১
মজলিসের সৌরভ
লেখকঃ তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
চামড়া, কাপড়ের মোজা ও এ জাতীয় বস্তুর ওপর মাসেহ করা
আমরা পবিত্রতার বিধান সম্পর্কীয় যে আলোচনা শুরু করেছিলাম তার ধারাবাহিকতায় আমরা এ পাঠে চামড়ার মোজা, কাপড়ের মোজা ও এ জাতীয় বস্তুর উপর মাসেহ করা সম্পর্কে আলোচনা করব। [ [খুফফ হলো চামড়া দ্বারা নির্মিত বস্তু যা মানুষ তার দুই পায়ে পরিধান করে থাকে। আর জাওরাব হলো, পশম, তুলা বা লীনেন বা কাপড় ইত্যাদি জাতীয় পোশাক যা মানুষ পায়ে পরিধান করে থাকে। আর এটি শাররাব নামে পরিচিত।]]
এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি ছাড় ও সুযোগ। এটি এ শরীআতের মধ্যে সহজীকরণের একটি নিদর্শন।
- মোজার ওপর মাসেহ করার জন্য পাঁচটি শর্ত রয়েছে-
১- মোজা পবিত্র হতে হবে। সুতরাং নাপাক মোজার ওপর মাসেহ করা শুদ্ধ হবে না।
২- বৈধ হতে হবে। সুতরাং যে মোজা ব্যবহার করা হারাম তার উপর মাসেহ করা বৈধ হবে না। যেমন, চুরি করা মোজা এবং পুরুষের জন্য রেশমী কাপড় দিয়ে বানানো মোজার ওপর মাসেহ করা বৈধ নয়।
৩- মোজাদ্বয় পবিত্রত অবস্থায় পরিধান করা।
৪- ছোট নাপাকির ক্ষেত্রে মাসেহ করবে। আর যদি বড় নাপাকী হয় তখন মোজা খোলা এবং দুই পা ধোয়া ওয়াজিব।
৫- মাসেহ শরীআত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হতে হবে। আর তা হলো মুকীমের জন্য এক দিন এক রাত (অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা) আর মুসাফিরের জন্য তিন দিন তিন রাত (অর্থাৎ৭২ ঘণ্টা)। মাসেহ করার সময় গণনা শুরু হবে ওযূ ভঙ্গের পর প্রথম মাসেহ করা থেকে।
- মোজার ওপর মাসেহ করার পদ্ধতি:
মোজার ওপরের অংশে মাসে করবে, যেমন দুই হাতের ভেজা আঙ্গুলগুলো দুই পায়ের আঙ্গুলগুলোর ওপর রাখবে। তারপর সে গুলোকে তার গোড়ালির শুরুর দিকে টানবে। আর মাসে একাধিকবার করবে না।
আমরা আল্লাহর নিকট দীনের বিষয়ে সঠিক বুঝ ও সাইয়্যেদুল মুরসালীনের সুন্নাতের অনুসরণ করা তাওফীক প্রার্থনা করছি। এতটুকুতে আলোচনাতে যথেষ্ঠ করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবর্তী পাঠে আমরা ওযূ ভঙ্গের কারণসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করব।
এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি ছাড় ও সুযোগ। এটি এ শরীআতের মধ্যে সহজীকরণের একটি নিদর্শন।
- মোজার ওপর মাসেহ করার জন্য পাঁচটি শর্ত রয়েছে-
১- মোজা পবিত্র হতে হবে। সুতরাং নাপাক মোজার ওপর মাসেহ করা শুদ্ধ হবে না।
২- বৈধ হতে হবে। সুতরাং যে মোজা ব্যবহার করা হারাম তার উপর মাসেহ করা বৈধ হবে না। যেমন, চুরি করা মোজা এবং পুরুষের জন্য রেশমী কাপড় দিয়ে বানানো মোজার ওপর মাসেহ করা বৈধ নয়।
৩- মোজাদ্বয় পবিত্রত অবস্থায় পরিধান করা।
৪- ছোট নাপাকির ক্ষেত্রে মাসেহ করবে। আর যদি বড় নাপাকী হয় তখন মোজা খোলা এবং দুই পা ধোয়া ওয়াজিব।
৫- মাসেহ শরীআত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হতে হবে। আর তা হলো মুকীমের জন্য এক দিন এক রাত (অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা) আর মুসাফিরের জন্য তিন দিন তিন রাত (অর্থাৎ৭২ ঘণ্টা)। মাসেহ করার সময় গণনা শুরু হবে ওযূ ভঙ্গের পর প্রথম মাসেহ করা থেকে।
- মোজার ওপর মাসেহ করার পদ্ধতি:
মোজার ওপরের অংশে মাসে করবে, যেমন দুই হাতের ভেজা আঙ্গুলগুলো দুই পায়ের আঙ্গুলগুলোর ওপর রাখবে। তারপর সে গুলোকে তার গোড়ালির শুরুর দিকে টানবে। আর মাসে একাধিকবার করবে না।
আমরা আল্লাহর নিকট দীনের বিষয়ে সঠিক বুঝ ও সাইয়্যেদুল মুরসালীনের সুন্নাতের অনুসরণ করা তাওফীক প্রার্থনা করছি। এতটুকুতে আলোচনাতে যথেষ্ঠ করছি। আল্লাহর ইচ্ছায় পরবর্তী পাঠে আমরা ওযূ ভঙ্গের কারণসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করব।