১
ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
তাঁর চরিত্র ছিল পবিত্র কোরআন। আল্লাহ ও তাঁর দীনের জন্য তিনি রাগান্বিত হতেন, আবার তাঁর কারণেই খুশি হতেন। ব্যক্তিগত কারণে কোনো প্রতিশোধ নিতেন না কিংবা রাগান্বিত হতেন না। কিন্তু যখনই দেখতেন আল্লাহ তাআলার কোনো সম্মান নষ্ট হচ্ছে, তখনই তিনি রাগান্বিত হতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বোত্তম সত্যবাদী ছিলেন। কোনো জিম্মা গ্রহণ করলে উত্তমভাবে তা আদায় করতেন। খুবই নরম ভাষাভাষী ছিলেন তিনি। পরিবারের লোকদের সাথে খুবই নম্র ব্যবহার করতেন। কুমারী মেয়েদের চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন। দৃষ্টি সর্বদা অবনত রাখতেন, আর চিন্তা ভাবনায় মশগুল থাকতেন। কখনও কোনো অশ্লীল কথা বলতেন না, কোনো অভিশাপ দিতেন না। খারাপ কাজকে খারাবী দ্বারা প্রতিরোধ করতেন না। বরঞ্চ ক্ষমা ও উত্তম দ্বারা সংশোধন করতে চেষ্টা করতেন। কেউ তাঁর নিকট কোন জিনিস চাইলে অবশ্যই তা দিতে চেষ্টা করতেন। অথবা নম্রভাবে অপারগতার কথা বুঝিয়ে বলতেন। তিনি না ছিলেন কর্কশ ভাষী, আর না কঠিন হৃদয়ের অধিকারী। কেউ কোনো কথা বলতে থাকলে, মাঝখানে থামিয়ে দিতেন না। যদি সে নাহক কিছু বলত, তখন তাকে নিষেধ করতেন অথবা নিজে উঠে দাঁড়াতেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা প্রতিবেশির হক আদায় করতেন। মেহমানদের মেহমানদারী ও সম্মান করতেন। এমন কোনো সময় ব্যয় করতেন না যা আল্লাহর জন্য হত না। আর যা না করলেই নয় তাই কেবল আদায় করতেন। হাঁচিকে পছন্দ করতেন, হাই তোলাকে অপছন্দ করতেন। যখন তার সামনে দুটি কাজ আসত তখন তার মধ্যে সহজটিকে গ্রহণ করতেন, যদি না তা পাপের কাজ হত। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করতে সচেষ্ট হতেন। অত্যাচারিতদের সাহায্য করতেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবিদের ভালবাসতেন, তাদের সাথে পরামার্শ করে কার্যাদি নির্বাহ করতেন। তাদের খোঁজ খবর রাখতেন। কেউ অসুস্থ হলে দেখেত যেতেন। কেউ অনুপস্থিত থাকলে আসতে বলতেন। কেউ মৃত্যুমুখে পতিত হলে তার জন্য জিকির">দোয়া করতেন। কেউ ওজর পেশ করলে তা কবুল করতেন। হক আদায়ের ব্যাপারে শক্তিশালী বা দুর্বল সকলেই তার নিকট এক সমান ছিল। যখন কোনো কথা বলতেন, তখন কেউ তা গণনা করতে চাইলে সহজেই সমর্থ হত। (কারণ তা হত শুদ্ধ ও ধীরে ধীরে)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও কখনও হাসি মজাক করতেন, কিন্তু তখনও তার পবিত্র মুখ হতে সত্য ছাড়া কিছুই বের হত না।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা প্রতিবেশির হক আদায় করতেন। মেহমানদের মেহমানদারী ও সম্মান করতেন। এমন কোনো সময় ব্যয় করতেন না যা আল্লাহর জন্য হত না। আর যা না করলেই নয় তাই কেবল আদায় করতেন। হাঁচিকে পছন্দ করতেন, হাই তোলাকে অপছন্দ করতেন। যখন তার সামনে দুটি কাজ আসত তখন তার মধ্যে সহজটিকে গ্রহণ করতেন, যদি না তা পাপের কাজ হত। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করতে সচেষ্ট হতেন। অত্যাচারিতদের সাহায্য করতেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবিদের ভালবাসতেন, তাদের সাথে পরামার্শ করে কার্যাদি নির্বাহ করতেন। তাদের খোঁজ খবর রাখতেন। কেউ অসুস্থ হলে দেখেত যেতেন। কেউ অনুপস্থিত থাকলে আসতে বলতেন। কেউ মৃত্যুমুখে পতিত হলে তার জন্য জিকির">দোয়া করতেন। কেউ ওজর পেশ করলে তা কবুল করতেন। হক আদায়ের ব্যাপারে শক্তিশালী বা দুর্বল সকলেই তার নিকট এক সমান ছিল। যখন কোনো কথা বলতেন, তখন কেউ তা গণনা করতে চাইলে সহজেই সমর্থ হত। (কারণ তা হত শুদ্ধ ও ধীরে ধীরে)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও কখনও হাসি মজাক করতেন, কিন্তু তখনও তার পবিত্র মুখ হতে সত্য ছাড়া কিছুই বের হত না।