১
ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
নেক কাজের আদেশ করা ও অন্যায় কাজে নিষেধ করা
নেক কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজে বাধা দান, এমন দুটি ভিত্তি যার উপর নির্ভর করে সমাজের সুষ্ঠতা। একাজ এই উম্মতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, তোমাদের বের করা হয়েছে মানবজাতির কল্যাণের জন্য । তোমরা নেক কাজের আদেশ দিবে আর অন্যায় কাজে নিষেধ করবে, আর আল্লাহর উপর ঈমান আনায়ন করবে। (সূরা আলে ইমরান : ১১০ )
সুতরাং আমরা যদি নেক কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজে নিষেধ করা হতে বিরত থাকি, তবে সমাজ নষ্ট হয়ে যাবে। চরিত্রের অধ:পতন হবে। লেন-দেন ও মোয়ামালাতের ক্ষেত্রে ইনসাফের অবনতি ঘটবে এবং এ রকম আরো অনেক ক্ষতি হবে। নেক কাজের আদেশ দেয়া, আর অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করা কোনো ব্যক্তি বিশেষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা সামার্থ ও ইলম অনুযায়ী নারী-পুরুষ, আলেম-অনালেম নির্বিশেষে সকল মুসলিমের উপরই ওয়াজিব।
রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
مَنْ رأى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغيِّرْهُ بِيَدِهِ فَاِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهَِ فَاِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أضْعَفُ الايْمَانِ ( رواه مسلم )
তোমাদের মধ্যে যদি কেউ কোনো খারাপ কাজ হতে দেখে, তবে সে যেন তা শক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করে, যদি তাতে সামর্থ না হয় তবে যেন মুখ দিয়ে প্রতিবাদ করে, যদি তাও না পারে তবে যেন অন্তর দিয়ে (ঘৃণা) করে। আর এটি ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর। (সহিহ মুসলিম)
আল্লাহ তাআলা বলেন:
তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, তোমাদের বের করা হয়েছে মানবজাতির কল্যাণের জন্য । তোমরা নেক কাজের আদেশ দিবে আর অন্যায় কাজে নিষেধ করবে, আর আল্লাহর উপর ঈমান আনায়ন করবে। (সূরা আলে ইমরান : ১১০ )
সুতরাং আমরা যদি নেক কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজে নিষেধ করা হতে বিরত থাকি, তবে সমাজ নষ্ট হয়ে যাবে। চরিত্রের অধ:পতন হবে। লেন-দেন ও মোয়ামালাতের ক্ষেত্রে ইনসাফের অবনতি ঘটবে এবং এ রকম আরো অনেক ক্ষতি হবে। নেক কাজের আদেশ দেয়া, আর অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করা কোনো ব্যক্তি বিশেষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা সামার্থ ও ইলম অনুযায়ী নারী-পুরুষ, আলেম-অনালেম নির্বিশেষে সকল মুসলিমের উপরই ওয়াজিব।
রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
مَنْ رأى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغيِّرْهُ بِيَدِهِ فَاِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهَِ فَاِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أضْعَفُ الايْمَانِ ( رواه مسلم )
তোমাদের মধ্যে যদি কেউ কোনো খারাপ কাজ হতে দেখে, তবে সে যেন তা শক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করে, যদি তাতে সামর্থ না হয় তবে যেন মুখ দিয়ে প্রতিবাদ করে, যদি তাও না পারে তবে যেন অন্তর দিয়ে (ঘৃণা) করে। আর এটি ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর। (সহিহ মুসলিম)