১
ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ইসলামের বৈশিষ্ট্যসমূহ
১. ইসলাম হচ্ছে তাওহিদ তথা একত্ববাদের দ্বীন। আর তাওহিদ হচ্ছে, অন্তরে দৃঢ়ভাবে এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, বিশ্ব জগতকে সৃষ্টি করেছেন এককভাবে মহান এক স্রষ্টা। বাস্তবতার নিরিখে বিষয়টি জ্বলন্ত সত্য । প্রতিটি বুদ্ধিমান ও চিন্তাশীল লোক এটি স্বীকার করতে বাধ্য, কারণ তাদের বুদ্ধি ও বিবেচনাই তাদেরকে স্বীকার করতে বাধ্য করে। আরো বিশ্বাস পোষণ করা যে, সেই স্রষ্টাই হচ্ছেন সত্যিকারের মাবুদ, সুতরাং যাবতীয় ইবাদত একমাত্র তাঁরই উদ্দেশে হতে হবে। একমাত্র তাঁর নামেই জবেহ করতে হবে, নজর নেয়াজ তাঁর নামেই দেয়া যাবে। জিকির">দোয়ার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
الدُّعاَءُ هُوَ الْعبَادة ( الترمذي )
অর্থাৎ, দোয়াই ইবাদত। (তিরমিজি, হাসান সহিহ)
এ কারণেইতো গাইরুল্লাহর নিকট দোয়া করা জায়েয নেই।
২। ইসলাম সমস্ত কিছুর সমন্বয় সাধন করে, কোনো বিভেদ সৃষ্টি করে না। এবং আল্লাহ প্রেরিত সকল রাসূলের উপর ঈমান আনতে বলে, যাদেরকে তিনি প্রেরণ করেছেন লোকদের হেদায়েতের জন্য, তাদের জীবনকে সুসংহত করার জন্য। আমাদের রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হচ্ছেন তাদের মধ্যে সর্বশেষ নবী। আর তাঁর শরিয়ত আল্লাহর হুকুমে পূর্ববর্তী সকল শরিয়তকে বাতিল করে দিয়েছে। মহান আল্লাহ তাঁকে সমস্ত মানব জাতির জন্য প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি তাদেরকে মিথ্যা ও বিকৃত ধর্মের কবল হতে রক্ষা করে অপরিবর্তনশীল দ্বীন, ইসলামের মধ্যে শামিল করতে পারেন।
৩। ইসলামের যাবতীয় শিক্ষা ও বিধান সহজ এবং সর্ব সাধারণের জন্য বোধযোগ্য । ইসলাম কোনো রকম অবাস্তব চিন্তা কিংবা বিকৃত আকিদা অথবা দার্শনিকের কাল্পনিক কোনো চিন্তাকে স্বীকৃতি দেয়নি। এটি সর্ব যুগে, প্রতিটি সমাজে সহজেই পালনযোগ্য জীবন ব্যবস্থার নাম।
৪। ইসলাম জড় ও আত্মিক জগতকে সম্পূর্ণ আলাদা করে না। বরঞ্চ জীবনকে এক ও সর্বব্যাপী ধারণা করে এবং উভয় জগতকে এক হিসাবে দেখে। তাই কোনো একটাকে গ্রহণ করা, আর অন্যটাকে ছেড়ে দেয়ার নীতি ইসলামের মধ্যে নেই।
৫। ইসলাম অত্যন্ত দৃঢ়তার সংগে মুসলিমদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার যার পর নাই গুরুত্ব দেয় এবং জাতি, ভাষা, বর্ণ ও এলাকাগত দূরত্ব বিভেদকে অস্বীকার করে কঠিনভাবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
(আরবি)
নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই আল্লাহর নিকট অধিক মর্যাদাসম্পন্ন যে সর্বাধিক মুত্তাকি। (সূরা হুজুরাত: ১৩)
৬। ইসলামে দ্বীন নিয়ে ব্যবসা করার কোনো সুযোগ নেই, যারা এমনটি করবে ইসলামে তাদের কোনো স্বীকৃতি নেই। অনুরূপভাবে তাতে এমন কোনো অবাস্তব চিন্তা ও ওলীক ধারণা নেই যা বিশ্বাস করা কঠিন। প্রতিটি ব্যক্তিরই আল্লাহর কিতাব ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস পড়ার অধিকার আছে, যার ইচ্ছা সেই পড়তে পারে এবং সালাফে সালেহীন যেভাবে বুঝেছেন ঠিক সেভাবে বুঝে নিয়ে তার ভিত্তিতেই জীবনকে গড়তে পারে।
الدُّعاَءُ هُوَ الْعبَادة ( الترمذي )
অর্থাৎ, দোয়াই ইবাদত। (তিরমিজি, হাসান সহিহ)
এ কারণেইতো গাইরুল্লাহর নিকট দোয়া করা জায়েয নেই।
২। ইসলাম সমস্ত কিছুর সমন্বয় সাধন করে, কোনো বিভেদ সৃষ্টি করে না। এবং আল্লাহ প্রেরিত সকল রাসূলের উপর ঈমান আনতে বলে, যাদেরকে তিনি প্রেরণ করেছেন লোকদের হেদায়েতের জন্য, তাদের জীবনকে সুসংহত করার জন্য। আমাদের রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হচ্ছেন তাদের মধ্যে সর্বশেষ নবী। আর তাঁর শরিয়ত আল্লাহর হুকুমে পূর্ববর্তী সকল শরিয়তকে বাতিল করে দিয়েছে। মহান আল্লাহ তাঁকে সমস্ত মানব জাতির জন্য প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি তাদেরকে মিথ্যা ও বিকৃত ধর্মের কবল হতে রক্ষা করে অপরিবর্তনশীল দ্বীন, ইসলামের মধ্যে শামিল করতে পারেন।
৩। ইসলামের যাবতীয় শিক্ষা ও বিধান সহজ এবং সর্ব সাধারণের জন্য বোধযোগ্য । ইসলাম কোনো রকম অবাস্তব চিন্তা কিংবা বিকৃত আকিদা অথবা দার্শনিকের কাল্পনিক কোনো চিন্তাকে স্বীকৃতি দেয়নি। এটি সর্ব যুগে, প্রতিটি সমাজে সহজেই পালনযোগ্য জীবন ব্যবস্থার নাম।
৪। ইসলাম জড় ও আত্মিক জগতকে সম্পূর্ণ আলাদা করে না। বরঞ্চ জীবনকে এক ও সর্বব্যাপী ধারণা করে এবং উভয় জগতকে এক হিসাবে দেখে। তাই কোনো একটাকে গ্রহণ করা, আর অন্যটাকে ছেড়ে দেয়ার নীতি ইসলামের মধ্যে নেই।
৫। ইসলাম অত্যন্ত দৃঢ়তার সংগে মুসলিমদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার যার পর নাই গুরুত্ব দেয় এবং জাতি, ভাষা, বর্ণ ও এলাকাগত দূরত্ব বিভেদকে অস্বীকার করে কঠিনভাবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
(আরবি)
নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই আল্লাহর নিকট অধিক মর্যাদাসম্পন্ন যে সর্বাধিক মুত্তাকি। (সূরা হুজুরাত: ১৩)
৬। ইসলামে দ্বীন নিয়ে ব্যবসা করার কোনো সুযোগ নেই, যারা এমনটি করবে ইসলামে তাদের কোনো স্বীকৃতি নেই। অনুরূপভাবে তাতে এমন কোনো অবাস্তব চিন্তা ও ওলীক ধারণা নেই যা বিশ্বাস করা কঠিন। প্রতিটি ব্যক্তিরই আল্লাহর কিতাব ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস পড়ার অধিকার আছে, যার ইচ্ছা সেই পড়তে পারে এবং সালাফে সালেহীন যেভাবে বুঝেছেন ঠিক সেভাবে বুঝে নিয়ে তার ভিত্তিতেই জীবনকে গড়তে পারে।