১
ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
কাপড় দ্বারা শরীর আবৃত করা ও পর্দা করা
১। বাল্য কাল হতেই মেয়েদের শরীর আবৃত করার জন্য উৎসাহিত করতে হবে। যাতে বালেগ হওয়ার সাথে সাথে তারা এর উপর আরো মজবুত হয়ে চলতে পারে। তাদেরকে কখনও ছোট জামা পরিধান করানো ঠিক নয়। কিংবা প্যান্ট-সার্ট এককভাবে কোনোটাই পরাতে নেই। কারণ ওগুলো অমুসলিম ও পুরুষদের জন্য নির্ধারিত পোষাক। এ কারণে অন্যান্য যুবকরা ফিৎনা ও ধোকায় পতিত হতে পারে।
যখনই তাদের বয়স সাত বছর অতিক্রম করবে তখন থেকেই সর্বদা তাকে রুমাল কিংবা উড়না জাতীয় কাপড় দ্বারা মস্তক আবৃত করার জন্য হুকুম করতে হবে । তারপর যখন বালেগ (প্রাপ্ত বয়স্কা) হবে, তখন মুখ মন্ডল ঢাকার ব্যাপারে উৎসাহিত করতে হবে। আর এমন বোরখা পরিধান করাতে হবে, যা হবে লম্বা ও ঢিলেঢালা। এবং যা তার সম্মানের হিফাজত করবে।
পবিত্র কোরআন মুমিনদের পর্দা করার জন্য এই বলে উৎসাহিত করছে,
(আরবি)
হে নবী, তুমি তোমার স্ত্রীদেরকে, কন্যাদেরকে ও মুমিনদের নারীদেরকে বল, তারা যেন তাদের জিলবাবের (জিলবাব হচ্ছে এমন পোষাক যা পুরো শরীরকে আচ্ছাদিত করে) কিছু অংশ নিজেদের উপর ঝুলিয়ে দেয়, তাদেরকে চেনার ব্যাপারে এটাই সবচেয়ে কাছাকাছি পন্থা হবে। ফলে তাদেরকে কষ্ট দেয়া হবে না। (সূরা আহযাব : ৫৯)
আল্লাহ তাআলা মুমিন নারীদেরকে ঘরের বাইরে ঘুরাফিরা ও বিনা পর্দায় চলাফেরা করতে নিষেধ করে বলেন:
(আরবি)
এবং প্রাক- জাহেলি যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। (সূরা আহযাব : ৩৩)
২। সন্তানদের এই উপদেশ দিতে হবে যে, পুরুষরা পুরুষদের পোষাক ও মহিলারা মহিলাদের পোষাক পরিধান করবে, যাতে তাদের প্রত্যেককে আলাদা করে পার্থক্য করা যায় ও চেনা যায়। আর তোরা যেন অমুসলিমদের পোষাক পরিচ্ছেদ যেমন সংকীর্ণ প্যান্ট বা এ জাতীয় পোষাক পরিধান করা থেকে বিরত থাকে। এ ছাড়া অন্যান্য যে সব ক্ষতিকারক অভ্যাস রয়েছে তা থেকেও তারা যেন বিরত থাকে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
لَعَنَ النَّبِيُّ صَلي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُتَشَبِّهِيْنَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّساءِ وَالْمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ وَلَعَنَ الْمُخَنَّثِيْنَ مِنَ الرِّجَالِ والْمُتَرَجِّلاتِ مِنَ النِّسَاءِ ( رواه البخاري )
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরষের বেশধারী মহিলা ও মহিলাদের বেশধারী পুরুষদের উপর অভিশাপ বর্ষণ করেছেন। পুরুষদের মধ্যে যারা মহিলাদের মত চলাফিরা করে এবং মেয়েদের মধ্যে যারা পুরুষদের মত চলাফিরা করে তাদের উপরও অভিশাপ করেছেন। (সহিহ বোখারি)
অন্যত্র আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
وَمَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ ( رواه ابو داود صحيح )
যে ব্যক্তি কোনো কওমের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে। (সহিহ, বর্ণনায় আবু দাউদ)
যখনই তাদের বয়স সাত বছর অতিক্রম করবে তখন থেকেই সর্বদা তাকে রুমাল কিংবা উড়না জাতীয় কাপড় দ্বারা মস্তক আবৃত করার জন্য হুকুম করতে হবে । তারপর যখন বালেগ (প্রাপ্ত বয়স্কা) হবে, তখন মুখ মন্ডল ঢাকার ব্যাপারে উৎসাহিত করতে হবে। আর এমন বোরখা পরিধান করাতে হবে, যা হবে লম্বা ও ঢিলেঢালা। এবং যা তার সম্মানের হিফাজত করবে।
পবিত্র কোরআন মুমিনদের পর্দা করার জন্য এই বলে উৎসাহিত করছে,
(আরবি)
হে নবী, তুমি তোমার স্ত্রীদেরকে, কন্যাদেরকে ও মুমিনদের নারীদেরকে বল, তারা যেন তাদের জিলবাবের (জিলবাব হচ্ছে এমন পোষাক যা পুরো শরীরকে আচ্ছাদিত করে) কিছু অংশ নিজেদের উপর ঝুলিয়ে দেয়, তাদেরকে চেনার ব্যাপারে এটাই সবচেয়ে কাছাকাছি পন্থা হবে। ফলে তাদেরকে কষ্ট দেয়া হবে না। (সূরা আহযাব : ৫৯)
আল্লাহ তাআলা মুমিন নারীদেরকে ঘরের বাইরে ঘুরাফিরা ও বিনা পর্দায় চলাফেরা করতে নিষেধ করে বলেন:
(আরবি)
এবং প্রাক- জাহেলি যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। (সূরা আহযাব : ৩৩)
২। সন্তানদের এই উপদেশ দিতে হবে যে, পুরুষরা পুরুষদের পোষাক ও মহিলারা মহিলাদের পোষাক পরিধান করবে, যাতে তাদের প্রত্যেককে আলাদা করে পার্থক্য করা যায় ও চেনা যায়। আর তোরা যেন অমুসলিমদের পোষাক পরিচ্ছেদ যেমন সংকীর্ণ প্যান্ট বা এ জাতীয় পোষাক পরিধান করা থেকে বিরত থাকে। এ ছাড়া অন্যান্য যে সব ক্ষতিকারক অভ্যাস রয়েছে তা থেকেও তারা যেন বিরত থাকে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
لَعَنَ النَّبِيُّ صَلي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُتَشَبِّهِيْنَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّساءِ وَالْمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ وَلَعَنَ الْمُخَنَّثِيْنَ مِنَ الرِّجَالِ والْمُتَرَجِّلاتِ مِنَ النِّسَاءِ ( رواه البخاري )
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরষের বেশধারী মহিলা ও মহিলাদের বেশধারী পুরুষদের উপর অভিশাপ বর্ষণ করেছেন। পুরুষদের মধ্যে যারা মহিলাদের মত চলাফিরা করে এবং মেয়েদের মধ্যে যারা পুরুষদের মত চলাফিরা করে তাদের উপরও অভিশাপ করেছেন। (সহিহ বোখারি)
অন্যত্র আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
وَمَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ ( رواه ابو داود صحيح )
যে ব্যক্তি কোনো কওমের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে। (সহিহ, বর্ণনায় আবু দাউদ)