১
ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
চারিত্রিক গুণাবলী ও আদব কায়দা
১। আমরা আমাদের বাচ্চাদের এমন অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করব, যাতে তারা কোনো কিছু গ্রহণ করা, প্রদান করা, পান করা, লেখা ও মেহমানদারী করার সময় ডান হাত ব্যবহার করে। প্রতিটি কাজের পূর্বে যেন বিসমিল্লাহ বলে। বিশেষ করে পানাহার করার সময়। আর খাবার গ্রহণ করবে বসা অবস্থায় । খানাপিনা ও প্রতিটি ভালকাজ শেষে যেন বলে আলহামদুলিল্লাহ।
২। তাদেরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাস গড়ে তোলার ব্যাপারে সাহায্য করতে হবে। যেমন- হাত পায়ের নখ ছোট করা, খাবার গ্রহণের পূর্বে ও পরে হস্তদ্বয় ধৌত করা, এস্তেঞ্জা করতে শিক্ষা দেয়া, প্রশ্রাবের পর টিস্যু কাগজ অথবা ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করা অথবা পানি দ্বারাধৌত করা। এতে করে তাদের সালাত শুদ্ধ হবে এবং পোষাক পরিচ্ছেদেও কোনো নাপাকি স্পর্শ করবে না।
৩। তাদের উপদেশ দান করতে হবে গোপনে। যদি কোনো ভূল ত্রুটি করেও থাকে, তথাপি প্রকাশ্যে সকলের সামনে অপমান করা ঠিক হবে না। যদি তারা কোনো কথা গ্রহণ করতে ধৃষ্টতা প্রকাশ করে, তাহলে তাদের সাথে কথা বন্ধ রাখতে হবে তিন দিন পর্যন্ত।
৪। তাদেরকে আজানের সময় নীরব থাকা, মুয়াজ্জিনের সাথে সাথে আজানের জবাব দেয়া, আজান শেষে রাসূলের উপর সালাত ও সালাম পড়া ও রাসূলুল্লাহর জন্য অছিলার জিকির">দোয়া করার জন্য শিক্ষা দিতে হবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজান শেষে এই দোয়া পড়তে বলেছেন:
اللهمَّ ربَّ هذهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ والصَّلاةِ القَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ ( رواه البخاري )
হে আল্লাহ এই পরিপূর্ণ আহবান ও সালাতের রব। অনুগ্রহ করে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অছীলা ও মর্যাদা দান করুন। আর যে প্রশংসিত স্থানের ওয়াদা আপনি করেছেন, তা তাকে দান করুন। (বোখারি)
৫। যদি সম্ভব হয়, তবে প্রতিটি সন্তানের জন্য আলাদা বিছানার ব্যবস্থা করতে হবে অথবা গায়ের চাদর আলাদা দিতে হবে। উত্তম হচ্ছে- মেয়েদের জন্য আলাদা এবং ছেলেদের জন্য আলাদা কামরার ব্যবস্থা করা। ফলে, এটা তাদের চরিত্র ও স্বাস্থ্যের হিফাজত করবে।
৬। তাদের এমন অভ্যাস গড়তে হবে, যাতে রাস্তা ঘাটে কোনো আবর্জনা না ফেলে। এবং সম্মুখে কখনও কোনো আবর্জনা দেখলে তা যেন দুরে সরিয়ে ফেলে।
৭। দুষ্ট ও খারাপ বন্ধুদের সাথে উঠ বসার ব্যাপারে সর্বদা সাবধান করতে হবে। আর রাস্তা ঘাটে তাদের অবস্থান করার ব্যাপারে সাবধান করতে হবে।
৮।সন্তানদেরকে বাড়ি, রাস্তা ও শ্রেণী কক্ষ এক কথায় সব জায়গায় “আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু” বলে সালাম দেয়ার অভ্যাস করাতে হবে ।
৯।প্রতিবেশির সাথে সদ্ভাব রাখার ব্যাপারে উপদেশ দিতে হবে এবং তাদের কষ্ট দেয়া হতেও তাদেরকে বিরত রাখতে হবে।
১০। বাচ্চাদের এমন অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা মেহমানদের সম্মান ও উত্তমভাবে তাদের মেহমানদারী করে।
২। তাদেরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাস গড়ে তোলার ব্যাপারে সাহায্য করতে হবে। যেমন- হাত পায়ের নখ ছোট করা, খাবার গ্রহণের পূর্বে ও পরে হস্তদ্বয় ধৌত করা, এস্তেঞ্জা করতে শিক্ষা দেয়া, প্রশ্রাবের পর টিস্যু কাগজ অথবা ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করা অথবা পানি দ্বারাধৌত করা। এতে করে তাদের সালাত শুদ্ধ হবে এবং পোষাক পরিচ্ছেদেও কোনো নাপাকি স্পর্শ করবে না।
৩। তাদের উপদেশ দান করতে হবে গোপনে। যদি কোনো ভূল ত্রুটি করেও থাকে, তথাপি প্রকাশ্যে সকলের সামনে অপমান করা ঠিক হবে না। যদি তারা কোনো কথা গ্রহণ করতে ধৃষ্টতা প্রকাশ করে, তাহলে তাদের সাথে কথা বন্ধ রাখতে হবে তিন দিন পর্যন্ত।
৪। তাদেরকে আজানের সময় নীরব থাকা, মুয়াজ্জিনের সাথে সাথে আজানের জবাব দেয়া, আজান শেষে রাসূলের উপর সালাত ও সালাম পড়া ও রাসূলুল্লাহর জন্য অছিলার জিকির">দোয়া করার জন্য শিক্ষা দিতে হবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজান শেষে এই দোয়া পড়তে বলেছেন:
اللهمَّ ربَّ هذهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ والصَّلاةِ القَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ ( رواه البخاري )
হে আল্লাহ এই পরিপূর্ণ আহবান ও সালাতের রব। অনুগ্রহ করে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অছীলা ও মর্যাদা দান করুন। আর যে প্রশংসিত স্থানের ওয়াদা আপনি করেছেন, তা তাকে দান করুন। (বোখারি)
৫। যদি সম্ভব হয়, তবে প্রতিটি সন্তানের জন্য আলাদা বিছানার ব্যবস্থা করতে হবে অথবা গায়ের চাদর আলাদা দিতে হবে। উত্তম হচ্ছে- মেয়েদের জন্য আলাদা এবং ছেলেদের জন্য আলাদা কামরার ব্যবস্থা করা। ফলে, এটা তাদের চরিত্র ও স্বাস্থ্যের হিফাজত করবে।
৬। তাদের এমন অভ্যাস গড়তে হবে, যাতে রাস্তা ঘাটে কোনো আবর্জনা না ফেলে। এবং সম্মুখে কখনও কোনো আবর্জনা দেখলে তা যেন দুরে সরিয়ে ফেলে।
৭। দুষ্ট ও খারাপ বন্ধুদের সাথে উঠ বসার ব্যাপারে সর্বদা সাবধান করতে হবে। আর রাস্তা ঘাটে তাদের অবস্থান করার ব্যাপারে সাবধান করতে হবে।
৮।সন্তানদেরকে বাড়ি, রাস্তা ও শ্রেণী কক্ষ এক কথায় সব জায়গায় “আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু” বলে সালাম দেয়ার অভ্যাস করাতে হবে ।
৯।প্রতিবেশির সাথে সদ্ভাব রাখার ব্যাপারে উপদেশ দিতে হবে এবং তাদের কষ্ট দেয়া হতেও তাদেরকে বিরত রাখতে হবে।
১০। বাচ্চাদের এমন অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা মেহমানদের সম্মান ও উত্তমভাবে তাদের মেহমানদারী করে।