১
ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
নেক কাজে আদেশ দানকারীর জন্য কতিপয় শর্ত:
১। সৎকাজের আদেশ ও অন্যায় কাজে নিষেধ করবে নম্র ও ভদ্রতার সাথে, যাতে মানুষের অন্তর তা গ্রহণ করতে উৎসাহ বোধ করে। আল্লাহ তাআলা মূসা ও হারুন আলাইহিমাস সলামকে সম্বোধন করে বলেন:
(আরবি)
তোমরা দু’জন ফিরাউনের নিকট যাও কারণ, সে তো সীমালঙ্ঘন করেছে। তোমরা তার সাথে নরম কথা বলবে। হয়তোবা সে উপদেশ গ্রহণ করবে অথবা ভয় করবে। (সূরা তাহা: ৪৩-৪৪ )
যদি কাউকে গালমন্দ করতে বা কুফরি কাজ করতে দেখা যায় তাহলে ভদ্রভাবে নরম ভাষায় উপদেশ দিতে হবে। তাকে শয়তানের ধোকা হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলতে হবে। কারণ, শয়তানের কারণে সে এইভাবে গালমন্দ করছে। যে আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করে একটির পর একটি নেয়ামত দিচ্ছেন, তিনি অবশ্যই শুকরিয়া পাওয়ার অধিকার রাখেন। আর কুফরি করলে কোনো লাভই হবে না। বরং এ জন্য সে দুনিয়ায় দুর্ভাগা হবে এবং আখেরাতেও সাজা প্রাপ্ত হবে। তারপর তাকে তওবা ও ইস্তেগফার করার পরামর্শ দিতে হবে।
২। যে সব কাজের আদেশ দিবে সে সম্পর্কে হালাল না হারাম তা উত্তম রূপে জানতে হবে, যাতে অন্যের উপকার করা সম্ভব হয় এবং অজ্ঞতার কারণে যেন অন্যের ক্ষতি হয়ে না যায়।
৩। যে কাজের নির্দেশ দিবে, তার উপর নিজের আমল থাকাটা উত্তম। আর যা থেকে নিষেধ করবে তা হতে আগে নিজে বিরত থাকবে, যাতে উদ্যোগটি পূর্ণরূপে উপকারী হয়। যারা আদেশ দিয়ে নিজেরা আমল করে না তাদের আল্লাহ তাআলা সম্বন্ধে বলেন:
(আরবি)
তোমরা কি মানুষকে ভাল কাজের আদেশ দিচ্ছ আর নিজদেরকে ভুলে যাচ্ছ? অথচ তোমরা কিতাব তেলাওয়াত কর। তোমরা কি বুঝ না? (সূরা বাকারা : ৪৪ )
আর যে এই ধরনের ভুলে লিপ্ত রয়েছে, তার কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়ে তা সংশোধন করতে তৎপর হতে হবে।
৪। আমলের মধ্যে ইখলাস পয়দা করতে হবে। আর যারা বিরোধিতা করবে তাদের হেদায়েতের জন্য জিকির">দোয়া করতে হবে। তবেই তা আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট ওজর হবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
(আরবি)
বলল, তোমরা কেন উপদেশ দিচ্ছ এমন কওমকে, যাদেরকে আল্লাহ ধ্বংস করবেন অথবা কঠিন আজাব দেবেন? তারা বলল, তোমাদের রবের নিকট ওজর পেশ করার উদ্দেশ্যে। আর হয়তো তারা তাকওয়া অবলম্বন করবে। (সূরা আ’রাফ: ১৬৪)
৫। নেক কাজে আদেশ প্রদানকারীকে নির্ভীক হতে হবে। কারো কোনো সমালোচনায় কর্ণপাত করবে না। আর আপতিত যে কোনো বিপদাপদে ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
(আরবি)
তোমরা দু’জন ফিরাউনের নিকট যাও কারণ, সে তো সীমালঙ্ঘন করেছে। তোমরা তার সাথে নরম কথা বলবে। হয়তোবা সে উপদেশ গ্রহণ করবে অথবা ভয় করবে। (সূরা তাহা: ৪৩-৪৪ )
যদি কাউকে গালমন্দ করতে বা কুফরি কাজ করতে দেখা যায় তাহলে ভদ্রভাবে নরম ভাষায় উপদেশ দিতে হবে। তাকে শয়তানের ধোকা হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলতে হবে। কারণ, শয়তানের কারণে সে এইভাবে গালমন্দ করছে। যে আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করে একটির পর একটি নেয়ামত দিচ্ছেন, তিনি অবশ্যই শুকরিয়া পাওয়ার অধিকার রাখেন। আর কুফরি করলে কোনো লাভই হবে না। বরং এ জন্য সে দুনিয়ায় দুর্ভাগা হবে এবং আখেরাতেও সাজা প্রাপ্ত হবে। তারপর তাকে তওবা ও ইস্তেগফার করার পরামর্শ দিতে হবে।
২। যে সব কাজের আদেশ দিবে সে সম্পর্কে হালাল না হারাম তা উত্তম রূপে জানতে হবে, যাতে অন্যের উপকার করা সম্ভব হয় এবং অজ্ঞতার কারণে যেন অন্যের ক্ষতি হয়ে না যায়।
৩। যে কাজের নির্দেশ দিবে, তার উপর নিজের আমল থাকাটা উত্তম। আর যা থেকে নিষেধ করবে তা হতে আগে নিজে বিরত থাকবে, যাতে উদ্যোগটি পূর্ণরূপে উপকারী হয়। যারা আদেশ দিয়ে নিজেরা আমল করে না তাদের আল্লাহ তাআলা সম্বন্ধে বলেন:
(আরবি)
তোমরা কি মানুষকে ভাল কাজের আদেশ দিচ্ছ আর নিজদেরকে ভুলে যাচ্ছ? অথচ তোমরা কিতাব তেলাওয়াত কর। তোমরা কি বুঝ না? (সূরা বাকারা : ৪৪ )
আর যে এই ধরনের ভুলে লিপ্ত রয়েছে, তার কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়ে তা সংশোধন করতে তৎপর হতে হবে।
৪। আমলের মধ্যে ইখলাস পয়দা করতে হবে। আর যারা বিরোধিতা করবে তাদের হেদায়েতের জন্য জিকির">দোয়া করতে হবে। তবেই তা আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট ওজর হবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
(আরবি)
বলল, তোমরা কেন উপদেশ দিচ্ছ এমন কওমকে, যাদেরকে আল্লাহ ধ্বংস করবেন অথবা কঠিন আজাব দেবেন? তারা বলল, তোমাদের রবের নিকট ওজর পেশ করার উদ্দেশ্যে। আর হয়তো তারা তাকওয়া অবলম্বন করবে। (সূরা আ’রাফ: ১৬৪)
৫। নেক কাজে আদেশ প্রদানকারীকে নির্ভীক হতে হবে। কারো কোনো সমালোচনায় কর্ণপাত করবে না। আর আপতিত যে কোনো বিপদাপদে ধৈর্য ধারণ করতে হবে।