“তোমরা বল, ‘আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি এবং যা আমাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে, এবং যা ইবরাহীম, ইসমা’ঈল, ইসহাক, ইয়া’কূব ও তার বংশধরদের প্রতি করা নাযিল হয়েছে এবং যা মূসা, ঈসা ও অন্যান্য নবীগণকে তাদের রব-এর নিকট হতে দেয়া হয়েছে।” [আল বাকারাহ: ১৩৬]
- আল-কুরআনুল কারীম হলো আসমানী কিতাবসমূহের সর্বশেষ কিতাব। এটি পূর্বে অবতীর্ণ সকল আসমানী কিতাবসমূহের রহিতকারী। মহান আল্লাহ বলেন,
وَأَنزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ الْكِتَابِ وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ [ المائدة : 48]
“আর আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি যথাযথভাবে, এর পূর্বের কিতাবের সত্যায়নকারী ও তার উপর তদারককারীরূপে।” [আল-মায়িদাহ: ৪৮]
আল্লাহর বাণী ( وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ ) দাবি করে যে, আল-কুরআনুল কারীম পূর্বের সব কিতাবের ওপর ফায়সালাকারী এবং ক্ষমতা কেবল তারই। এটি তার পূর্বের সব কিতাবের রহিতকারী।
- মুসলিমের ওপর ওয়াজিব হল, আল্লাহর কিতাবের হালালকে হালাল ও হারামকে হারাম জেনে, তার কাহিনী ও দৃষ্টান্তসমূহ হতে উপদেশ গ্রহণ করে, তার দাবি অনুযায়ী আমল করে, যথাযথভাবে তার তিলাওয়াত করে ও তার ওপর থেকে প্রতিহত করার মাধ্যমে আল্লাহর কিতাবের সম্মান করা ও তার কল্যাণকামী হওয়া।
আল্লাহ আমাদেরকে তার কিতাবের বুঝ এবং তার দাবি অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন। এটুকুতে যথেষ্ট করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবর্তী দারসে ঈমানের রুকনসমূহ হতে চতুর্থ রুকন অর্থাৎ রাসূলদের প্রতি ঈমান আনা সম্পর্কে আলোচনা করব।